শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:০৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
মৌলভীবাজারে সুজনের উদ্যোগে গণতন্ত্র অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত কমলগঞ্জে পাঁচ শতাধিক দু:স্থ ও প্রতিবন্ধী চা শ্রমিকরা পেয়েছে জেলা প্রশাসকের উপহার শীতবস্ত্র ‘বেহেশত-দোজখের মালিক আল্লাহ, টিকিট দেওয়ার কথা বলে অন্য দল শিরক করছে’: মৌলভীবাজারে তারেক রহমান কমলগঞ্জে বরই চাষে আজাদুর রহমানের সাফল্য কমলগঞ্জে ফসলি জমির মাটি যাচ্ছে বসত ভিটায় শ্রীমঙ্গলে বালিকা ভলিবল চ্যাম্পিয়নশিপ অনুষ্ঠিত মানবিকতায় কমলগঞ্জ প্রেসক্লাব: দুই শতাধিক শীতার্তের মাঝে উষ্ণতা বিতরণ শ্রীমঙ্গলে চা শ্রমিকদের নিয়ে ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ সভা শাকসু নির্বাচন: ‘সাধারণের ঐক্যস্বর’প্যানেলের ৯ দফা ইশতেহার, কী আছে এতে? ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের অধিকার নেই: আসিফ মাহমুদ

হার না মানা নায়ক মার্টিন গাপটিল

নিউজ ডেস্ক / ৯৩ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : শুক্রবার, ৮ মার্চ, ২০২৪

২০১৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ওয়ানডে বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল। জয়ের জন্য শেষ ১০ বলে ভারতের দরকার ২৫ রান। স্ট্রাইকে ছিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। লকি ফার্গুসনের বল মিস হিটে অন সাইডে গেলে দুই রানের জন্য দৌড় দেন ধোনি। মিড অনের কাছাকাছি থেকে দৌড়ে এসে ডিরেক্ট থ্রোয়ে স্টাম্প ভাঙলেন গাপটিল। কমেন্ট্রি বক্স থেকে ইয়ান স্মিথের কণ্ঠে ‘Oh direct hit, is this the world cup?’. সেদিন ডিরেক্ট থ্রোয়ে ধোনিকে ফিরিয়ে নিউজিল্যান্ডের ফাইনালে যাওয়াটা একপ্রকার নিশ্চিতই করেছিলেন মার্টিন গাপটিল।

সে আসরে ব্যাট হাতে অনেকটাই ব্যর্থ ছিলেন গাপটিল। কিন্তু এক রান আউটেই বনে গেলেন নিউজিল্যান্ডের হিরো। অবশ্য নাটকীয় ফাইনালে ‘বাউন্ডারি কাউন্টে’ শিরোপা জয় পায় ইংলিশরা। কিন্তু ভারতীয় সমর্থকদের স্বপ্নভঙ্গ হওয়া গাপটিলের সেই ডিরেক্ট থ্রোয়ে স্টাম্প ভাঙা ২০১৯ বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা এক মুহূর্ত!

নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটে ‘সেফ হ্যান্ডস’ শব্দটাও তাকেই বেশি মানায়। ক্যাচ কিংবা ফিল্ডিং মিস ব্যাপারটা বড্ড বেমানান গাপটিলের সঙ্গে। দুর্দান্ত ফিল্ডিং আর ওপেনিংয়ে তার আগ্রাসী ব্যাটিং– সব মিলিয়ে রঙিন জার্সিতে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ তিনি! অথচ ডাক্তার বলেছিলেন তিনি আর দৌড়াতেই পারবেন না।

মার্টিন জেমস গাপটিল ১৯৮৬ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর অকল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেন। মাত্র ১৩ বছর বয়সে দুর্ঘটনায় বাঁ পায়ের তিন আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় গাপটিলের। অনেক চেষ্টা করেও সেগুলোতে আর জোড়া লাগাতে পারেননি ডাক্তাররা। এরপর থেকে গাপটিলের নামের পাশে যুক্ত হয় ‘টু টয়েস’ বা দুই পদাঙ্গুল! অবশ্য এ নিয়ে কখনো আক্ষেপ বা নিজেকে কারোর চেয়ে কম ভাবেননি তিনি। জীবনযুদ্ধে হার মানেননি তিনি। পিছু না হটে নিজের স্বপ্নকে পুঁজি করে ছুটেছেন ক্যারিয়ার গড়তে।

২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডেতে অভিষেক হয় তার। সে ম্যাচে সেঞ্চুরি করে জাতীয় দলে পদার্পণটা স্মরণীয় করে রাখেন গাপটিল। ওই বছরই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি ও ভারতের বিপক্ষে টেস্টে অভিষেক হয় গাপটিলের। ওয়ানডেতে বেশ ভালো পারফর্ম করলেও সাদা পোশাকে ঠিক নিজেকে প্রমাণ করতে পারেননি তিনি।

এক দিনের ক্রিকেটের দুটি বিশ্বকাপের ফাইনালে গেলেও গাপটিল ছুঁয়ে দেখতে পারেননি সোনার হরিণ ট্রফিটা। ফিরতে হয়েছে খালি হতে। ২০১৫ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে গাপটিলের রেকর্ড গড়া ডাবল সেঞ্চুরি আর ২০১৯ বিশ্বকাপে ধোনিকে আউট করেই দলকে তুলেছিলেন ফাইনালে। তবুও বিদায়টা হয়েছে খালি হাতেই।

রঙিন পোশাকে বরাবরই তিনি ওপেনিংয়ে নিউজিল্যান্ডের এক ভরসার নাম। টি-টোয়েন্টিতে তার বিধ্বংসী ব্যাটিং প্রায়সই বিপাকে ফেলেছে প্রতিপক্ষের বোলারদের।


আরো সংবাদ পড়ুন...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর