সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:০৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
কমলগঞ্জে হৃদরোগে আক্রান্ত শিশুকে বাঁচাতে মানবিক হাত বাড়াল প্রবাসীরা দূর পরবাসে থেকেও নাড়ির টানে ড. শাহ্ আলম: চাবাগান ও আর্তমানবতার সেবায় এক অনন্য নাম মৌলভীবাজারে সিআরবির নবনির্বাচিত কমিটির শপথ গ্রহণ কবিতা-মোদের কমলগঞ্জ নিরপেক্ষ গণমাধ্যম সমাজের দর্পণ: ‘সাপ্তাহিক কমলগঞ্জের হালচাল’-এর যাত্রা শুরু কমলগঞ্জে বসতবাড়ি দখ/লের অভি/যোগ: হা/মলা-ভাঙ/চুরে প্রবা/সীর পরিবারে আ/তঙ্ক বৌভাতে নবদম্পতিকে দেওয়া হলো অকটেন চা বাগানের ছায়াবৃক্ষের সঙ্গে এ কেমন শত্রুতা! মৌলভীবাজারে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু মহাখালীতে ক্যা/ন্সার হাস/পাতালের উপপরিচালককে ছুরি/কা/ঘাত: টেন্ডার বি/রোধের জেরে হাম/লার অভি/যোগ, গ্রে/প্তার ৭

কমলগঞ্জে হৃদরোগে আক্রান্ত শিশুকে বাঁচাতে মানবিক হাত বাড়াল প্রবাসীরা

ডেস্ক রিপোর্ট / ৩৪ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬

মানবিকতা এখনো বেঁচে আছে—এরই উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড প্রবাসী ঐক্য পরিষদ। হৃদরোগে আক্রান্ত চার বছর বয়সী নিষ্পাপ শিশু সিয়ামের চিকিৎসার জন্য এগিয়ে এসেছে এলাকার প্রবাসীরা।

উপজেলার আলিনগর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের গবিন্দপুর গ্রামের অটোরিকশা চালক মিলন মিয়ার সন্তান সিমায় জন্মগত জটিল হৃদরোগে ভুগছে। চিকিৎসকদের মতে, শিশুটির সুস্থতার জন্য জরুরি ভিত্তিতে উন্নত চিকিৎসা প্রয়োজন, যা দেশের বাইরে পর্যন্ত গড়াতে পারে।

ঢাকার হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. নুরুন্নাহার ফাতেমা জানিয়েছেন, শিশুটির জীবন বাঁচাতে উন্নত চিকিৎসার বিকল্প নেই। এজন্য তাকে ঢাকায় এবং প্রয়োজনে ভারতের বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে হবে, যার ব্যয় অত্যন্ত বেশি।

এমন বাস্তবতায় অসহায় পিতা মিলন মিয়ার পক্ষে সন্তানের চিকিৎসার ব্যয় বহন করা প্রায় অসম্ভব। দিনমজুর হিসেবে কাজ করে কোনোমতে সংসার চালানো এই পরিবারের জন্য সন্তানের চিকিৎসা এখন স্বপ্নের মতো। এর আগেও অসুস্থতার কারণে তার একটি কন্যাশিশু মারা যাওয়ায় পরিবারটি গভীর শোক ও আতঙ্কে রয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে ৬নং ওয়ার্ড প্রবাসী ঐক্য পরিষদ। এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে প্রবাসীদের পক্ষ থেকে ২৬ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা শিশুটির পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

সমাজের সচেতন মহলের মতে, এমন অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ানো শুধু মানবিক দায়িত্বই নয়, বরং সামাজিক দায়বদ্ধতারও একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সম্মিলিত উদ্যোগই পারে একটি নিষ্পাপ প্রাণকে বাঁচাতে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও সমাজ সেবক তাজুদুল ইসলাম পুতুল জানান, এটি শুধু একটি সহায়তা নয়, বরং মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে করা একটি উদ্যোগ। তারা সমাজের বিত্তবান ও হৃদয়বান মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন—শিশুটির জীবন রক্ষায় সবাই যেন এগিয়ে আসে।

শিশুটির বাবা মিলন মিয়া আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, ‘আমি গরিব মানুষ। আমার সন্তানের চিকিৎসা করানোর সামর্থ্য নেই। আপনারা একটু সাহায্য করলে হয়তো আমার বাচ্চাটা বেঁচে যাবে।’

সহযোগিতার জন্য যোগাযোগ:
মিলন মিয়া (শিশুর পিতা)
মোবাইল: ০১৭৮৪৪৯২৭৩৯


আরো সংবাদ পড়ুন...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর