বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১২:১৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
কমলগঞ্জে ঝড়বিধ্বস্ত দুই পরিবারের পাশে কৃষিবিদ “মুঈদ আশিক চিশতী” কমলগঞ্জে পারিবারিক দ্ব/ন্দ্বে স্ত্রী-সন্তানসহ ৬ জনের বিরু/দ্ধে অটোরিকশা চালকের অভি/যোগ কমলগঞ্জে কালবৈশাখীর তাণ্ডব: ১৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীনতা, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি কমলগঞ্জে হৃদরোগে আক্রান্ত শিশুকে বাঁচাতে মানবিক হাত বাড়াল প্রবাসীরা দূর পরবাসে থেকেও নাড়ির টানে ড. শাহ্ আলম: চাবাগান ও আর্তমানবতার সেবায় এক অনন্য নাম মৌলভীবাজারে সিআরবির নবনির্বাচিত কমিটির শপথ গ্রহণ কবিতা-মোদের কমলগঞ্জ নিরপেক্ষ গণমাধ্যম সমাজের দর্পণ: ‘সাপ্তাহিক কমলগঞ্জের হালচাল’-এর যাত্রা শুরু কমলগঞ্জে বসতবাড়ি দখ/লের অভি/যোগ: হা/মলা-ভাঙ/চুরে প্রবা/সীর পরিবারে আ/তঙ্ক বৌভাতে নবদম্পতিকে দেওয়া হলো অকটেন

কমলগঞ্জে ঝড়বিধ্বস্ত দুই পরিবারের পাশে কৃষিবিদ “মুঈদ আশিক চিশতী”

সালাহউদ্দিন শুভ / ৮০ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ৩নং পৌরসভার নছরতপুর গ্রামে ঘূর্ণিঝড় ও টানা বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত দুই অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন বিশিষ্ট কৃষিবিদ ও তরুণ উদ্যোক্তা মুঈদ আশিক চিশতী। তার মানবিক সহায়তায় বিপর্যস্ত পরিবার দুটির জীবনে ফিরেছে স্বস্তি ও নতুন আশার আলো। মুঈদ আশিক চিশতী মৌলভীবাজার-৪ (কমলগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মুজিবুর রহমান চৌধুরী (হাজী মুজিব)-এর একমাত্র পুত্র।

জানা যায়, সাম্প্রতিক ঘূর্ণিঝড় ও ভারী বর্ষণে নছরতপুর গ্রামের দুটি পরিবারের ঘরবাড়ি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বসতঘর প্রায় বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়লে পরিবার দুটি চরম দুর্ভোগে দিন কাটাতে থাকে। এমন পরিস্থিতিতে ব্যক্তিগত উদ্যোগে এগিয়ে আসেন মুঈদ আশিক চিশতী। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার দুটির জন্য ৬ বান টিন, ঘর নির্মাণ ও মেরামতের প্রয়োজনীয় খুঁটি ও অন্যান্য সরঞ্জামাদি সরবরাহের পাশাপাশি নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করেন।

সহায়তা পাওয়া পরিবারের একজন সদস্য বলেন, ‘ঝড়ের পর আমরা একেবারেই দিশেহারা হয়ে পড়েছিলাম। থাকার মতো ঘর ছিল না। ঠিক তখনই মুঈদ আশিক চিশতী আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তার এই সহায়তা না পেলে আমরা আরও বড় বিপদে পড়তাম।’

এ বিষয়ে মানবিক বিশিষ্ট কৃষিবিদ ও তরুণ উদ্যোক্তা মুঈদ আশিক চিশতী বলেন, ‘মানুষ মানুষের জন্য—এই বিশ্বাস থেকেই আমি চেষ্টা করেছি সামান্য কিছু করার। প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের সবার দায়িত্ব। সমাজের সামর্থ্যবানদের আরও বেশি এগিয়ে আসা প্রয়োজন।’

স্থানীয় এক জনপ্রতিনিধি জানান, ‘এ ধরনের উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। সরকারি সহায়তার পাশাপাশি ব্যক্তিগত উদ্যোগে কেউ এগিয়ে এলে তা ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত পুনর্বাসনে বড় ভূমিকা রাখে।’

মইন নামে এলাকার আরেক বাসিন্দা বলেন, ‘মুঈদ আশিক চিশতীর মতো তরুণরা সমাজের জন্য উদাহরণ সৃষ্টি করছেন। তাদের এই মানবিক কাজ অন্যদেরও উদ্বুদ্ধ করবে।’

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সহায়ক। তারা আশা প্রকাশ করেন, সমাজের অন্যান্য বিত্তবান ও সচেতন মানুষও এভাবে অসহায় ও দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াবেন।


আরো সংবাদ পড়ুন...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর