১৯২১ সাল। ব্রিটিশ রাজের নির্মম শোষণ আর চাবুকের আঘাতে দিশেহারা চা শ্রমিকরা বুকের ভেতর এক চিলতে মুক্তির আকাশ খুঁজেছিলেন। নিজ জন্মভূমি বা ‘মুল্লুকে’ ফিরে যাওয়ার আকুলতায় তারা সেদিন ঘর ছেড়েছিলেন। আরো সংবাদ পড়ুন...
সিলেট সদর উপজেলার সবুজ খাদিমনগর ইউনিয়নের সাহেব বাজারে সম্প্রতি এক মনোমুগ্ধকর পরিবেশে উদ্বোধন করা হয়েছে “ঘাসফুল ইকো রিসোর্ট”। প্রায় তিন একর জায়গাজুড়ে, ছোট-বড় টিলা ও সবুজের সমারোহে ঘেরা এই নতুন
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ‘বিশ্ব পর্যটন দিবস’ উদযাপিত হয়েছে। শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) উপজেলার রাধানগর এলাকায় পর্যটন কল্যাণ পরিষদ ও ট্যুরিস্ট পুলিশ শ্রীমঙ্গলের যৌথ উদ্যোগে দিবসটি উদযাপিত হয়। এদিন সকালে শ্রীমঙ্গলের গ্র্যান্ড সুলতান
মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জে অবস্থিত মনিপুরী ললিতকলা একাডেমির উপ-পরিচালক (অতি:দা) প্রভাস চন্দ্র সিংহের বিরুদ্ধে ঢাকায় জাতি বৈচিত্র দিবস ২০২৫ (জুলাই পূর্ণজাগরণ অনুষ্টানমালা) অংশ গ্রহণকারী শিল্পীদের সম্মানী ভাতা আত্বসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ
চা বাগানের শ্রমিকদের অন্যতম ‘ফাগুয়া উৎসব’। এ উৎসব যেন বর্ণ-গোত্রের সীমানা ভেঙে সব সম্প্রদায়ের মানুষকে কাছে টেনে নেয়, যেন এক মিলনমেলা। বাংলাদেশের চা বাগানের শ্রমিকদের মধ্যে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মানুষ থাকলেও,
‘অনুরক্তির চিঠি দিও’ রক্তলাল পদ্মের সহিত কালো একটি খামেআমায় তুমি একটা চিঠি দিও,যেথায় থাকবে লেখা কিছু না পাওয়া অধ্যায়েরআঁধারিয়া অম্বর হয়েছিল প্রিয়।বুকের গহ্বরে ছিল যে, স্বপ্ন দিয়েছি কবরহোক তারও কিছু