মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের শ্রীমঙ্গল উপজেলা শাখার সভাপতি মো. ফারুক খাঁন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সম্মেলন–২০২৬-এ বিশেষ সম্মাননা স্মারক লাভ করেছেন।
এ উপলক্ষে শ্রীমঙ্গলে তাঁকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। একই সঙ্গে সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী সংগঠনের ১০ জন কর্মীর হাতে শুভেচ্ছা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।
গত ১১ জুলাই ঢাকায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সম্মেলন–২০২৬-এ নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাধব কুমার নেপাল এবং সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ আবেদ আলী যৌথভাবে ফারুক খাঁনের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন। এছাড়া একই অনুষ্ঠানে সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের মৌলভীবাজার জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. রুয়েল খাঁন আশরাফুল-কেও বিশেষ সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

ফারুক খাঁনের এ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিতে আনন্দ প্রকাশ করে সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের শ্রীমঙ্গল উপজেলা শাখা ১৭ জুলাই শ্রীমঙ্গল পৌরসভার সেমিনার হলরুমে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু হানিফ-এর সভাপতিত্বে এবং আইন বিষয়ক সম্পাদক সাহেদ আহমেদ-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন শ্রীমঙ্গল অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. আনিসুল ইসলাম আশরাফী, দৈনিক প্রতিদিনের বাংলাদেশ-এর মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি মো. ইসমাইল মাহমুদ, শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব মো. রুবেল আহমেদ এবং মানবাধিকার ঐক্য পরিষদ শ্রীমঙ্গলের সাধারণ সম্পাদক মো. সাইদুল ইসলাম সবুজ। এছাড়া বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক, প্রশাসনিক ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বলেন, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা, আইনের শাসন নিশ্চিতকরণ এবং সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় ফারুক খাঁনের অবদান প্রশংসনীয়। আন্তর্জাতিক পরিসরে তাঁর এ সম্মাননা শ্রীমঙ্গল তথা মৌলভীবাজার জেলার জন্য গৌরবের বিষয়। ভবিষ্যতেও মানবাধিকার ও জনকল্যাণে তাঁর নেতৃত্বে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তারা।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে ফারুক খাঁন এবং উপস্থিত অতিথিরা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সম্মেলন–২০২৬-এ অংশগ্রহণকারী সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের শ্রীমঙ্গল উপজেলা শাখার ১০ জন কর্মীর হাতে কেন্দ্রীয় পরিষদের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা স্মারক তুলে দেন।
উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সংগঠনের নেতাকর্মী, সুধীজন, গণমাধ্যমকর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা মানবাধিকার রক্ষা, সামাজিক সম্প্রীতি এবং জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।