মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ০৬:২৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
শ্রীমঙ্গলে জলবায়ু পরিবর্তন ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু শ্রীমঙ্গলে দোকান থেকে বিপন্ন তক্ষক উদ্ধার শ্রীমঙ্গলে মাইক্রোবাস-সিএনজি সংঘ/র্ষে নি/হ/ত ২ কুলাউড়ায় খাসিয়া পুঞ্জিতে সহস্রাধিক পানগাছ কেটে দিল দুর্বৃত্তরা অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার;প্রেসবিটারিয়ানের বার্ষিক সভায় কমলগঞ্জে সাংবাদিকের ওপর সন্ত্রাসী হামলা: মোটরসাইকেল ও মালামাল ছিনতাই কমলগঞ্জে প্রবাসীর জমি দখলের চেষ্টা, অপপ্রচারের অভিযোগ জুমার দিনে দোয়া কবুলের বিশেষ মুহূর্ত লাউয়াছড়ার সবুজে দৌড়—স্বাধীনতার ভোরে প্রাণের উচ্ছ্বাস মৌলভীবাজারে চোরচক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার, প্রাইভেটকার উদ্ধার

উত্তর-পূর্ব ভারতে বন্যা-ভূমিধসে নিহত ৩০

অনলাইন ডেস্ক / ৬৯ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : রবিবার, ১ জুন, ২০২৫

আসাম, মেঘালয়, মণিপুর, অরুণাচল প্রদেশ, মিজোরামের মতো রাজ্যগুলোতে গত দু’দিনে প্রবল বর্ষণ, বন্যা ও ভূমিধসের কারণে অন্তত ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

রোববার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি।

সংবাদ মাধ্যমটি বলছে, উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলোতে ভারী বর্ষণ, ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যার জেরে ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। গত দুই দিনে এসব কারণে কমপক্ষে ৩০ জন প্রাণ হারিয়েছেন। শুধু শনিবার ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

প্রাকৃতিক দুর্যোগে সবচেয়ে বেশি আসাম, অরুণাচল প্রদেশ, মেঘালয়, মণিপুর ও মিজোরাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আসামে ১২টি জেলায় অন্তত ৬০ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছে আসাম রাজ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ।

আসামের কামরূপ মেট্রোপলিটন জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ভূমিধসে পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে গোয়াহাটির উপকণ্ঠে বন্ডা এলাকায় ভূমিধসে ৩ নারীর মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন রাজ্যের নগর উন্নয়নমন্ত্রী জয়ন্ত মল্ল বড়ুয়া।

অন্যদিকে, অরুণাচল প্রদেশে ভূমিধস ও হঠাৎ বন্যায় ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। সবচেয়ে মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে ইস্ট কামেং জেলায়, যেখানে দুই পরিবারের সাত সদস্য একসঙ্গে প্রাণ হারিয়েছেন। প্রবল ভূমিধসের সময় তাদের গাড়িটি রাস্তা থেকে ছিটকে পড়ে এবং পানির তোড়ে ভেসে যায়।

এমন অবস্থায় আবহাওয়া দপ্তর আসামের কিছু অংশে রেড ও অরেঞ্জ এলার্ট এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের অন্যান্য অঞ্চলে অরেঞ্জ ও ইয়েলো এলার্ট জারি করেছে। এতে আরও ভূমিধস ও বন্যার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এদিকে, আসামের গৌহাটিতে ৬৭ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে গত শুক্রবার। সেদিন সেখানে ১১১ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। এতে শহরের একাধিক এলাকা প্লাবিত হয়ে পড়ে। ব্রহ্মপুত্রসহ বেশ কিছু নদীর পানি বিপদসীমার কাছাকাছি পৌঁছে গেছে।

এছাড়া, শনিবার রাতে সিকিমেও মেঘভাঙা বৃষ্টি হয়েছে। দুর্যোগের কারণে উত্তর সিকিমে পর্যটকদের যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। বিপজ্জনক ভাবে বেড়ে গেছে তিস্তার পানি। লাচুং এবং লাচেনের সঙ্গে যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন।

সিকিমে দেড় হাজার পর্যটক আটকে পড়েছেন বলেও খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় পুলিশ এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে।


আরো সংবাদ পড়ুন...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর