সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ১০:৩২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
শিক্ষার আলো ছড়ানো এক প্রজ্ঞাবান মানুষ: অধ্যক্ষ কোরেশ খানের জীবন ও কর্ম জুড়িতে মৎস্য কর্মকর্তার অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন আদিবাসীদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কাজ করবে সরকার: কুলাউড়ায় শওকতুল ইসলাম এমপি প্রবাসীর হাত ধরে শিক্ষার আলো: কমলগঞ্জে স্কুল ড্রেস ও মেধাবৃত্তি বিতরণ অনুষ্ঠানে এমপি মুজিব ৪০ কোটি টাকার পানি প্রকল্পে বাড়ছে ভোগান্তি; বিল বৃদ্ধি, সংযোগে অতিরিক্ত খরচ ও সেবার মান নিয়ে ক্ষোভ কমলগঞ্জে রয়েস্টন কাউন্সিলে বিপুল ভোটে কাউন্সিলর নির্বাচিত হলেন ‘বুলবুল আহমেদ’ কমলগঞ্জে পর্যটন শিল্পের মানোন্নয়নে রিসোর্ট মালিকদের সঙ্গে এমপির মতবিনিময় কমলগঞ্জে ডিবির অভিযানে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার শ্রীমঙ্গলে শ্রমিক নির্যাতন: আহত ৩, থানায় অভিযোগ কমলগঞ্জে তরুণ উদ্যোক্তা ও কৃষিবিদ মুঈদ আশিক চিশতীর উদ্যোগ

লঙ্কান শিবিরের দুর্ধর্ষ সৈনিক অরবিন্দ ডি সিলভা

ক্রীড়া প্রতিবেদক / ১০৯ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : শুক্রবার, ৮ মার্চ, ২০২৪

স্টাইলিশ ব্যাটিংয়ের জন্য স্কুল ক্রিকেটে থাকাকালীনই সবার নজরে চলে আসেন অরবিন্দ ডি সিলভা। উচ্চতায় মাত্র ৫ ফুট ৩ ইঞ্চি হলেও স্কয়ার অব দ্য উইকেটে বেশ ভালো খেলতেন ডি সিলভা। বিশেষ করে পুল আর হুক শটে তিনি তো সর্বকালেরই অন্যতম সেরা। তার এমন অমিয় প্রতিভা দেখে নির্বাচকরা ১৯৮৪ সালে মাত্র ১৯ বছর বয়সেই তাকে ওয়ানডে একাদশে সুযোগ দেন।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে নিজের অভিষেক ম্যাচে অবশ্য তেমন সুবিধা করতে পারেননি। রিচার্ড হ্যাডলির বলে বোল্ড হয়ে মাত্র ৮ রানেই প্যাভিলিয়নে ফিরে যান ডি সিলভা। একই বছরের আগস্টে ঐতিহাসিক লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট অভিষেক হয় তার। তবে ওয়ানডে অভিষেকের মতো টেস্ট অভিষেকেও সুবিধা করতে পারেননি। ক্যারিয়ারের প্রথম দিকে বেশ কিছুদিন অতি বেশি আক্রমণাত্মক হতে গিয়ে ক্রিজে থিতু হওয়ার আগেই উইকেট বিলিয়ে দিতেন ডি সিলভা। আর এ কারণেই সবাই তাকে ‘ম্যাড ম্যাক্স’ বলে ডাকা শুরু করে।

১৯৯৬ বিশ্বকাপ। লঙ্কানদের বিশ্বজয়ের একমাত্র কারিগর তিনি। সেবার সেমিফাইনাল এবং ফাইনাল দুই ম্যাচেই ম্যাচ সেরা হয়েছিলেন তিনি। সেমিফাইনালে ভারতের বিপক্ষে ৪৭ বলে করেন ৬৬ রান। শিকার করেন একটি উইকেটও। আর ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার ৩ উইকেট তুলে নেওয়ার পাশাপাশি হাঁকান দুর্দান্ত শতক। সে দিন একাই তিনি বিশ্বকাপ এনে দিয়েছিলেন লঙ্কানদের।

২০০৩ বিশ্বকাপের পরই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানান অরবিন্দ ডি সিলভা। প্রায় ২০ বছর শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দলে প্রাণভোমরা হয়ে ছিলেন তিনি। তবে ক্যারিয়ারের শেষ টেস্ট ম্যাচে ডবল সেঞ্চুরি করে দাঁড়ি টানেন তিনি।

শ্রীলঙ্কার হয়ে ৯৩টি টেস্ট ম্যাচে ৬ হাজার ৩৬১ রান করেন অরবিন্দ। এর মধ্যে ২০টি শতকের পাশাপাশি করেছেন ২২টি অর্ধশতক। সেই সঙ্গে ঝুলিতে ভরেছেন ২৯টি উইকেটও। এক দিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে শ্রীলঙ্কার জার্সি গায়ে জড়িয়েছেন ৩০৮টি ম্যাচে। এ সময় ব্যাট হাতে রান করেছেন ৯ হাজার ২৮৪। ১১টি সেঞ্চুরির পাশাপাশি আছে ৬৪টি হাফ সেঞ্চুরিও।

অবসরের পরে শ্রীলঙ্কা জাতীয় ক্রিকেট দলের নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যান হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ২০১১ সালের বিশ্বকাপে তার বিরুদ্ধে ম্যাচ গড়াপেটার অভিযোগ আনলে এই পদ থেকে ইস্তফা দেন তিনি।

পুরো নাম : পিন্নাদুয়াগে অরবিন্দ ডি সিলভা

জন্ম : ১৭ অক্টোবর, ১৯৬৫ সাল

জন্মস্থান- কলম্বো, শ্রীলঙ্কা

রাশি: সিংহ

প্রিয় খেলা: ক্রিকেট

প্রিয় খাবার: কেক

প্রিয় পানীয়: ফ্রুট জুস

প্রিয় রং: লাল

প্রিয় ক্রিকেটার: ভিভ রিচার্ডস

প্রিয় ক্রিকেট দল: শ্রীলঙ্কা

প্রিয় সতীর্থ: মাহেলা জয়াবর্ধনে

প্রিয় গাড়ি: অডি

প্রিয় শখ: ক্রিকেট ড্রাইভ করা

প্রিয় জুতার ব্র‌্যান্ড: অ্যাডিডাস


আরো সংবাদ পড়ুন...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর