বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
কমলগঞ্জে ব্র্যাক-ভিশনস্প্রিংয়ের উদ্যোগে দিনব্যাপী মেডিকেল ক্যাম্প কমলগঞ্জে থানা-পুলিশ ও স্থানীয় মুরব্বিদের উদ্যোগে দীর্ঘদিনের জমি বিরোধের মীমাংসা কমলগঞ্জ পৌর নির্বাচনে ৫ নম্বর ওয়ার্ডে আলোচনায় তরুণ প্রার্থী রাসেল আহমদ কমলগঞ্জে গভীর রাতে রাইস মিলসহ তিন দোকানে হামলা-ভাঙচুর, লুটপাটের অভিযোগ ভিডিপি সদস্য আশরাফুল আলমের উদ্যোগে কমলগঞ্জের মুন্সিবাজারে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ভিডিপি সদস্য আশরাফুল আলমের উদ্যোগে কমলগঞ্জের মুন্সিবাজারে পরিচ্ছন্নতা অভিযান কমলগঞ্জে মামলা প্রত্যাহারে হুমকির অভিযোগ প্রবাসীর স্ত্রীর সিলেট বৈদেশিক ডাকঘরের সুপার তন্ময় দে চৌধুরীর বিরুদ্ধে আবারও অফিস কামাইয়ের অভিযোগ শমশেরনগরে অটোরিক্সা থেকে চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে হামলা; আহত-১কমলগঞ্জ থানায় অভিযোগ ওমরাহ শেষে দেশে ফিরেই নির্বাচনী প্রস্তুতি বিএনপি নেতা আব্দুল আহাদের

জুড়িতে মৎস্য কর্মকর্তার অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন

ডেস্ক রিপোর্ট / ১১৪ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : রবিবার, ১০ মে, ২০২৬

মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামানের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১০ মে) দুপুরে উপজেলা চত্বরে জুড়ী উপজেলার সচেতন নাগরিকবৃন্দ ও স্থানীয় মৎস্যজীবীদের উদ্যোগে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।

মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন বেলাগাঁও গ্রামের সমাজ সেবক রেজান আলী। এতে বক্তব্য দেন মৎস্যজীবী আফতাব আলী, মোস্তাকিম হোসেন, হাবিবুর রহমান, সুমন আহমেদ, মো. হাবিব মিয়া, আবু নাঈম, জাবেদ আহমদ ও আজিজ মিয়াসহ স্থানীয় ব্যক্তিরা।

বক্তারা অভিযোগ করেন, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান দীর্ঘদিন ধরে জুড়ীতে কর্মরত থাকার সুযোগে হাকালুকি হাওরকেন্দ্রিক একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন। ওই সিন্ডিকেটের মাধ্যমে হাওরের মৎস্যসম্পদ লুটপাট ও বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তোলেন তারা।

তাদের দাবি, সরকারি জলমহাল নীতিমালা অমান্য করে বিভিন্ন বিলে সেচ মেশিন ব্যবহার করে পানি শুকিয়ে মাছ আহরণ করা হচ্ছে, যা মৎস্যসম্পদের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। হাকালুকি হাওরের চাতলা বিল, তুরল বিল ও নাগুয়াবিলসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রকাশ্যে ১০ থেকে ১৫টি মেশিন দিয়ে বিল শুকিয়ে মাছ ধরার অভিযোগ দীর্ঘদিনের হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করেন বক্তারা।

বক্তারা আরও বলেন, অবৈধ মৎস্য শিকার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের পরিবর্তে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ব্যক্তিগত সুবিধার বিনিময়ে এসব কর্মকাণ্ডে পরোক্ষভাবে প্রশ্রয় দিয়ে আসছেন। এ অবস্থায় অবিলম্বে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামানের অপসারণ এবং অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেন তারা।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমি দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সর্বদা সরকারি নীতিমালা অনুসরণ করে কাজ করছি। অবৈধ মৎস্য শিকার রোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। একটি স্বার্থান্বেষী মহল ব্যক্তিগত উদ্দেশ্যে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।’


আরো সংবাদ পড়ুন...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর