শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৪৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
কমলগঞ্জে শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক মো. ফরিদ মিয়া কমলগঞ্জে ব্র্যাক-ভিশনস্প্রিংয়ের উদ্যোগে দিনব্যাপী মেডিকেল ক্যাম্প কমলগঞ্জে থানা-পুলিশ ও স্থানীয় মুরব্বিদের উদ্যোগে দীর্ঘদিনের জমি বিরোধের মীমাংসা কমলগঞ্জ পৌর নির্বাচনে ৫ নম্বর ওয়ার্ডে আলোচনায় তরুণ প্রার্থী রাসেল আহমদ কমলগঞ্জে গভীর রাতে রাইস মিলসহ তিন দোকানে হামলা-ভাঙচুর, লুটপাটের অভিযোগ ভিডিপি সদস্য আশরাফুল আলমের উদ্যোগে কমলগঞ্জের মুন্সিবাজারে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ভিডিপি সদস্য আশরাফুল আলমের উদ্যোগে কমলগঞ্জের মুন্সিবাজারে পরিচ্ছন্নতা অভিযান কমলগঞ্জে মামলা প্রত্যাহারে হুমকির অভিযোগ প্রবাসীর স্ত্রীর সিলেট বৈদেশিক ডাকঘরের সুপার তন্ময় দে চৌধুরীর বিরুদ্ধে আবারও অফিস কামাইয়ের অভিযোগ শমশেরনগরে অটোরিক্সা থেকে চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে হামলা; আহত-১কমলগঞ্জ থানায় অভিযোগ

শ্রীমঙ্গলে শ্রমিক নির্যাতন: আহত ৩, থানায় অভিযোগ

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: / ১৩২ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : বুধবার, ৬ মে, ২০২৬

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে এক চা শ্রমিককে মারধর এবং পরদিন তার বাবা-মা ও জেঠার ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার রাজঘাট ইউনিয়নের মগলাম বস্তি এলাকার বাসিন্দা সুধীর ঘোষের ছেলে মিলন ঘোষ (৩৪) পেশায় একজন চা শ্রমিক। স্থানীয় মিঠুন সুদবংশী তাঁতীর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের বিরোধ চলছিল। এর জের ধরে অভিযুক্ত প্রায়ই মিলন ঘোষকে ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

ভুক্তভোগী সুধীর ঘোষ জানান, গত ১ মে বাগানের কাজে ট্রাক্টর নিয়ে শ্রমিকদের সঙ্গে ভাড়াউড়া চা বাগানে যান তিনি। কাজ শেষে ফেরার পথে রাজঘাট চা বাগানের ডিজিএম বাংলোর সামনে প্রবল বৃষ্টির কারণে ট্রাক্টরের একটি চাকা রাস্তার পাশে পড়ে যায়। এ সময় শব্দ শুনে মিঠুন সুদবংশী ঘটনাস্থলে এসে পূর্বের বিরোধের জেরে তাকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি ও লাথি মারেন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করেন।

পরদিন মিলন ঘোষের জেঠা অধীর ঘোষ অভিযুক্ত মিঠুন সুদবংশীকে বাড়ির পাশে পেয়ে তার ভাতিজাকে মারধরের কারণ জানতে চান। এ সময় অভিযুক্ত ক্ষিপ্ত হয়ে কাঠের টুকরো দিয়ে অধির ঘোষকে আঘাত করতে থাকেন। তার চিৎকার শুনে মিলন ঘোষের বাবা সুধীর ঘোষ ও মা জোৎসনা দেবী এগিয়ে এলে তাদেরকেও মারধর করা হয়।
পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা সুধীর ঘোষের মাথায় ৮টি এবং জোৎসনা দেবীর হাতে ৫টি সেলাই দেন।

এ ব্যাপারে মিঠুন তাঁতীর সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে মোবাইলফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ জহিরুল ইসলাম মুন্না বলেন, ‘ঘটনার বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। ইতোমধ্যে থানার একজন এসআই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্ত করেছেন। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরো সংবাদ পড়ুন...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর