মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৭:৫৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
কমলগঞ্জে নববিবাহিত স্ত্রীকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ, থানায় মামলা-অভিযোগ বন্যাকবলিত কমলগঞ্জে রুহি ফাউন্ডেশনের ত্রাণ বিতরণ, ১০৫ পরিবারের পাশে লন্ডনপ্রবাসী ড. হাজ্বী শাহ্ আলম মৌলভীবাজারে যুক্তরাজ্য প্রবাসী কাইয়ুম মিয়াকে ধরতে পুলিশের অভিযান কমলগঞ্জ ভূমি অফিসের সামনে বেহাল সড়ক,কাদা-পানিতে নষ্ট হচ্ছে পথচারীদের কাপড় দেশীয় ফলের প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বাড়াতে আম্বিয়া কেজি স্কুলের দিনব্যাপী আয়োজন প্রবীণ ব্যবসায়ী আলহাজ্ব এম আর খানের মৃত্যুতে শোক, ৭ জুলাই দোয়া ও মিলাদ মাহফিল নিখোঁজের ১৯ দিন পর স্বামীর বাড়ির উঠান থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার অক্টোবরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্ততি ইসির: প্রথম ধাপে ইউপি ও পৌরসভা মৌলভীবাজারে সীমান্ত দিয়ে ১০ জনকে বিএসএফের পুশইন, রাতে বিজিবির পুশব্যাক চায়ের জনপদে কনটেন্ট নির্মাতাদের প্রথম স্বীকৃতি

খেলোয়াড় থেকে কোচ সফলতার কমতি নেই জন রাইটের

অনলাইন ডেস্ক / ১৪০ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৪

১৯৭৭ সালে কাউন্টি ক্রিকেটে রানের ফুলঝুরি ফুটাচ্ছেন নিউজিল্যান্ডের এক তরুণ ওপেনার। নিউজিল্যান্ডও তখন খোঁজ করছে একজন নির্ভরশীল ওপেনারের। যিনি কিউইদের হয়ে ইনিংসের গোড়াপত্তন করে দিয়ে আসবেন। সেই তরুণের ওপর নজর পড়ে তৎকালীন নির্বাচক দলের। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। ক্যারিয়ারে গড়েছেন কত কত যে রেকর্ড। তিনি সাবেক কিউই ওপেনার জন রাইট।

কাউন্টির সেই পারফরম্যান্সের জন্য পরের বছরই কিউইদের হয়ে ডাক পড়ে টেস্ট দলে। ইংলিশদের বিপক্ষে ওপেন করতে নেমে ২৪৪ বলে খেলেন ৫৫ রানের এক দুর্দান্ত ইনিংস। সেই বোলিং উইকেটে প্রায় সাড়ে তিনশো মিনিট ক্রিজে ছিলেন তিনি। তার ইনিংসে ভর করেই ৪৮ বছরের ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথমবারের মত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট জয় পায় নিউজিল্যান্ড।

নিউজিল্যান্ডের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে টেস্ট ক্রিকেটে ৫০০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন জন রাইট। কিউইদের হয়ে ৮২ টি টেস্ট খেলে তিনি করেছিলেন ৫৩৩৪ রান। ভারতের বিপক্ষে সর্বোচ্চ ১৮৫ রানের একটি ইনিংসও খেলেছিলেন তিনি। তার নামের পাশে আছে ১২টি সেঞ্চুরির পাশাপাশি ২৩টি হাফ সেঞ্চুরি।

সাদা পোষাকের ক্রিকেটে উজ্জল জন রাইট অবশ্য অতটা উজ্জল ছিলেন না রঙিন পোষাকের ওয়ানডে ক্রিকেটে। এ ফরম্যাটে ১৪৯ ম্যাচে করেন ৩ হাজার ৮৯১ রান। এক সেঞ্চুরির পাশাপাশি করেছেন ২৪টি হাফসেঞ্চুরি।

১৯৯৩ সালে ক্রিকেটকে বিদায় জানান তিনি। তবে প্রিয় এ খেলাকে ছেড়ে দুরে থাকতে পারেননি তিনি। ১৯৯৭ সালে শুরু করেন কোচিং ক্যারিয়ার। খেলোয়ারি জীবনের মতো জন রাইটের কোচিং ক্যারিয়ারও ছিলো সাফল্যে মোড়ানো।

সে সময় ভারতের মতো দলকে কোচিং করিয়ে এনে দিয়েছেন সেরা সাফল্য। টানা পাঁচ মেয়াদে উপমহাদেশটির কোচ ছিলেন তিনি। এরপর নিউজিল্যান্ডকে তুলেন বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সকে জেতান প্রথম আইপিএল শিরোপা।

এসবের ভিড়ে চাপা পড়ে যায় ব্যাটসম্যান রাইটের কত মহাকাব্য। এই ব্যাটসম্যানের হাত ধরেই আশির দশকে টেস্ট ক্রিকেটে নিজেদের একটি জায়গা খুঁজে পেয়েছিল নিউজিল্যান্ড।

পুরো নাম- জন জিওফ্রে রাইট।

জন্ম- ৫ জুলাই ১৯৫৪ সাল।

জন্মস্থান- ডারফিল্ড, নিউজিল্যান্ড।

রাশি: কর্কটরাশি।

প্রিয় খেলা: ক্রিকেট।

প্রিয় খাবার: ফ্রাইড চিকেন, বিরিয়ানি।

প্রিয় পানীয়: চা।

প্রিয় রং: কালো, সাদা।

প্রিয় ক্রিকেটার: গ্রাহাম এডওয়ার্ডস ।

প্রিয় ক্রিকেট দল: নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দল।

প্রিয় সতীর্থ: ক্রিস হ্যারিস।

প্রিয় গাড়ি: অডি।প্রিয় স্টেডিয়াম: ম্যাকলিন পার্ক স্টেডিয়াম, নিউজিল্যান্ড।

প্রিয় শখ: গলফ খেলা।

প্রিয় জুতার ব্র‌্যান্ড: অ্যাডিডাস।


আরো সংবাদ পড়ুন...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর