সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ০৩:১৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
ভারতে গ্রেপ্তার হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সাল মৌলভীবাজারে আন্তর্জাতিক নারী দিবস ও গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন নারীর উন্নয়ন মানেই দেশের উন্নয়ন—আন্তর্জাতিক নারী দিবসে এমপি মৌলভীবাজার ছাত্রকল্যাণ সমিতির ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বাহুবল–নবীগঞ্জ সার্কেলের এএসপি জহিরুল ইসলামের বদলি কমলগঞ্জে মুঈদ আশিক চিশতীর আয়োজনে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত কুলাউড়ার হাওরাঞ্চলে সড়কের উদ্বোধন করলেন এমপি শওকতুল ইসলাম চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা পুরণ হয়নি শোষণমুক্ত অর্থনীতির লক্ষ্যে ড. অপু আবুল হাসানের নতুন ‘৫-এস মডেল’ কমলগঞ্জে জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে মাহে রমজানের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল

খেলোয়াড় থেকে কোচ সফলতার কমতি নেই জন রাইটের

অনলাইন ডেস্ক / ১১৫ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৪

১৯৭৭ সালে কাউন্টি ক্রিকেটে রানের ফুলঝুরি ফুটাচ্ছেন নিউজিল্যান্ডের এক তরুণ ওপেনার। নিউজিল্যান্ডও তখন খোঁজ করছে একজন নির্ভরশীল ওপেনারের। যিনি কিউইদের হয়ে ইনিংসের গোড়াপত্তন করে দিয়ে আসবেন। সেই তরুণের ওপর নজর পড়ে তৎকালীন নির্বাচক দলের। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। ক্যারিয়ারে গড়েছেন কত কত যে রেকর্ড। তিনি সাবেক কিউই ওপেনার জন রাইট।

কাউন্টির সেই পারফরম্যান্সের জন্য পরের বছরই কিউইদের হয়ে ডাক পড়ে টেস্ট দলে। ইংলিশদের বিপক্ষে ওপেন করতে নেমে ২৪৪ বলে খেলেন ৫৫ রানের এক দুর্দান্ত ইনিংস। সেই বোলিং উইকেটে প্রায় সাড়ে তিনশো মিনিট ক্রিজে ছিলেন তিনি। তার ইনিংসে ভর করেই ৪৮ বছরের ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথমবারের মত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট জয় পায় নিউজিল্যান্ড।

নিউজিল্যান্ডের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে টেস্ট ক্রিকেটে ৫০০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন জন রাইট। কিউইদের হয়ে ৮২ টি টেস্ট খেলে তিনি করেছিলেন ৫৩৩৪ রান। ভারতের বিপক্ষে সর্বোচ্চ ১৮৫ রানের একটি ইনিংসও খেলেছিলেন তিনি। তার নামের পাশে আছে ১২টি সেঞ্চুরির পাশাপাশি ২৩টি হাফ সেঞ্চুরি।

সাদা পোষাকের ক্রিকেটে উজ্জল জন রাইট অবশ্য অতটা উজ্জল ছিলেন না রঙিন পোষাকের ওয়ানডে ক্রিকেটে। এ ফরম্যাটে ১৪৯ ম্যাচে করেন ৩ হাজার ৮৯১ রান। এক সেঞ্চুরির পাশাপাশি করেছেন ২৪টি হাফসেঞ্চুরি।

১৯৯৩ সালে ক্রিকেটকে বিদায় জানান তিনি। তবে প্রিয় এ খেলাকে ছেড়ে দুরে থাকতে পারেননি তিনি। ১৯৯৭ সালে শুরু করেন কোচিং ক্যারিয়ার। খেলোয়ারি জীবনের মতো জন রাইটের কোচিং ক্যারিয়ারও ছিলো সাফল্যে মোড়ানো।

সে সময় ভারতের মতো দলকে কোচিং করিয়ে এনে দিয়েছেন সেরা সাফল্য। টানা পাঁচ মেয়াদে উপমহাদেশটির কোচ ছিলেন তিনি। এরপর নিউজিল্যান্ডকে তুলেন বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সকে জেতান প্রথম আইপিএল শিরোপা।

এসবের ভিড়ে চাপা পড়ে যায় ব্যাটসম্যান রাইটের কত মহাকাব্য। এই ব্যাটসম্যানের হাত ধরেই আশির দশকে টেস্ট ক্রিকেটে নিজেদের একটি জায়গা খুঁজে পেয়েছিল নিউজিল্যান্ড।

পুরো নাম- জন জিওফ্রে রাইট।

জন্ম- ৫ জুলাই ১৯৫৪ সাল।

জন্মস্থান- ডারফিল্ড, নিউজিল্যান্ড।

রাশি: কর্কটরাশি।

প্রিয় খেলা: ক্রিকেট।

প্রিয় খাবার: ফ্রাইড চিকেন, বিরিয়ানি।

প্রিয় পানীয়: চা।

প্রিয় রং: কালো, সাদা।

প্রিয় ক্রিকেটার: গ্রাহাম এডওয়ার্ডস ।

প্রিয় ক্রিকেট দল: নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দল।

প্রিয় সতীর্থ: ক্রিস হ্যারিস।

প্রিয় গাড়ি: অডি।প্রিয় স্টেডিয়াম: ম্যাকলিন পার্ক স্টেডিয়াম, নিউজিল্যান্ড।

প্রিয় শখ: গলফ খেলা।

প্রিয় জুতার ব্র‌্যান্ড: অ্যাডিডাস।


আরো সংবাদ পড়ুন...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর