মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:২৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
“আজকের বাংলা” ক্যা/ন্সার হাস/পাতালের উপ-পরিচালক আহমেদ হোসেনকে কু/পিয়ে জ/খম করেছে দু/র্বৃত্তরা মৌলভীবাজার-হবিগঞ্জ সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরী কমলগঞ্জে ‘ব্রীজ আছে, রাস্তা নেই’ এসএসসি পরীক্ষা শুরু মঙ্গলবার, পরীক্ষার্থীদের মানতে হবে যেসব নির্দেশনা সংসদে শমশেরনগর বিমানবন্দর নিয়ে জোরালো বক্তব্য: এম নাসির রহমান ও হাজী মুজিবকে কমলগঞ্জবাসীর অভিনন্দন “চু রি র অপবাদে বাঁ/ধা হাত-পায়ে নি/র্মম নি/র্যা/তন: কমলগঞ্জে ভাই/রাল ভিডিও ঘিরে ক্ষো/ভ” এসএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে জনসাধারণের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা কমলগঞ্জে প্রাথমিক শিক্ষার বেহাল দশা: নজরদারির ঘাটতি, সমন্বয়হীনতা ও অনিয়মে ক্ষুব্ধ শিক্ষকসমাজ মৌলভীবাজারে ডা/কাত সর্দার রুবেলসহ গ্রেফ/তার ৩, অ/স্ত্র উ/দ্ধার

চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা পুরণ হয়নি

ডেস্ক রিপোর্ট / ৩৩ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬

সদ্য সমাপ্ত ২০২৫ সালের চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা পুরণ হয়নি। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ৮০ লাখ কেজ্কিম উৎপাদন হয়েছে গত বছরে।

বাংলাদেশ চা বোর্ড প্রকাশিত মাসিক পরিসংখ্যান বুলেটিনে জানা যায়, ২০২৫ সালের জন্য দেশে মোট উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১০ কোটি ৩০ লাখ কেজি। বছর শেষে মোট চা উৎপাদন হয়েছে ৯ কোটি ৪৯ লাখ ১২ হাজার কেজি।

তবে লক্ষ্যমাত্রা পুরণ না হলেও গত বছরে চায়ের উৎপাদন বেড়েছে। ২০২৪ সালে উৎপাদন ছিল ৯ কোটি ৩০ লাখ ৪২ হাজার কেজি। সে হিসাবে গত বছরের তুলনায় উৎপাদন বেড়েছে ১৮ লাখ ৭০ হাজার কেজি। উৎপাদন বৃদ্ধির এ ধারাকে শিল্পের জন্য আশাব্যঞ্জক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিশ্লেষকদের মতে, বৈরী আবহাওয়া, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতার চাপ থাকা সত্ত্বেও উৎপাদন বৃদ্ধির এ প্রবণতা শিল্পের স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত দেয়। বিশেষ করে আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি, উন্নত ক্লোন জাতের চা গাছের ব্যবহার এবং ক্ষুদ্র চা চাষিদের সক্রিয় অংশগ্রহণ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

দেশের প্রায় ১৭০ বছরের চা শিল্পের ইতিহাসে সর্বোচ্চ উৎপাদনের রেকর্ড গড়ে ২০২৩ সালে। ওই বছর ১০ কোটি ২৯ লাখ ১৮ হাজার কেজি চা উৎপাদিত হয়, যা নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও ৯ লাখ ১৮ হাজার কেজি বেশি ছিল। সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, ধারাবাহিক পরিকল্পনা ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতেও নতুন রেকর্ড গড়া সম্ভব।

চা বোর্ডের শ্রীমঙ্গলের প্রকল্প উন্নয়ন ইউনিট সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে দেশে মোট ১৭১টি চা বাগান রয়েছে। এর মধ্যে মৌলভীবাজার জেলায় সর্বাধিক ৯০টি বাগান অবস্থিত। এ ছাড়া হবিগঞ্জে ২৫টি, চট্টগ্রামে ২২টি, সিলেটে ১৯টি, পঞ্চগড়ে ১০টি, রাঙামাটিতে দুটি এবং ঠাকুরগাঁওয়ে একটি চা বাগান রয়েছে।

দেশজুড়ে নার্সারিসহ মোট চা চাষাধীন জমির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৫৮ হাজার ৭৪১ একর। উত্তরাঞ্চলে ক্ষুদ্র চা চাষের সম্প্রসারণ দেশের মোট উৎপাদনে নতুন গতি যোগ করেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি, শ্রমিক কল্যাণ নিশ্চিতকরণ এবং রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা গেলে দেশের চা শিল্প আরও শক্ত অবস্থানে পৌঁছাতে পারে।


আরো সংবাদ পড়ুন...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর