শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৫০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
কমলগঞ্জে শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক মো. ফরিদ মিয়া কমলগঞ্জে ব্র্যাক-ভিশনস্প্রিংয়ের উদ্যোগে দিনব্যাপী মেডিকেল ক্যাম্প কমলগঞ্জে থানা-পুলিশ ও স্থানীয় মুরব্বিদের উদ্যোগে দীর্ঘদিনের জমি বিরোধের মীমাংসা কমলগঞ্জ পৌর নির্বাচনে ৫ নম্বর ওয়ার্ডে আলোচনায় তরুণ প্রার্থী রাসেল আহমদ কমলগঞ্জে গভীর রাতে রাইস মিলসহ তিন দোকানে হামলা-ভাঙচুর, লুটপাটের অভিযোগ ভিডিপি সদস্য আশরাফুল আলমের উদ্যোগে কমলগঞ্জের মুন্সিবাজারে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ভিডিপি সদস্য আশরাফুল আলমের উদ্যোগে কমলগঞ্জের মুন্সিবাজারে পরিচ্ছন্নতা অভিযান কমলগঞ্জে মামলা প্রত্যাহারে হুমকির অভিযোগ প্রবাসীর স্ত্রীর সিলেট বৈদেশিক ডাকঘরের সুপার তন্ময় দে চৌধুরীর বিরুদ্ধে আবারও অফিস কামাইয়ের অভিযোগ শমশেরনগরে অটোরিক্সা থেকে চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে হামলা; আহত-১কমলগঞ্জ থানায় অভিযোগ

চা-শ্রমিকদের প্রত্যাশা: মৌলভীবাজার-৪ আসনের এমপিকে শ্রম মন্ত্রণালয়ে দেখতে চান

ডেস্ক রিপোর্ট / ৯০ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল–কমলগঞ্জ) আসন থেকে নির্বাচিত বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্যকে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অথবা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান দেশের বৃহত্তর চা-শ্রমিক জনগোষ্ঠী। বিভিন্ন চা-বাগানের শ্রমিক প্রতিনিধি, সংগঠক ও সাধারণ শ্রমিকরা এমন প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন।

বাংলাদেশে বর্তমানে বড় ও ফাঁড়ি মিলিয়ে প্রায় ২৪১টি চা-বাগান রয়েছে। এসব বাগানে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কর্মরত শ্রমিক ও তাঁদের পরিবারসহ প্রায় ১০ লাখ মানুষের বসবাস। দেশের চা-শিল্পে তাঁদের দীর্ঘদিনের অবদান থাকলেও মজুরি, আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও সামাজিক নিরাপত্তার মতো মৌলিক দাবিগুলো এখনও পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি বলে অভিযোগ শ্রমিকদের।

শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ দেশের অন্যতম বৃহৎ চা উৎপাদন এলাকা। এ অঞ্চলের অর্থনীতি, সংস্কৃতি ও জনজীবনের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে আছে চা-শ্রমিকদের জীবনসংগ্রাম। দীর্ঘদিন ধরেই ন্যায্য মজুরি, বাসস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও সামাজিক নিরাপত্তার দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন তাঁরা।

শ্রমিক নেতারা মনে করছেন, মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য যদি শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান, তবে চা-শ্রমিকদের দীর্ঘদিনের বঞ্চনা নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া সহজ হবে। মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা সম্পর্কে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা থাকায় নীতিনির্ধারণে শ্রমিকবান্ধব সিদ্ধান্ত গ্রহণের সম্ভাবনাও বাড়বে বলে তাঁদের বিশ্বাস।

এক শ্রমিক নেতা বলেন, “চা-বাগানের বাস্তব পরিস্থিতি বাইরে থেকে বোঝা যায় না। আমাদের এলাকার নির্বাচিত প্রতিনিধি সরাসরি এই বাস্তবতার সঙ্গে পরিচিত। তাই তাঁকে শ্রম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে দেখতে চাই।”

চা-শ্রমিকদের দাবি, ন্যূনতম মজুরি কাঠামোর পুনর্বিবেচনা, আবাসন সংকট সমাধান, স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন এবং শ্রম আইন বাস্তবায়নে দৃশ্যমান অগ্রগতি আনতে হলে শ্রমিক-অধ্যুষিত এলাকার একজন প্রতিনিধিকেই দায়িত্ব দেওয়া উচিত।

সাধারণ শ্রমিকদের ভাষ্য, “আমাদের কষ্ট-দুঃখ, অধিকার ও বঞ্চনার ইতিহাস সবচেয়ে ভালো জানেন আমাদের এলাকার জনপ্রতিনিধি। তাই তাঁকে শ্রম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে দেখতে চাই।”

এ বিষয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদেরও মত, চা-শ্রমিক অধ্যুষিত অঞ্চল থেকে নির্বাচিত কোনো সংসদ সদস্যকে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হলে তা হবে একটি তাৎপর্যপূর্ণ ও প্রতীকী সিদ্ধান্ত। এতে সারাদেশের শ্রমজীবী মানুষের মাঝে ইতিবাচক বার্তা পৌঁছাবে।

স্থানীয় বাস্তবতা সম্পর্কে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা থাকলে শ্রমসংক্রান্ত আইন, মজুরি কাঠামো ও কল্যাণমূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন আরও ফলপ্রসূ হতে পারে—এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের। দেশের বৃহত্তর চা-শ্রমিক জনগোষ্ঠীর এই প্রত্যাশা কতটা বাস্তবে রূপ নেয়, এখন সেটিই দেখার অপেক্ষা।


আরো সংবাদ পড়ুন...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর