বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ১২:১৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়য়নে চা শ্রমিক নারীদের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী জনগণ ঐক্যবদ্ধ থাকলে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন প্রবীন বিএনপি নেত্রী মৌলভীবাজারে বুধবার ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করবেন প্রধানমন্ত্রী মৌলভীবাজারে হাওর থেকে অজগর উদ্ধার, বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর তিন মাস পর পুনরায় চালু ক্যামেলিয়া ডানকান ফাউন্ডেশন হাসপাতাল স্মৃ‌তিচারণ: জিয়া প‌রিবার নিজ চোখে দেখাটুকু জীবনেরই সঞ্চয় সীমান্তে গু/লিতে নি/হত বাংলাদেশির লা/শ হস্তান্তর করল বিএসএফ সংখ্যালঘুদের নিরাপদ ও তথ্যভিত্তিক নির্বাচনী অংশগ্রহণ জোরদারের দাবি রূপসার ৬০ বছরের পুরোনো গ্রামীণ সড়ক কেটে প্রতিবন্ধকতা, কমলগঞ্জে গ্রামবাসীর প্রতিবাদ সভা

কমলগঞ্জে ৪৫ দিনের নবজাতকের ঘরে গিয়ে জন্ম সনদ ও শুভেচ্ছা বার্তা প্রদান”

রাজু দত্ত,কমলগঞ্জ / ১৭৯ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : শনিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৫

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে এক মানবিক ও উদ্ভাবনী উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। নবজাতক জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে ঘরে ঘরে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ, জন্ম নিবন্ধন, এবং শুভেচ্ছা বার্তা পৌঁছে দিচ্ছেন পরিষদের ৯টি ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ ও ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তারা ।

এই কার্যক্রমের আওতায় নবজাতকের পরিবারকে জন্ম নিবন্ধনের সনদপত্র বিনামূল্যে প্রদান করা হচ্ছে। একইসাথে জন্ম উপলক্ষে শুভেচ্ছা বার্তা, সচেতনতামূলক তথ্য, এবং কিছু প্রয়োজনীয় উপহার সামগ্রীও প্রদান করা হচ্ছে।

সরইবাড়ী গ্রামের ৪৫ দিনের শিশুর পিতা মো. আব্দুল ওয়াহিদ মনির বলেন, “আমরা ভাবতেও পারিনি ঘরে বসেই এত দ্রুত জন্ম সনদ পাবো। ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে যে আন্তরিকতা পেয়েছি, তাতে আমরা খুবই কৃতজ্ঞ। এটি আমাদের জন্য সত্যিকারের উপকার হয়েছে।”

গ্রাম পুলিশ আল আমিন বলেন, “নবজাতকের তথ্য সংগ্রহ এবং সনদ পৌঁছানোর দায়িত্ব আমরা ভালোভাবে পালন করছি। এটি করতে পেরে গর্বিত।”

বিকল্প উদ্যোক্তা পিংকি পাল জানান, “এই কার্যক্রমে অংশ নিতে পেরে আমি আনন্দিত। নারী উদ্যোক্তা হিসেবে গ্রামে ঘরে গিয়ে সেবা পৌঁছে দেওয়ার অভিজ্ঞতা আমাকে আরও মানবিক করে তুলেছে।”

ইউনিয়নের ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তা রাজু দত্ত বলেন, “আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে জন্ম নিবন্ধনের কাজ সম্পন্ন করে, পরিবারকে সনদ পৌঁছে দিচ্ছি। এটি ইউনিয়নবাসীর জন্য একটি সহজ, স্বচ্ছ ও মানবিক সেবা।”

ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোছা. আমিনা বেগম বলেন, “প্রতিটি শিশুর জন্মের পরপরই আমরা তার পরিচয় নিশ্চিত করতে চাই। এটি শুধু একটি নিবন্ধন নয়, শিশুর অধিকার প্রতিষ্ঠার অংশ। গ্রাম পুলিশ ও ডিজিটাল সেন্টার এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।”


আরো সংবাদ পড়ুন...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর