সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের তথ্যভিত্তিক, নিরাপদ ও সমঅধিকারভিত্তিক নির্বাচনী অংশগ্রহণ আরও শক্তিশালী করতে বিভিন্ন সুপারিশ বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা রূপসা।
শনিবার (১৩ জুন) সকালে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল শহরের একটি রেস্টুরেন্টের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ দাবি জানানো হয়। এতে রূপসার নির্বাহী পরিচালক হিরন্ময় মন্ডল নির্বাচন পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

তিনি জানান, ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে এবং ইউরোপীয় পার্টনারশিপ ফর ডেমোক্রেসি (ইপিডি)-এর সহযোগিতায় পরিচালিত নির্বাচন পর্যবেক্ষণ কার্যক্রমে ২৫টি সংসদীয় আসনের ৫০৯টি ভোটকেন্দ্রে ২০০ জন প্রশিক্ষিত নাগরিক পর্যবেক্ষক কাজ করেন। পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, ২০২৬ সালের সংসদীয় নির্বাচন ও গণভোটে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভোটাররা সাধারণভাবে শান্তিপূর্ণভাবে অংশগ্রহণ করতে পারলেও তথ্যপ্রাপ্তি, রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব ও নিরাপদ অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে নানা সীমাবদ্ধতা রয়ে গেছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, অনেক সংখ্যালঘু ভোটার ভোটকেন্দ্রে গিয়ে প্রথমবারের মতো গণভোট সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। এছাড়া ২৯৯টি আসনে মাত্র ৭৯ জন সংখ্যালঘু প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন, যার মধ্যে নির্বাচিত হয়েছেন মাত্র চারজন। নারী প্রার্থীর সংখ্যাও ছিল খুবই কম।
রূপসা ভোটার শিক্ষা কার্যক্রম জোরদার, সংখ্যালঘু ভাষায় নির্বাচনী উপকরণ প্রণয়ন, মোবাইল ভোটার নিবন্ধন সম্প্রসারণ, রাজনৈতিক দলগুলোর মনোনয়নে সংখ্যালঘু ও নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং সহজপ্রাপ্য অভিযোগ ও প্রতিকার ব্যবস্থা নিশ্চিতসহ ছয় দফা সুপারিশ তুলে ধরে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।