শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
কমলগঞ্জে শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক মো. ফরিদ মিয়া কমলগঞ্জে ব্র্যাক-ভিশনস্প্রিংয়ের উদ্যোগে দিনব্যাপী মেডিকেল ক্যাম্প কমলগঞ্জে থানা-পুলিশ ও স্থানীয় মুরব্বিদের উদ্যোগে দীর্ঘদিনের জমি বিরোধের মীমাংসা কমলগঞ্জ পৌর নির্বাচনে ৫ নম্বর ওয়ার্ডে আলোচনায় তরুণ প্রার্থী রাসেল আহমদ কমলগঞ্জে গভীর রাতে রাইস মিলসহ তিন দোকানে হামলা-ভাঙচুর, লুটপাটের অভিযোগ ভিডিপি সদস্য আশরাফুল আলমের উদ্যোগে কমলগঞ্জের মুন্সিবাজারে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ভিডিপি সদস্য আশরাফুল আলমের উদ্যোগে কমলগঞ্জের মুন্সিবাজারে পরিচ্ছন্নতা অভিযান কমলগঞ্জে মামলা প্রত্যাহারে হুমকির অভিযোগ প্রবাসীর স্ত্রীর সিলেট বৈদেশিক ডাকঘরের সুপার তন্ময় দে চৌধুরীর বিরুদ্ধে আবারও অফিস কামাইয়ের অভিযোগ শমশেরনগরে অটোরিক্সা থেকে চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে হামলা; আহত-১কমলগঞ্জ থানায় অভিযোগ

ঈদের আগে মজুরি বন্ধ, কমলগঞ্জ-হবিগঞ্জের চার চা বাগানে শ্রমিকদের কর্মবিরতি

এম এ ওয়াহিদ রুলু / ৭৩ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক থেকে ঋণ না পাওয়ার কারণে অর্থ সংকটে পড়ে দেউন্দি টি কোম্পানির অধীন মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের মিরতিংগা এবং হবিগঞ্জের লালচাঁদ, নয়াপাড়া ও দেউন্দি—এই চারটি চা বাগানে শ্রমিকদের সাপ্তাহিক মজুরি পরিশোধ বন্ধ হয়ে গেছে। এর প্রতিবাদে সোমবার (২৫ মে) সকাল থেকে শ্রমিকরা একযোগে কর্মবিরতি শুরু করেছেন।

বাগান কর্তৃপক্ষের লিখিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ব্যাংক ঋণ না পাওয়ায় ২১ মে থেকে শ্রমিকদের সাপ্তাহিক তলব (মজুরি) প্রদান সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে জানানো হয়, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত শ্রমিকদের স্ববেতন ও অন্যান্য ব্যয়ভারও কর্তৃপক্ষ বহন করবে না। তবে ঋণ সংগ্রহের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

শ্রমিকদের অভিযোগ, গত বৃহস্পতিবার সাপ্তাহিক মজুরি দেওয়ার কথা থাকলেও তা পরিশোধ করা হয়নি। ঈদুল আজহার আগে মজুরি বন্ধ হওয়ায় শ্রমিক পরিবারগুলো চরম আর্থিক সংকটে পড়েছে। বিশেষ করে মিরতিংগা চা বাগানে বসবাসরত মুসলিম শ্রমিক পরিবারগুলোর মধ্যে হতাশা ও উদ্বেগ বেড়েছে।

বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের মনু-ধলই ভ্যালির সভাপতি ও ইউপি সদস্য ধনা বাউরি বলেন, পূর্ণ মজুরি না পাওয়ায় শ্রমিকরা কাজ বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছেন। শ্রমিকদের স্ববেতনে বকেয়া মজুরি দেওয়ার নিশ্চয়তাও নেই বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এদিকে চা-শ্রমিক সংঘের নেতারা বলেন, বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে দৈনিক ১৮৭ টাকা ৪৩ পয়সা মজুরিতে শ্রমিকদের জীবনযাপন কঠিন হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে সাপ্তাহিক মজুরি বন্ধ হওয়ায় শ্রমিক পরিবারগুলো মানবিক সংকটে পড়েছে। তারা দ্রুত বকেয়া মজুরি পরিশোধ করে বাগান চালুর দাবি জানান।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মিরতিংগা চা বাগানের ডেপুটি ব্যবস্থাপক রেজাউল হায়াত খান (ইমন) বলেন, শ্রমিকদের কোনো বকেয়া নেই। ব্যাংক থেকে অর্থ উত্তোলন করা না যাওয়ায় সময়মতো মজুরি দেওয়া সম্ভব হয়নি। অর্ধেক মজুরি দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হলেও শ্রমিকরা তা গ্রহণ করেননি।


আরো সংবাদ পড়ুন...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর