বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০৭:৪৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
মৌলভীবাজারে বুধবার ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করবেন প্রধানমন্ত্রী মৌলভীবাজারে হাওর থেকে অজগর উদ্ধার, বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর তিন মাস পর পুনরায় চালু ক্যামেলিয়া ডানকান ফাউন্ডেশন হাসপাতাল স্মৃ‌তিচারণ: জিয়া প‌রিবার নিজ চোখে দেখাটুকু জীবনেরই সঞ্চয় সীমান্তে গু/লিতে নি/হত বাংলাদেশির লা/শ হস্তান্তর করল বিএসএফ সংখ্যালঘুদের নিরাপদ ও তথ্যভিত্তিক নির্বাচনী অংশগ্রহণ জোরদারের দাবি রূপসার ৬০ বছরের পুরোনো গ্রামীণ সড়ক কেটে প্রতিবন্ধকতা, কমলগঞ্জে গ্রামবাসীর প্রতিবাদ সভা কমলগঞ্জে মবশ্বির আলী চৌধুরী বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে মতবিনিময় সভা, শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুলড্রেস ও গাছের চারা বিতরণ কমলগঞ্জে শিক্ষার্থীর মৃ/ত্যু; বিচার নিশ্চিত করতে মানববন্ধন কমলগঞ্জে সড়কের সংস্কার কাজে অনিয়মের অভিযোগ

কমলগঞ্জে বসতবাড়ি দখ/লের অভি/যোগ: হা/মলা-ভাঙ/চুরে প্রবা/সীর পরিবারে আ/তঙ্ক

ডেস্ত রিপোর্ট / ৫৭ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার আলীনগর বস্তি এলাকায় এক প্রবাসী নারীর বসতবাড়ি জবরদখলের চেষ্টা, হামলা, ভাঙচুর ও নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে কমলগঞ্জে বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন সৌদি ফেরত পলি বেগম।

লিখিত বক্তব্যে পলি বেগম জানান, তার স্বামী মছব্বির মিয়াসহ পরিবারের পাঁচ ভাই ও তাদের সদস্যরা মৌরসী সূত্রে প্রাপ্ত জমিতে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস ও চাষাবাদ করে আসছেন। পরিবারের আর্থিক স্বচ্ছলতার জন্য তিনি প্রবাসে গিয়ে উপার্জিত অর্থ দিয়ে বসতবাড়ি নির্মাণ করেন এবং শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করছিলেন।

তিনি অভিযোগ করেন, প্রতিবেশী বশির মিয়া, আমজাদ মিয়া, আহমদ মিয়া, আহাদ মিয়া, রাজু মিয়া, কাঞ্চন বিবি, পপি বেগমসহ একটি সংঘবদ্ধ চক্র তাদের সম্পত্তি দখলের উদ্দেশ্যে দীর্ঘদিন ধরে হামলা, ভাঙচুর ও নির্যাতন চালিয়ে আসছে। এতে পরিবারটি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।

পলি বেগম জানান, গত বছরের ১২ ডিসেম্বর বিকেলে অভিযুক্তরা বসতবাড়িতে প্রবেশ করে ভাঙচুর চালায় এবং তার ভাসুর মোস্তফা মিয়াকে আহত করে। দুই দিন পর ১৪ ডিসেম্বর আবারও হামলা চালিয়ে মোস্তফা মিয়ার স্ত্রী রায়না বেগমকে মারধর ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা করা হয়।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, পরবর্তীতে আহম্মদ হোসেনের নেতৃত্বে একই চক্র পুনরায় হামলা চালিয়ে তার দেবর জহির আলীর স্ত্রী সীমা বেগমকে মারধর করে, যার ফলে তার চার মাসের গর্ভের সন্তান নষ্ট হয়ে যায়।

এ ঘটনায় কমলগঞ্জ থানা, পুলিশ সুপার, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও এখনো কোনো কার্যকর প্রতিকার পাওয়া যায়নি বলে দাবি করেন তিনি।

সর্বশেষ গত ১৪ ফেব্রুয়ারি রাতে হামলাকারীরা বসতবাড়িতে ঢুকে পরিবারের সদস্যদের মারধর করে এবং পাকা দেয়াল ভেঙে ঘরের টিন খুলে নিয়ে যায়। এ সময় ঘরে থাকা নগদ ৮৫ হাজার টাকা ও প্রায় ২ লাখ টাকার স্বর্ণালঙ্কার লুট করা হয় বলেও অভিযোগ করেন পলি বেগম।

এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হলেও অভিযুক্তরা এলাকায় প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করছে এবং পরিবারটিকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে বলে তিনি জানান। এতে পরিবারটি চরম আতঙ্ক ও মানসিক বিপর্যয়ের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে পলি বেগমের স্বামী মছব্বির মিয়া, ভাসুর মোস্তফা মিয়া, সীমা বেগমসহ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে আহম্মদ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে কমলগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক আমির হোসেন বলেন, অভিযোগটি থানায় গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরো সংবাদ পড়ুন...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর