সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৫:০০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
মৌলভীবাজারে সীমান্ত দিয়ে ১০ জনকে বিএসএফের পুশইন, রাতে বিজিবির পুশব্যাক চায়ের জনপদে কনটেন্ট নির্মাতাদের প্রথম স্বীকৃতি কমলগঞ্জে হৃদয় হত্যার প্রতিবাদে এলাকাবাসীর মানববন্ধন কমলগঞ্জে প্রথম শ্রেণীর শি/শুকে জো/র/পূর্বক ধর্ষ/ণের চে/ষ্টা মৌলভীবাজারে আপন ভাইকে অপহরণের পর হত্যা, গ্রেপ্তার ৫ কমলগঞ্জে কীটনাশকের বিষে পুড়লো কৃষকের কপাল মৌলভীবাজারে সাংবাদিকদের সঙ্গে নবাগত এসপির মতবিনিময় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বিরোধপূর্ণ জমি দখলচেষ্টার অভিযোগ কম দামে দোকান ভিটা বিক্রি করতে রাজি না হওয়ায় হয়রানিমুলক মামলা ও হুমকির অভিযোগ মৌলভীবাজারে নিষিদ্ধ সন্ত্রাসী সংগঠন ছাত্রলীগ নেতা মৃদুল গ্রেফতার

মৌলভীবাজারে তিন দিনব্যাপী মণিপুরি ঐতিহ্যবাহী ‘লাই হরাওবা’ উৎসব

সালাহউদ্দিন শুভ / ১০৭ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬

মণিপুরি সম্প্রদায়ের প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী আচারিক উৎসব ‘লাই হরাওবা’ আগামী ৮ থেকে ১০ এপ্রিল মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার আদমপুর তেতইগাঁও গ্রামের মণিপুরি কালচারাল কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত হবে। তিন দিনব্যাপী এ উৎসবে দেশের খ্যাতিমান শিল্পী ও গবেষকদের পাশাপাশি ভারতের মণিপুর রাজ্য থেকে আগত শিল্পী, কলাকুশলী ও গবেষকেরা অংশ নেবেন।

উৎসবের আয়োজন ও বিভিন্ন দিক তুলে ধরতে সোমবার (৬ এপ্রিল) কমলগঞ্জ প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ‘লাই হরাওবা’ স্টিয়ারিং কমিটি, বাংলাদেশের সদস্য সচিব ওইমান লানথই। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কমিটির আহ্বায়ক ইবুংহাল সিনহা (শ্যামল) ও সদস্য রবি কিরণ সিনহা (রাজেশ)।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বাংলাদেশে বসবাসরত মণিপুরি সম্প্রদায়ের বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ‘লাই হরাওবা’ সংরক্ষণ ও বিকাশে ইউনেস্কো বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের অর্থায়নে এ উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। ‘লাই হরাওবা’ স্টিয়ারিং কমিটি, বাংলাদেশ এর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় উৎসবটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এতে সহযোগিতা করছে মণিপুরি কালচারাল কমপ্লেক্স, বাংলাদেশ পৌরৈঅপোকপা মরূপ ধর্মীয় সাংস্কৃতিক সংস্থা এবং সাধন বাংলাদেশ।

‘লাই হরাওবা’ মণিপুরি জনগোষ্ঠীর অন্যতম প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ উৎসব। এর আক্ষরিক অর্থ ‘দেবতাদের আনন্দ উৎসব’। এই উৎসব সৃষ্টি, দিব্য সত্তা, বিশ্বতত্ত্ব ও সম্প্রীতির গভীর প্রকাশ ঘটায়। জটিল আচার-অনুষ্ঠান, ঐতিহ্যবাহী সঙ্গীত, মন্ত্রপাঠ (লাইপৌ) এবং ‘মাইবী জাগোই’সহ স্বতন্ত্র নৃত্যশৈলীর মাধ্যমে উৎসবটি উদযাপিত হয়।

আয়োজকরা জানান, এ উৎসব বাংলাদেশের বহুত্ববাদী সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি মণিপুরি সম্প্রদায়ের সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক পরিচয়ের কেন্দ্রবিন্দু, যা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে সঞ্চারিত হয়ে আসছে। এবারের আয়োজনটি ‘বাংলাদেশের আটটি প্রশাসনিক বিভাগে সম্প্রদায়ভিত্তিক ঐতিহ্যবাহী উৎসব বাস্তবায়ন’ কর্মসূচির আওতায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

উৎসবকে প্রাণবন্ত ও সফল করতে সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন আয়োজকরা।


আরো সংবাদ পড়ুন...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর