বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ০৮:৪৪ অপরাহ্ন

কমলগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার নেতৃত্বে বিএনপি সমর্থনকারীর বাড়ীতে হামলা আহত – ৬

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি: / ৯৯ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামে পূর্ব বিরোধের জেরে এক বিএনপি সমর্থনকারীর বাড়ীতে সেচ্ছাসেবক লীগ নেতার নেতৃত্বে হামলায় নারী-পুরুষ সহ চার জনকে আহত করেছে। এসময় হামলাকারীদের ও দুই জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বর্তমানে তিন জন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও এক মহিলা মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা যায়। হামলার ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার (৪ আগষ্ট) রাত সাড়ে ১১টায়।

হামলায় আহত কনা মিয়া জানান, গত বৃহস্পতিবার রাতে আমরা বাজার শেষে বাড়ীতে যাই। গরম থাকায় আমি এবং আমার পরিবারের সদস্যরা বাড়ির উঠানে বসে গল্প করছিলাম। পূর্ব বিরোধের জেরে মাধবপুর ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবক লীগের সম্পাদক সায়েদ ও তার ভাই আওয়ামীলীগ কর্মী হারুনের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্র দা,লাটি ,কোড়াল নিয়ে বাড়িতে ঢুকে আমাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং আমরা নাকি তাদেরকে পুলিশ দিয়ে ধরিয়ে দিতে সহযোগিতা করছি বলেই আমাদের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। আমাদের বাড়ি-ঘর ভাংচুর সহ তাদের দা এর এলোপাতাড়ি কোপে আমার দুই ছেলে রাজু আহমেদ (২৭) তার স্ত্রী রুসনা বেগম (২২) ছোট ছেলে বদরুল মিয়া (২০) গুরুতর আহত হয়েছে। আমি বাঁধা দিতে গেলে আমাকে ও আহত করেছে সায়েদ বাহিনী। তাদেরকে কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্ের ভর্তি করা হলে অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে রেপার করা হয়েছে। তাদের এলোপাতাড়ি আঘাতে আমার পুত্র বধুর তিন মাসের গর্ভ নষ্ট হয়ে গেছে।

স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, গত বছরের আগষ্ট মাসের ৫ তারিখ শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর সন্ত্রাসী সায়েদ আহমেদ ও আতœীয় স্বজনরা আতœগোপনে চলে যায়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করলে বিএনপি কিছু নেতা-কর্মীদের ম্যানেজ করে স্থানীয় ও উপজেলার কিছু অসাধু ব্যক্তির সহযোগিতায় সেচ্ছাসেবকলীগের সম্পাদক সায়েদ বাহিনী আবারো সক্রিয় হয়ে ত্রাসের রাজত্ব শুরু করে।

জানা যায়, কিছুদিন পূর্বে এই সায়েদের ভাতিজা যুবলীগ নেতা মৃত আরিফ মিয়ার ছেলে মঈনুল মিয়া শ্রীমঙ্গলে এক অটোরিকশা চালককে হত্যা করে অটোরিকশা ছিনতাই করার ঘটনায় গত মাসে র‌্যাবের হাতে আটক হয়ে বর্তমানে কারাগারে রয়েছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত সাহেদ ও হারুন মিয়া জনান,আমাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে তা সম্পুর্ন মিথ্যা। বরং তারা আমাদের উপর হামলা চালিয়েছে। আমাদের ৩ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। আমরা থানায় অভিযোগ দিয়ে এসেছি।

কমলগঞ্জ থানার ওসি আবু জাফর মো. মাহফুজুল কবির জানান,এ বিষয়ে অভিযোগ আসলে আমরা আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করব।


আরো সংবাদ পড়ুন...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর