মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ০৮:০০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
পেশার মর্যাদা রক্ষা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশের দাবিতে কমলগঞ্জে ফারিয়ার মানববন্ধন শিক্ষার আলো ছড়ানো এক প্রজ্ঞাবান মানুষ: অধ্যক্ষ কোরেশ খানের জীবন ও কর্ম জুড়িতে মৎস্য কর্মকর্তার অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন আদিবাসীদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কাজ করবে সরকার: কুলাউড়ায় শওকতুল ইসলাম এমপি প্রবাসীর হাত ধরে শিক্ষার আলো: কমলগঞ্জে স্কুল ড্রেস ও মেধাবৃত্তি বিতরণ অনুষ্ঠানে এমপি মুজিব ৪০ কোটি টাকার পানি প্রকল্পে বাড়ছে ভোগান্তি; বিল বৃদ্ধি, সংযোগে অতিরিক্ত খরচ ও সেবার মান নিয়ে ক্ষোভ কমলগঞ্জে রয়েস্টন কাউন্সিলে বিপুল ভোটে কাউন্সিলর নির্বাচিত হলেন ‘বুলবুল আহমেদ’ কমলগঞ্জে পর্যটন শিল্পের মানোন্নয়নে রিসোর্ট মালিকদের সঙ্গে এমপির মতবিনিময় কমলগঞ্জে ডিবির অভিযানে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার শ্রীমঙ্গলে শ্রমিক নির্যাতন: আহত ৩, থানায় অভিযোগ

বড়লেখায় টানা বর্ষণে বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত; হাকালুকিতে বাড়ছে পানি

তাহমীদ ইশাদ রিপন, বড়লেখা প্রতিনিধিঃ / ৩০৬ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৪ জুন, ২০২৪

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় রবি ও সোমবারের রাতের ভারি বর্ষণে উপজেলার উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকার রাস্তাঘাট, ঘরবাড়ি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত হয়েছে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকে ব্যবসায়িদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। হাকালুকি হাওড়র ক্রমশ পানি বৃদ্ধিতে স্থায়ী বন্যার আশংকা করা হচ্ছে। ভারত থেকে নেমে আসা ঢলে সোনাই নদীর চান্দগ্রাম ও হলদিরপাড় এলাকার ডাইকে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে।

রিমেলের প্রভাব ও পরবর্তী ভারিবর্ষণে পানিবন্দী মানুষজন চরম দুর্ভোগ পোহালেও উপজেলা প্রশাসনের কোনো কর্মকর্তাকে দুর্গত এলাকা পরিদর্শন কিংবা আক্রান্ত মানুষের খোঁজখবর নিতে দেখা যায়নি। তবে পৌরমেয়র আবুল ইমাম মো. কামরান চৌধুরী ঘূর্নিঝড় রিমেলের প্রভাবকালিন ও পরবর্তী ভারিবৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শন করেছেন।

সরেজমিনে ভারিবর্ষণে বড়লেখা পৌরসভার কলেজ রোড, হাটবন্দ, আদিত্যের মহাল, আইলাপুর, পুরুষের চক এবং উপজেলার আদমপুর, বিছরাবাজার, অফিস বাজার এলাকার রা¯তাঘাট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, দোকানপাঠ, ঘরবাড়ি ও কলোনিতে হাটু পানি ও কোমর পানিতে তলিয়ে থাকতে দেখা গেছে। ষাটমাছড়ার বাধ ভেঙ্গে ঢলের পানি শহরে প্রবেশ করে এলাকাগুলো প্লাবিত করেছে।

এছাড়া বড়লেখা-শাহবাজপুর সড়কের বিভিন্ন স্থানে সোমবার বিকেল পর্যন্ত তলিয়ে থাকতে দেখা যায়। প্লাবিত হয়েছে অফিসবাজার, সুজাউল ফাযিল ডিগ্রি মাদ্রাসা, সুজাউল সরকারি প্রাইমারি স্কুলসহ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ভেঙ্গে গেছে বিভিন্ন গ্রামীণ রাস্তা।

পৌরমেয়র আবুল ইমাম মো. কামরান চৌধুরী জানান, রোববার রাতে পৌরসভা ও উপজেলার উত্তরাঞ্চলে ভারি বৃষ্টিপাত হয়েছে। এতে বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। তিনি আক্রান্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। রিমালের প্রভাবে ভারিবর্ষণ ও ঘুর্নিঝড়ে ক্ষতিস্থদের সহায়তার জন্য জেলা প্রশাসকের কাছ থেকে ৬ টন জিআর চাল বরাদ্দ পেয়ে তা দুর্গতদের মধ্যে বন্টন করেছেন।

মেয়র বলেন, ষাটমাছড়ার উজান এলাকা খনন না হওয়ায় উজানের বৃষ্টির পানি ও পাহাড়ি ঢলে ছড়ার বাধ ভেঙ্গে শহরে পানি প্রবেশ করে এলাকা প্লাবিত করে। ষাটমাছড়ার উজান অঞ্চল খনন করা গেলে দ্রুত পানি নিষ্কাশন হবে। এতে ভারিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের পানি শহরে প্রবেশ করতে পারবে না।


আরো সংবাদ পড়ুন...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর