মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ০২:২৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
হাম আতঙ্কে শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জে ঈদ পর্যটনে ধাক্কা; চিন্তায় ব্যবসায়ী ঈদের আগে মজুরি বন্ধ, কমলগঞ্জ-হবিগঞ্জের চার চা বাগানে শ্রমিকদের কর্মবিরতি বিএনপি নেতার লেবু বাগানে বন্যপ্রাণী মারার বৈদ্যুতিক ফাদে শ্রমিকের মৃত্যু মৌলভীবাজারে রেঞ্জ ডিআইজির কল্যাণ সভা ও অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত জননিরাপত্তা নিশ্চিতে মৌলভীবাজার জেলা পুলিশের বিশেষ ফোর্স মোবিলাইজেশন ড্রিল মৌলভীবাজারে ছিনতাইকারী চক্রের ২ সদস্য গ্রেপ্তার, লুণ্ঠিত স্বর্ণালংকার উদ্ধার শ্রীমঙ্গলে একদিনে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু কমলগঞ্জে চা পাতা তুলতে গিয়ে বজ্রপাতে আহত ৫ নারী শ্রমিক ঈদকে সামনে রেখে শ্রীমঙ্গলে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, যানজট নিরসনে স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ ও মশক নিধন কার্যক্রম উদ্বোধন শনিবার থেকেই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছুটি শুরু

মেঘনায় ভ্রমণতরী ডুবি: স্ত্রী ও সন্তানসহ নিখোঁজ পুলিশ কনস্টেবল

অনলাইন ডেস্ক / ১৪৬ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : শনিবার, ২৩ মার্চ, ২০২৪

ভৈরবের মেঘনা নদীতে ভ্রমণতরী ডুবে এক কনস্টেবল, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানসহ এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের বাড়ি কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ফতেহাবাদ গ্রামে।

গতকাল শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে ভৈরবের মেঘনা নদীর রেলওয়ের দুই সেতু-সংলগ্ন এলাকায় একটি বোল্ডার ট্রলারের সঙ্গে ধাক্কা লাগলে ভ্রমণতরীটি ডুবে যায়।

পুলিশ জানায়, একটি ভ্রমণতরী ১৫/২০ জনকে নিয়ে মেঘনা নদীতে ঘুরতে আসে। কিছুক্ষণ পর বিপরীত দিক থেকে আসা একটি পাথরবাহী বোল্ডার ট্রলারের সঙ্গে তরীটির ধাক্কা লাগলে সেটি উল্টে গিয়ে নদীতে ডুবে যায়।

ভৈরব নৌ-থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান জানান, নিখোঁজদের মধ্যে ভৈরব হাইওয়ে থানার পুলিশের কনস্টেবল সোহেল রানা (৩৫), তার স্ত্রী মৌসুমি (২৫), মেয়ে মাহমুদা (৭) ও ছেলে রাইসুল (৫) নিখোঁজ রয়েছেন। নৌ-পুলিশ তাদের উদ্ধারে কাজ করছে।

দেবিদ্বার উপজেলার ফতেহাবাদ ইউনিয়নের ১নং ইউপি সদস্য নুরুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনার খবর পেয়ে নিখোঁজ পুলিশ কনস্টেবলের বাবা-মা ও পরিবারের সদস্যরা ভৈরবে ছুটে যান। ছেলে ও তার পরিবারের সদস্যদের না পেয়ে তারা বার বার অজ্ঞান হয়ে পড়েন।’

তিনি আরও বলেন, ‘সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত সোহেল রানার পরিবারের কারও মরদেহ পাওয়া যায়নি বলে জানতে পেরেছি।’

শুক্রবার বিকেলে ভৈরব সেতু এলাকা মেঘনা নদীর পাড় থেকে একটি নৌকা নিয়ে ১৬ জন যাত্রী আশুগঞ্জ সোনারামপুর চরে ঘুরতে যায়। সেখান থেকে ভৈরবে ফেরার পথে মাঝ নদীতে বোল্ডার ট্রলারের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে তরীটি ডুবে যায়। এসময় স্থানীয় লোকজন ও নৌ পুলিশ ৯/১০ জনকে উদ্ধার করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় দুইজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে এক নারীকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন এবং তোফাজ্জল হক (২২) নামের এক যুবককে আহত অবস্থায় ঢাকায় রেফার্ড করেন। এসময় রুবা নামের এক ছাত্রী ও পুলিশ কনস্টেবলের ভাগিনাসহ কয়েকজন সাঁতরে পাড়ে উঠলেও বাকিরা পানিতে ডুবে নিখোঁজ হন।

ভৈরব হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজু মিয়া জানান, ঘটনার পর থেকে ফায়ার সার্ভিস ও নৌ পুলিশ নদীতে তরীটি উদ্ধারের চেষ্টা করছে।


আরো সংবাদ পড়ুন...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর