মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ০৩:০১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
পেশার মর্যাদা রক্ষা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশের দাবিতে কমলগঞ্জে ফারিয়ার মানববন্ধন শিক্ষার আলো ছড়ানো এক প্রজ্ঞাবান মানুষ: অধ্যক্ষ কোরেশ খানের জীবন ও কর্ম জুড়িতে মৎস্য কর্মকর্তার অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন আদিবাসীদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কাজ করবে সরকার: কুলাউড়ায় শওকতুল ইসলাম এমপি প্রবাসীর হাত ধরে শিক্ষার আলো: কমলগঞ্জে স্কুল ড্রেস ও মেধাবৃত্তি বিতরণ অনুষ্ঠানে এমপি মুজিব ৪০ কোটি টাকার পানি প্রকল্পে বাড়ছে ভোগান্তি; বিল বৃদ্ধি, সংযোগে অতিরিক্ত খরচ ও সেবার মান নিয়ে ক্ষোভ কমলগঞ্জে রয়েস্টন কাউন্সিলে বিপুল ভোটে কাউন্সিলর নির্বাচিত হলেন ‘বুলবুল আহমেদ’ কমলগঞ্জে পর্যটন শিল্পের মানোন্নয়নে রিসোর্ট মালিকদের সঙ্গে এমপির মতবিনিময় কমলগঞ্জে ডিবির অভিযানে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার শ্রীমঙ্গলে শ্রমিক নির্যাতন: আহত ৩, থানায় অভিযোগ

কমলগঞ্জে ইউপি সদস্য বন সংলগ্ন সরকরি জমি দখল করে ঘর নির্মাণ করলেন, দেখার কেউ নেই

প্রতিদিনের মৌলভীবাজার ডেস্ক / ১৪৪ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : সোমবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২৪

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের আলীনগর ইউনিয়নের কামারছড়া বনবিট সংলগ্ন সরকারি খাস ৬ শতক জমি দখল করে সেখানে টিন শেড ঘর নির্মাণ করলেন একজন ইউপি সদস্য। বনবিট কর্মকর্তা বিষয়টি ২ মাস আগে উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করলেও জরিপ করে জমি উদ্ধারের নামে প্রশাসন এখনও কোন ভূমিকা রাখেনি। এ বিষয়ে দেখার যেন কেউ নেই। কমলগঞ্জের রাজকান্দি বন রেঞ্জের কামারছড়া বনবিট সংলগ্ন ও আশ্রায়ণ প্রকল্পের সামনের টিলায় সরকারি জমি দখল করে ঘর নির্মাণের এ ঘটনাটি ঘটে।

সরেজমিন খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, কামারছড়ার কালিছালি আশ্রায়ন প্রকল্পের সামনের টিলা ও কামারছড়া বনবিটরের ১২ নং প্লাটের সরকারি জমির ৬ শতক দখল করে সেখানে টিন শেড ঘর নির্মাণ করা হয়েছে।

আলাপকালে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকাবাসী বলেন, ‘৬ নং আলীনগর ইউনিয়নের স্থানীয় ওয়ার্ড সদস্য আবুল হোসেন এ জমি দখল করে সেখানে টিন শেডের ঘর নির্মাণ করছেন। এই ইউপি সদস্য খুবই প্রভাবশালী, কেউ কথা বলার সাহস পায় না। এমনকি বনবিভাগও তার বিরুদ্ধে কথা বলে না। ইউপি সদস্যের উপর আরও অভিযোগ রয়েছে তার প্রভাবে কামারছড়া ও সুনছড়া থেকে অবৈধভাবে ও অপরিকিল্পতভাবে বালু উত্তোলন করা হয়।’

এ দিকে কামারছড়া বনবিট কর্মকর্তা আহমেদ আরী মুঠোফোনে এ প্রতিনিধিকে বলেন, ‘প্রায় ২ মাস আগে তিনি মৌখিক অভিযোগ পেলে কমলগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করেছেন। বন বিভাগের জমি না হলেও এটি সরকারি খাস জমি। উপজেলা প্রশাসন জরিপ করে বিহিতি ব্যবস্থা গ্রহন করবেন বলে তাকে জানিয়েছিলেন।

অভিযাগে সম্পর্কে সোমবার দুপুরে ইউপি সদস্য আবুল হোসেনের মুঠোফোনে (০১৭৫৯৮২৯১৩৬) কয়েক দফা ফোন করলেও তিনি ফোন ধরেননি।

কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জয়নাল আবেদীন এ অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘বিষয়টি খতিয়ে দেখে উপজেলা সহকারী ভূমি কর্মকর্তার মাধ্যমে বিহিত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।


আরো সংবাদ পড়ুন...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর