মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ১২:৪৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
পেশার মর্যাদা রক্ষা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশের দাবিতে কমলগঞ্জে ফারিয়ার মানববন্ধন শিক্ষার আলো ছড়ানো এক প্রজ্ঞাবান মানুষ: অধ্যক্ষ কোরেশ খানের জীবন ও কর্ম জুড়িতে মৎস্য কর্মকর্তার অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন আদিবাসীদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কাজ করবে সরকার: কুলাউড়ায় শওকতুল ইসলাম এমপি প্রবাসীর হাত ধরে শিক্ষার আলো: কমলগঞ্জে স্কুল ড্রেস ও মেধাবৃত্তি বিতরণ অনুষ্ঠানে এমপি মুজিব ৪০ কোটি টাকার পানি প্রকল্পে বাড়ছে ভোগান্তি; বিল বৃদ্ধি, সংযোগে অতিরিক্ত খরচ ও সেবার মান নিয়ে ক্ষোভ কমলগঞ্জে রয়েস্টন কাউন্সিলে বিপুল ভোটে কাউন্সিলর নির্বাচিত হলেন ‘বুলবুল আহমেদ’ কমলগঞ্জে পর্যটন শিল্পের মানোন্নয়নে রিসোর্ট মালিকদের সঙ্গে এমপির মতবিনিময় কমলগঞ্জে ডিবির অভিযানে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার শ্রীমঙ্গলে শ্রমিক নির্যাতন: আহত ৩, থানায় অভিযোগ

মৌলভীবাজারে ট্রেন আটকে আট দফা দাবিতে বিক্ষোভ

অনলাইন ডেস্ক / ১৬১ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

কুলাউড়ায় সিলেটের ট্রেন যাত্রীদের চলমান আট দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অবস্থান ধর্মঘট কর্মসূচি পালিত হয়েছে। শনিবার কুলাউড়ার জংশন স্টেশন প্ল্যাটফর্মে বেলা ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ধর্মঘট চলে। এতে উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ অংশ নেন।

কর্মসূচির এক পর্যায়ে সিলেট থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী আন্তঃনগর পাহাড়িকা এপ্রেস ট্রেন প্রায় আধা ঘণ্টার জন্য আটকে দেন বিক্ষুব্ধ আন্দোলনকারীরা। পরে খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, সেনাবাহিনী ও রেলওয়ে কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে এসে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি শান্ত করেন।

এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মহিউদ্দিনের মাধ্যমে রেলওয়ের বিভাগীয় ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) মোহাম্মদ মহিউদ্দিন আরিফ আন্দোলনকারীদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলেন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন কুলাউড়া থানার ওসি মো. ওমর ফারুক, রেলওয়ে থানার ওসি জাহাঙ্গীর হোসেন, স্টেশন মাস্টার রোমান আহমদসহ অন্যরা।

কথা বলার সময় আট দফা দাবির বিষয়টি রেল কর্মকর্তা মোহাম্মদ মহিউদ্দিন আরিফকে অবহিত করেন সাবেক এমপি নওয়াব আলী আব্বাছ খান ও আন্দোলনের সমন্বয়ক আতিকুর রহমান আখই। মোবাইল ফোনে আলোচনার এক পর্যায়ে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস দেন রেলের ওই কর্মকর্তা।

কর্মসূচিতে বক্তারা অবিলম্বে আট দফা দাবি বাস্তবায়নে কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপ নেওয়ার নিশ্চয়তা চান। দাবিগুলোর মধ্যে, সিলেট-ঢাকা ও সিলেট-কক্সবাজার রেলপথে দুটি নতুন ট্রেন চালু, সিলেট-আখাউড়া সেকশনের রেলপথ সংস্কার করে ডুয়েলগেজে উন্নীত করা, সিলেট-আখাউড়া লোকাল ট্রেন চালু, সিলেট অঞ্চলে বন্ধ হয়ে যাওয়া রেলস্টেশনগুলো চালু ও কুলাউড়া স্টেশনে টিকিট বরাদ্দ বাড়ানো অন্যতম।

আন্দোলনের সমন্বয়ক আজিজুল ইসলামের সভাপতিত্বে কর্মসূচিতে একাত্মতা পোষণ করে বক্তব্য দেন জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য নওয়াব আলী আব্বাছ খান, উপজেলা বিএনপির সভাপতি জয়নাল আবেদীন বাচ্চু ও সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সজল, জামায়াতের নায়েবে আমির মো. জাকির হোসেন প্রমুখ।

কর্মসূচিতে উপস্থিত বক্তারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, প্রায় তিন মাস ধরে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালনের মধ্য দিয়ে রেলসেবা প্রত্যাশীদের দাবি আদায়ে সরব তারা। কিন্তু রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ এই আন্দোলন আমলে নিয়ে কোনো ধরনের পদক্ষেপ নেননি। রেল যোগাযোগের ক্ষেত্রে সিলেট বিভাগ সবসময় বৈষম্যের শিকার। সিলেট বিভাগের রেললাইন সবচেয়ে বেশি অবহেলিত ও উন্নয়ন বঞ্চিত। এ অঞ্চলের ট্রেনগুলোর ইঞ্জিন ও বগির অবস্থা খুবই নাজুক। পথে পথে প্রায়ই ইঞ্জিন নষ্ট হয়। এতে যাত্রীরা প্রতিনিয়ত ভোগান্তি পোহান। সারা দেশের তুলনায় সিলেট বিভাগ উন্নয়নের ক্ষেত্রে পিছিয়ে রয়েছে। অথচ রেল বিভাগ আয়ের ক্ষেত্রে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। কর্তৃপক্ষ যদি আট দফা দাবি বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ পদক্ষেপ না নেন তাহলে শুধু অবস্থান ধর্মঘট নয়, আগামীতে গোটা সিলেট অচল করে দেওয়ার কথা বলেন তারা।


আরো সংবাদ পড়ুন...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর