সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
সংসদে শমশেরনগর বিমানবন্দর নিয়ে জোরালো বক্তব্য: এম নাসির রহমান ও হাজী মুজিবকে কমলগঞ্জবাসীর অভিনন্দন “চু রি র অপবাদে বাঁ/ধা হাত-পায়ে নি/র্মম নি/র্যা/তন: কমলগঞ্জে ভাই/রাল ভিডিও ঘিরে ক্ষো/ভ” এসএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে জনসাধারণের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা কমলগঞ্জে প্রাথমিক শিক্ষার বেহাল দশা: নজরদারির ঘাটতি, সমন্বয়হীনতা ও অনিয়মে ক্ষুব্ধ শিক্ষকসমাজ মৌলভীবাজারে ডা/কাত সর্দার রুবেলসহ গ্রেফ/তার ৩, অ/স্ত্র উ/দ্ধার কমলগঞ্জে অবৈধ বালুর গাড়ি আটকাতে গিয়ে শ্রমিক দল নেতাকে মারধরের অভিযোগ শেষ সুরে বিদায়: কমলগঞ্জের ‘মদিনা ভাই’ আর নেই দুই শত বছরের ঐতিহ্যে ছয়চিরি দিঘীর পাড়ে চড়ক পূজা: লোকজ আচার আর মেলায় উৎসবের ঢল কমলগঞ্জে দুই দিনব্যাপী মণিপুরি থিয়েটারের বিষু ও বর্ষবরণ উৎসব কমলগঞ্জে বাগজুর খাল খনন প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন এমপি, কৃষিতে আসবে নতুন সম্ভাবনা

রাজধানীতে এক ভিক্ষুকের হাতে খুন আরেক ভিক্ষুক!

অনলাইন ডেস্ক / ১৩২ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : শনিবার, ৩০ মার্চ, ২০২৪

দশ মার্চ। সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়লো এক দৃশ্য। মধ্যরাতে পাঞ্জাবি পরা এক বৃদ্ধ রাস্তা থেকে কিছু একটা তুলছেন। তুলে বস্তুটা নিজের ঝোলার মধ্য রাখতেই বোঝা গেল, সেটা ভারী কিছু। এরপর কুঁজো হয়ে হেঁটে সেই মানুষটি যান এলিফেন্ট রোডের বাটা সিগন্যাল থেকে গাউছিয়া মার্কেটের দিকের সড়কে। ফুটেজে দেখা যায়, ভোরের আলো ফোটার আগেই সেখানে কিছু একটা ঘটিয়ে পালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

রহস্যময় কী এমন কাজ করেছিলেন বৃদ্ধ? এর উত্তর পাওয়া যায় পরদিন। সকালে সেই সড়কের ফুটপাতে মুখমন্ডল থেতলানো একটি মরদেহ মেলে। শনাক্ত হয়, লাশটি মামুন নামের একজনের। হাতকাটা ভিক্ষুক মামুনকে ‘কাটা মামুন’ নামেই সবাই চেনে। মরদেহের পাশে পাওয়া যায়, রক্তমাখা একটা কংক্রিট স্ল্যাবের অংশ। এটা একটা খুন, নিশ্চিত হয়ে তদন্তে নামে নিউমার্কেট থানা পুলিশ।

ডিএমপি রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার আশরাফ হোসেন বলেন, মুখ থেতলে দিয়েছে একেবারে। চেনাও কঠিন। এটির পেছনে অন্য কোনো রহস্য আছে কিনা। আমাদের মধ্যে সন্দেহ জেগেছিল, সে বড় কোনো ক্রাইম দেখে ফেলেছিল। তাই ক্রিমিনালরা তার মৃত্যু নিশ্চিত করার জন্য এই কাজ করে থাকতে পারে। এই চিন্তা থেকে আমার অফিসারদের ‘অন বোর্ড’ করা হয়েছে। এটার রহস্য অনতিবিলম্বে বের করতে হবে বলে আমি নির্দেশ দেই।

তদন্তে নেমে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে সাদা পাঞ্জাবি পরা সেই বৃদ্ধকে সন্দেহ করে পুলিশ। এরপর ৫/৭টি স্পটের ভিক্ষুকদের মধ্যে সাঁড়াশি অভিযান চালায় পুলিশ। শনাক্ত হয় অভিযুক্তের নাম হোসেন। তিনিও এলিফ্যান্ট রোড এলাকায় ভিক্ষা করেন।

উপ-কমিশনার আশরাফ হোসেন বলেন, তাকে একজন একটা চায়না লাঠি (ক্রাচ) গিফট করেছিল। সেই লাঠিটি বিক্রি করে দেয় নিহত ‘কাটা মামুন’। এ থেকে দুজনের মধ্যে ঝগড়া ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরে একারণে মামুনকে হত্যা করে বৃদ্ধ হোসেন।

গ্রেফতারের পর অপরাধ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন অভিযুক্ত হোসেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ও অভিযুক্তের পরিবার বা আত্মীয়-স্বজনের কোনো খোজঁ পাওয়া যায়নি। তাই মরদেহ উদ্ধারের পর পুলিশ বাদি হয়ে মামলা করেছে।


আরো সংবাদ পড়ুন...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর