বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৩০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
কমলগঞ্জে তরুণীকে অ প হ র ণ করে সংঘ/বদ্ধ ধ র্ষ ণে র অভি/যোগ,গ্রে/প্তার ২ শ্রীমঙ্গলে এসএসসিতে জিপিএ-৫ এ শীর্ষে দি বাডস, পাসের হারে সেরা নটরডেম ভোলাগঞ্জে সাংবাদিকের ওপর হামলা: তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা কমলগঞ্জে স্বেচ্ছাশ্রমে ঝোপঝাড় পরিষ্কার, ভিডিপি সদস্যদের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে প্রশংসা স্থানীয়দের মৌলভীবাজারে পার্কে উটপাখি ও এমুর ডিম দেশের চা শিল্পে নতুন মাইলফলক ন্যাশনাল টি কোম্পানির নবারুণ সংঘের পক্ষ থেকে এমপি মুজিবুর রহমান চৌধুরীকে সম্মাননা স্মারক প্রদান মার্শাল আর্ট ক্লাব কাপে ‘জুসা মার্শাল আর্ট’ এর সাফল্য, শ্রীমঙ্গলের আয়াত ও আইরাহ ঝুলিতে ৪ পদক লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের সিএমসি হিসাবরক্ষক আবজালুল হকের মৃত্যুতে,এলাকায় শোকের ছায়া ভোলাগঞ্জ স্থলবন্দরে এলসি আটকে হয়রানির অভিযোগ, বিএনপির সাবেক সভাপতির

‘বাবা, আমাদের বাঁচাও বলে চিৎকার করছিল আমার দুই মেয়ে’

অনলাইন ডেস্ক / ১৪১ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : শুক্রবার, ১ মার্চ, ২০২৪

রাজধানী ঢাকার বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহতদের মধ্যে রয়েছেন কুমিল্লার লালমাই উপজেলার পেরুল দক্ষিণ ইউনিয়নের চরবাড়িয়া এলাকার হাজী কোরবান আলীর মেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ফৌজিয়া আফরিন রিয়া এবং ঢাকার ভিকারুননিসা স্কুলের ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাদিয়া আফরিন আলিশা।

এ সময় কোরবান আলীর ভায়রা ভাই কুমিল্লা সদর উপজেলার বাসিন্দা আবদুল কুদ্দুসের মেয়ে সিটি কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান নিমুও (১৮) মারা যায়।

শুক্রবার সকালে তিনজনের মরদেহ ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়ি কুমিল্লায় নিয়ে আসে স্বজনরা। এ সময় স্বজনদের কান্নায় ভারি হয়ে ওঠে বাড়ির পরিবেশ।

দুই মেয়ে হারিয়ে পাগল প্রায় গার্মেন্টস ব্যবসায়ী কোরবান আলী। শুক্রবার দুপুরে কোরবান আলীর বাড়ি কুমিল্লা লালমাই উপজেলার চরবাড়িয়া গিয়ে দেখা যায় আত্মীয় স্বজনরা বিলাপ করছেন।

কোরবান আলী জানান, তার বড় মেয়ে ফৌজিয়া আফরিন রিয়া (২৩) মালেয়শিয়া ইসলামি ইউনিভার্সিটিতে এমবিএ ফাইনাল পরীক্ষার্থী ছিল।

তিনি বলেন, ‘কয়েকদিন আগে সে আমার সাথেই বাংলাদেশে আসে। শনিবার তার মালেয়শিয়া ফিরে যাওয়ার কথা ছিল।’

ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে ডুকরে কেঁদে ওঠেন কোরবান আলী। তিনি জানান, ‘তার মেয়ে মালেয়শিয়া ফিরে যাবেন। তাই তারা দুবোন এবং আমার ভায়রা ভাইয়ের মেয়েসহ প্রথমে পিজা হাটে যায়। সেখানে কার্ড পাঞ্চ করে। আগুনের ঘটনা শুনে প্রথমে আমরা নিশ্চিত হই আমার মেয়েরা ভালো আছে। পরে হঠাৎ ফোন আসে। মেয়েরা চিৎকার করতে করতে বলে বাবা আমরা বেইলি রোডে কাচ্চি ভাইয়ে আছি। এখানে আগুন লাগছে। আমাদের বাঁচাও বাঁচাও বলে চিৎকার করছিল। দৌড়ে সেখানে গিয়ে দেখি আমার দুই মেয়েসহ আমার ভায়রা ভাইয়ের মেয়ের মরদেহ পড়ে আছে। আমি এ শোক কেমনে সইবো।’

চাচা লোকমান হোসেন বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি প্রথমে যারা বেঁচে ছিলেন তাদের বিল্ডিং থেকে নামানো হচ্ছে। যখন জীবিতদের নামানো শেষ হয়েছে, তখন কলিজা মোচড় দিয়ে উঠে। আমার ভাতিজিরা আর বেঁচে নেই।’


আরো সংবাদ পড়ুন...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর