মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:২৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
শ্রীমঙ্গলে এসএসসিতে জিপিএ-৫ এ শীর্ষে দি বাডস, পাসের হারে সেরা নটরডেম ভোলাগঞ্জে সাংবাদিকের ওপর হামলা: তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা কমলগঞ্জে স্বেচ্ছাশ্রমে ঝোপঝাড় পরিষ্কার, ভিডিপি সদস্যদের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে প্রশংসা স্থানীয়দের মৌলভীবাজারে পার্কে উটপাখি ও এমুর ডিম দেশের চা শিল্পে নতুন মাইলফলক ন্যাশনাল টি কোম্পানির নবারুণ সংঘের পক্ষ থেকে এমপি মুজিবুর রহমান চৌধুরীকে সম্মাননা স্মারক প্রদান মার্শাল আর্ট ক্লাব কাপে ‘জুসা মার্শাল আর্ট’ এর সাফল্য, শ্রীমঙ্গলের আয়াত ও আইরাহ ঝুলিতে ৪ পদক লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের সিএমসি হিসাবরক্ষক আবজালুল হকের মৃত্যুতে,এলাকায় শোকের ছায়া ভোলাগঞ্জ স্থলবন্দরে এলসি আটকে হয়রানির অভিযোগ, বিএনপির সাবেক সভাপতির কমলগঞ্জে ডোবা থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির গলিত মরদেহ উদ্ধার

চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা পুরণ হয়নি

ডেস্ক রিপোর্ট / ৫৮ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬

সদ্য সমাপ্ত ২০২৫ সালের চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা পুরণ হয়নি। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ৮০ লাখ কেজ্কিম উৎপাদন হয়েছে গত বছরে।

বাংলাদেশ চা বোর্ড প্রকাশিত মাসিক পরিসংখ্যান বুলেটিনে জানা যায়, ২০২৫ সালের জন্য দেশে মোট উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১০ কোটি ৩০ লাখ কেজি। বছর শেষে মোট চা উৎপাদন হয়েছে ৯ কোটি ৪৯ লাখ ১২ হাজার কেজি।

তবে লক্ষ্যমাত্রা পুরণ না হলেও গত বছরে চায়ের উৎপাদন বেড়েছে। ২০২৪ সালে উৎপাদন ছিল ৯ কোটি ৩০ লাখ ৪২ হাজার কেজি। সে হিসাবে গত বছরের তুলনায় উৎপাদন বেড়েছে ১৮ লাখ ৭০ হাজার কেজি। উৎপাদন বৃদ্ধির এ ধারাকে শিল্পের জন্য আশাব্যঞ্জক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিশ্লেষকদের মতে, বৈরী আবহাওয়া, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতার চাপ থাকা সত্ত্বেও উৎপাদন বৃদ্ধির এ প্রবণতা শিল্পের স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত দেয়। বিশেষ করে আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি, উন্নত ক্লোন জাতের চা গাছের ব্যবহার এবং ক্ষুদ্র চা চাষিদের সক্রিয় অংশগ্রহণ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

দেশের প্রায় ১৭০ বছরের চা শিল্পের ইতিহাসে সর্বোচ্চ উৎপাদনের রেকর্ড গড়ে ২০২৩ সালে। ওই বছর ১০ কোটি ২৯ লাখ ১৮ হাজার কেজি চা উৎপাদিত হয়, যা নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও ৯ লাখ ১৮ হাজার কেজি বেশি ছিল। সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, ধারাবাহিক পরিকল্পনা ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতেও নতুন রেকর্ড গড়া সম্ভব।

চা বোর্ডের শ্রীমঙ্গলের প্রকল্প উন্নয়ন ইউনিট সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে দেশে মোট ১৭১টি চা বাগান রয়েছে। এর মধ্যে মৌলভীবাজার জেলায় সর্বাধিক ৯০টি বাগান অবস্থিত। এ ছাড়া হবিগঞ্জে ২৫টি, চট্টগ্রামে ২২টি, সিলেটে ১৯টি, পঞ্চগড়ে ১০টি, রাঙামাটিতে দুটি এবং ঠাকুরগাঁওয়ে একটি চা বাগান রয়েছে।

দেশজুড়ে নার্সারিসহ মোট চা চাষাধীন জমির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৫৮ হাজার ৭৪১ একর। উত্তরাঞ্চলে ক্ষুদ্র চা চাষের সম্প্রসারণ দেশের মোট উৎপাদনে নতুন গতি যোগ করেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি, শ্রমিক কল্যাণ নিশ্চিতকরণ এবং রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা গেলে দেশের চা শিল্প আরও শক্ত অবস্থানে পৌঁছাতে পারে।


আরো সংবাদ পড়ুন...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর