সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:০৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
সংসদে শমশেরনগর বিমানবন্দর নিয়ে জোরালো বক্তব্য: এম নাসির রহমান ও হাজী মুজিবকে কমলগঞ্জবাসীর অভিনন্দন “চু রি র অপবাদে বাঁ/ধা হাত-পায়ে নি/র্মম নি/র্যা/তন: কমলগঞ্জে ভাই/রাল ভিডিও ঘিরে ক্ষো/ভ” এসএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে জনসাধারণের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা কমলগঞ্জে প্রাথমিক শিক্ষার বেহাল দশা: নজরদারির ঘাটতি, সমন্বয়হীনতা ও অনিয়মে ক্ষুব্ধ শিক্ষকসমাজ মৌলভীবাজারে ডা/কাত সর্দার রুবেলসহ গ্রেফ/তার ৩, অ/স্ত্র উ/দ্ধার কমলগঞ্জে অবৈধ বালুর গাড়ি আটকাতে গিয়ে শ্রমিক দল নেতাকে মারধরের অভিযোগ শেষ সুরে বিদায়: কমলগঞ্জের ‘মদিনা ভাই’ আর নেই দুই শত বছরের ঐতিহ্যে ছয়চিরি দিঘীর পাড়ে চড়ক পূজা: লোকজ আচার আর মেলায় উৎসবের ঢল কমলগঞ্জে দুই দিনব্যাপী মণিপুরি থিয়েটারের বিষু ও বর্ষবরণ উৎসব কমলগঞ্জে বাগজুর খাল খনন প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন এমপি, কৃষিতে আসবে নতুন সম্ভাবনা

কিভাবে খামেনিসহ ইরানের শীর্ষ সব নেতার অবস্থান খুঁজে পেল?

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট / ১১১ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬
ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির কার্যালয়। ছবি : রয়টার্স

কয়েক দিন ধরেই ইরানে হামলা চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এমন সময় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির অবস্থান সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য পায় মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি (সিআইএ)। কয়েক মাস ধরে খামেনির অবস্থান ও চলাফেরার ধরন নজরদারির পর সংস্থাটি জানতে পারে, শনিবার সকালে তেহরানের কেন্দ্রস্থ একটি কমপ্লেক্সে শীর্ষ কর্মকর্তাদের বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন খামেনি।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, বিষয়টি জানার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হামলার সময় পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয়।

আগে রাতের অন্ধকারে হামলার পরিকল্পনা থাকলেও নতুন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তা এগিয়ে এনে সকালেই অভিযান চালানো হয়। সংশ্লিষ্ট একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, লক্ষ্য ছিল ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বকে একযোগে আঘাত করে কৌশলগত সুবিধা অর্জন করা। ইসরায়েলের যুদ্ধবিমান স্থানীয় সময় ভোর ৬টার দিকে ঘাঁটি থেকে উড্ডয়ন করে। প্রায় দুই ঘণ্টা পাঁচ মিনিট পর, তেহরান সময় সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে দীর্ঘপাল্লার নির্ভুল ক্ষেপণাস্ত্র কমপ্লেক্সটিতে আঘাত হানে।

কমপ্লেক্সটিতে ইরানের প্রেসিডেন্সি, সর্বোচ্চ নেতার কার্যালয় ও জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের দপ্তর অবস্থিত।

হামলার সময় শীর্ষ জাতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তারা একটি ভবনে বৈঠকে ছিলেন। খামেনি কাছের আরেকটি ভবনে অবস্থান করছিলেন। অভিযানের পর ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা সূত্র জানায়, তেহরানের একাধিক স্থানে একযোগে হামলা চালানো হয়েছে, যার একটি স্থানে ইরানের রাজনৈতিক-নিরাপত্তা শীর্ষ নেতৃত্ব সমবেত হয়েছিল।

ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইসলামিক রিপাবলিক নিউজ এজেন্সি (ইরনা) রবিবার নিশ্চিত করেছে, হামলায় রিয়ার অ্যাডমিরাল আলী শামখানি ও মেজর জেনারেল মোহাম্মদ পাকপুর নিহত হয়েছেন। তারা দুজনই ইরানের সামরিক নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন।

ইসরায়েলের দাবি, হামলায় ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। পরবর্তী দফায় গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের অবস্থান লক্ষ্য করে আরো হামলা চালানো হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর ভাষ্য, ইরানের একজন শীর্ষ গোয়েন্দা কর্মকর্তা পালাতে সক্ষম হলেও গোয়েন্দা সংস্থার উচ্চ পর্যায়ের নেতৃত্বে বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউস ও সিআইএ এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, গত বছরের ১২ দিনের যুদ্ধের সময় ইরানের নেতৃত্ব কিভাবে যোগাযোগ ও চলাচল করে—সে বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই খামেনির অবস্থান শনাক্ত ও তার গতিবিধি পূর্বানুমান করার সক্ষমতা আরো বাড়ানো হয়।

পর্যবেক্ষকদের মতে, এই অভিযান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ঘনিষ্ঠ গোয়েন্দা সমন্বয়ের ইঙ্গিত দেয়। একই সঙ্গে এটি ইরানের নিরাপত্তাব্যবস্থার বড় ধরনের ব্যর্থতাও প্রকাশ করেছে, বিশেষ করে যখন যুদ্ধের প্রস্তুতির স্পষ্ট সংকেত ছিল।


আরো সংবাদ পড়ুন...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর