মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ০২:১১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
কম দামে দোকান ভিটা বিক্রি করতে রাজি না হওয়ায় হয়রানিমুলক মামলা ও হুমকির অভিযোগ মৌলভীবাজারে নিষিদ্ধ সন্ত্রাসী সংগঠন ছাত্রলীগ নেতা মৃদুল গ্রেফতার মৌলভীবাজার সরকারি কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে দুদকে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ সীমান্তে বিএসএফের হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে পৌঁছেছেন এনসিপির সমন্বয়ক সারজিস ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পর্যটন এলাকার সৌন্দর্য ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় কমলগঞ্জে ৪০টি পলাশের চারা রোপণ বড়লেখা সীমান্তে বিদেশি পিস্তল ও বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার দেবলছড়া সীমান্ত দিয়ে নারী ও শিশুসহ ৭ জনকে পুশইন দেড় মাস আগে বদলির আদেশ, এখনো মৌলভীবাজার প্রধান ডাকঘরেই তন্ময় দে চৌধুরী চেক ডিজঅনার মামলায় প্রধান শিক্ষক তদবির আলমের ৫ মাসের কারাদণ্ড  জমির অভাবে থমকে কোটি টাকার বর্জ্য শোধনাগার প্রকল্প

খেলোয়াড় থেকে কোচ সফলতার কমতি নেই জন রাইটের

অনলাইন ডেস্ক / ১৩৮ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৪

১৯৭৭ সালে কাউন্টি ক্রিকেটে রানের ফুলঝুরি ফুটাচ্ছেন নিউজিল্যান্ডের এক তরুণ ওপেনার। নিউজিল্যান্ডও তখন খোঁজ করছে একজন নির্ভরশীল ওপেনারের। যিনি কিউইদের হয়ে ইনিংসের গোড়াপত্তন করে দিয়ে আসবেন। সেই তরুণের ওপর নজর পড়ে তৎকালীন নির্বাচক দলের। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। ক্যারিয়ারে গড়েছেন কত কত যে রেকর্ড। তিনি সাবেক কিউই ওপেনার জন রাইট।

কাউন্টির সেই পারফরম্যান্সের জন্য পরের বছরই কিউইদের হয়ে ডাক পড়ে টেস্ট দলে। ইংলিশদের বিপক্ষে ওপেন করতে নেমে ২৪৪ বলে খেলেন ৫৫ রানের এক দুর্দান্ত ইনিংস। সেই বোলিং উইকেটে প্রায় সাড়ে তিনশো মিনিট ক্রিজে ছিলেন তিনি। তার ইনিংসে ভর করেই ৪৮ বছরের ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথমবারের মত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট জয় পায় নিউজিল্যান্ড।

নিউজিল্যান্ডের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে টেস্ট ক্রিকেটে ৫০০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন জন রাইট। কিউইদের হয়ে ৮২ টি টেস্ট খেলে তিনি করেছিলেন ৫৩৩৪ রান। ভারতের বিপক্ষে সর্বোচ্চ ১৮৫ রানের একটি ইনিংসও খেলেছিলেন তিনি। তার নামের পাশে আছে ১২টি সেঞ্চুরির পাশাপাশি ২৩টি হাফ সেঞ্চুরি।

সাদা পোষাকের ক্রিকেটে উজ্জল জন রাইট অবশ্য অতটা উজ্জল ছিলেন না রঙিন পোষাকের ওয়ানডে ক্রিকেটে। এ ফরম্যাটে ১৪৯ ম্যাচে করেন ৩ হাজার ৮৯১ রান। এক সেঞ্চুরির পাশাপাশি করেছেন ২৪টি হাফসেঞ্চুরি।

১৯৯৩ সালে ক্রিকেটকে বিদায় জানান তিনি। তবে প্রিয় এ খেলাকে ছেড়ে দুরে থাকতে পারেননি তিনি। ১৯৯৭ সালে শুরু করেন কোচিং ক্যারিয়ার। খেলোয়ারি জীবনের মতো জন রাইটের কোচিং ক্যারিয়ারও ছিলো সাফল্যে মোড়ানো।

সে সময় ভারতের মতো দলকে কোচিং করিয়ে এনে দিয়েছেন সেরা সাফল্য। টানা পাঁচ মেয়াদে উপমহাদেশটির কোচ ছিলেন তিনি। এরপর নিউজিল্যান্ডকে তুলেন বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সকে জেতান প্রথম আইপিএল শিরোপা।

এসবের ভিড়ে চাপা পড়ে যায় ব্যাটসম্যান রাইটের কত মহাকাব্য। এই ব্যাটসম্যানের হাত ধরেই আশির দশকে টেস্ট ক্রিকেটে নিজেদের একটি জায়গা খুঁজে পেয়েছিল নিউজিল্যান্ড।

পুরো নাম- জন জিওফ্রে রাইট।

জন্ম- ৫ জুলাই ১৯৫৪ সাল।

জন্মস্থান- ডারফিল্ড, নিউজিল্যান্ড।

রাশি: কর্কটরাশি।

প্রিয় খেলা: ক্রিকেট।

প্রিয় খাবার: ফ্রাইড চিকেন, বিরিয়ানি।

প্রিয় পানীয়: চা।

প্রিয় রং: কালো, সাদা।

প্রিয় ক্রিকেটার: গ্রাহাম এডওয়ার্ডস ।

প্রিয় ক্রিকেট দল: নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দল।

প্রিয় সতীর্থ: ক্রিস হ্যারিস।

প্রিয় গাড়ি: অডি।প্রিয় স্টেডিয়াম: ম্যাকলিন পার্ক স্টেডিয়াম, নিউজিল্যান্ড।

প্রিয় শখ: গলফ খেলা।

প্রিয় জুতার ব্র‌্যান্ড: অ্যাডিডাস।


আরো সংবাদ পড়ুন...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর