সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ০৮:৩৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
শিক্ষার আলো ছড়ানো এক প্রজ্ঞাবান মানুষ: অধ্যক্ষ কোরেশ খানের জীবন ও কর্ম জুড়িতে মৎস্য কর্মকর্তার অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন আদিবাসীদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কাজ করবে সরকার: কুলাউড়ায় শওকতুল ইসলাম এমপি প্রবাসীর হাত ধরে শিক্ষার আলো: কমলগঞ্জে স্কুল ড্রেস ও মেধাবৃত্তি বিতরণ অনুষ্ঠানে এমপি মুজিব ৪০ কোটি টাকার পানি প্রকল্পে বাড়ছে ভোগান্তি; বিল বৃদ্ধি, সংযোগে অতিরিক্ত খরচ ও সেবার মান নিয়ে ক্ষোভ কমলগঞ্জে রয়েস্টন কাউন্সিলে বিপুল ভোটে কাউন্সিলর নির্বাচিত হলেন ‘বুলবুল আহমেদ’ কমলগঞ্জে পর্যটন শিল্পের মানোন্নয়নে রিসোর্ট মালিকদের সঙ্গে এমপির মতবিনিময় কমলগঞ্জে ডিবির অভিযানে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার শ্রীমঙ্গলে শ্রমিক নির্যাতন: আহত ৩, থানায় অভিযোগ কমলগঞ্জে তরুণ উদ্যোক্তা ও কৃষিবিদ মুঈদ আশিক চিশতীর উদ্যোগ

জুড়ীতে ধর্ষণের অভিযোগে আওয়ামীলীগ নেতা গ্রেফতার

কুলাউড়া প্রতিনিধি / ১২১ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৫ মার্চ, ২০২৪
কাজের মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি সামছুজ্জামান রানু মহালদার

মৌলভীবাজারের জুড়ীতে কাজের মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি সামছুজ্জামান রানু মহালদারকে গ্রেফতার করেছে জুড়ী থানা পুলিশ। এছাড়া ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগে আরো দুই আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ মার্চ) সকালে আসামিদেরকে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

এর আগে সোমবার (৪ মার্চ) মামলা দায়েরের পর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে।

থানায় অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ধর্ষণের শিকার মেয়েটির বয়স ১৫ বছর। সে বিগত তিন মাস যাবৎ অভিযুক্তের বাসায় গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করত। কাজের ফাঁকে মেয়েটির উপর কুদৃষ্টি পড়ে সামছুজ্জামান রানুর। তার অসৎ উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার জন্য মেয়েটিকে ধর্ষণ করার সুযোগ খোঁজতে থাকে। একপর্যায়ে ধর্ষিতার মাকে ম্যানেজ করে গত তিনমাসে একাধিক বার ওই মেয়েটিকে ধর্ষণ করে। সর্বশেষ গত পহেলা মার্চ মেয়েটিকে আবারো ধর্ষণ করা হয়। এসময় নির্যাতন থেকে বাঁচতে ধর্ষণের শিকার মেয়েটি বাসা থেকে পালিয়ে যায়।

পরে মেয়েটি সোমবার (৪ মার্চ) থানায় হাজির হয়ে ধর্ষণের অভিযোগে সামছুজ্জামান রানুসহ ধর্ষণে সহায়তাকারী উপজেলার ফুলতলা ইউনিয়নের বিরইনতলা গ্রামের আতর আলীর ছেলে সফিকুল ইসলাম (৪০) ও মেয়ের মাকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন।

মামলা দায়েরের পর তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে আসামীদের গ্রেফতার করে।

ধর্ষণ মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম মাঈন উদ্দিন বলেন, মেয়েটির অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজুর পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামীসহ তিন জনকে গ্রেফতার করে। আসামীদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে এবং ধর্ষণের শিকার মেয়েটিকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।


আরো সংবাদ পড়ুন...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর