শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ০৫:৫২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
কোয়ার্টার থেকে কমলগঞ্জের চাকরিজীবী তরুণীর ঝু/লন্ত মর/দেহ উ/দ্ধার কোটি মানুষের ভালোবাসা নিয়েও বাঁচানো গেল না কনটেন্ট ক্রিয়েটর আবু সাঈদকে, অনুদানের টাকা নিয়ে উঠেছে নানা প্রশ্ন কমলগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৭ জন পলাতক আসামী মৌলভীবাজারে সরকারের ইশতেহার বাস্তবায়ন নিয়ে প্রেস ব্রিফিং চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত লক্ষাধিক চা শ্রমিক; বন্ধ ক্যামেলিয়া হাসপাতাল খুলে দেওয়ার দাবিতে কমলগঞ্জে মানববন্ধন ফেনীতে পোল্ট্রি ফার্মে কাজ করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কমলগঞ্জের যুবকের মৃত্যু ১ ঘণ্টা ৫০ মিনিটে পাকিস্তানের শেষ ৭ উইকেট নিয়ে ঐতিহাসিক জয় বাংলাদেশের বসতবাড়ি থেকে বিষধর গোখরা সাপ উদ্ধার হাকালুকি হাওরে অভিযান: নিষিদ্ধ চায়না জাল জব্দ ও ধ্বংস পেশার মর্যাদা রক্ষা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশের দাবিতে কমলগঞ্জে ফারিয়ার মানববন্ধন

কমলগঞ্জে গৃহবধুর লাশ উদ্ধার; হত্যা না আত্মহত্যা!

ডেস্ক রিপোর্ট / ২৬৫ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : শনিবার, ৯ নভেম্বর, ২০২৪

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে শাহিনা আক্তার (২২) নামের এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত গৃহবধূ শাহিনা উপজেলার মুন্সীবাজার ইউনিয়নের বিক্রমকলস গ্রামের সাজিম মিয়ার স্ত্রী। নিহতের পরিবারের দাবি গলায় ফাঁস লাগিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে তার স্বামী সাজিম মিয়া ও তার পরিবার।

নিহত শাহিনা কমলগঞ্জ সদর ইউনিয়নের চৈতন্যগঞ্জ গ্রামের ইব্রাহিম মিয়ার মেয়ে। শনিবার (৯ নভেম্বর) দুপুরে কমলগঞ্জ থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।

নিহত শাহিনার বাবা ইব্রাহিম মিয়া জানান, শনিবার সকালে আমার মেয়ের স্বামী (জামাতা) সাজিম মিয়া ফোনে জানায় শাহিনা নাকি হঠাৎ করে জ্ঞান হারিয়ে পরে গেছে, তাড়াতাড়ি আসতে। আমরা বাড়ি থেকে দ্রুত এসে দেখি আমার মেয়ে মারা গেছে, তার গলায় দাগ রয়েছে। তিনি বলেন, মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার পর থেকে ওর স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। অনেক সময় আমার বাড়িতে নিয়ে আটকিয়ে রাখি, স্বামীর ঘরে দিবোনা সিদ্ধান্ত নেই। এরপর ইউপি সদস্য সোহেল আহমদসহ গণ্যমান্য ব্যাক্তিদের শালিস বৈঠকের মাধ্যমে দেই। আজ আমার মেয়েটিকে তারা মেরে ফেললো। আমি আমার মেয়ের হত্যার বিচার চাই।

এদিকে নিহত শাহিনার স্বামী মো. সাজিম মিয়া জানান, ‘রাত আমাদের মধ্যে ঝগড়া হয়েছে। সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি সে ঘরে ফাঁস দিয়েছে। তারপর ফাসঁলাগা অবস্থায় আমি নামিয়ে ফেলি। তিনি বলেন, অনেকে বলছে আমি হত্যা করেছি, কিন্তু আমি আমার স্ত্রীকে মারিনি।’

কমলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ ইফতেখার হোসেন জানান, আমরা হত্যার ঘটনা শুনার পর ঘটনাস্থলে সাথে সাথে পুলিশ পাঠিয়েছি। এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা তা তদন্তে বেরিয়ে আসবে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে থানায় এখনো কোনো অভিযোগ হয়নি।


আরো সংবাদ পড়ুন...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর