মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:১৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
“আজকের বাংলা” ক্যা/ন্সার হাস/পাতালের উপ-পরিচালক আহমেদ হোসেনকে কু/পিয়ে জ/খম করেছে দু/র্বৃত্তরা মৌলভীবাজার-হবিগঞ্জ সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরী কমলগঞ্জে ‘ব্রীজ আছে, রাস্তা নেই’ এসএসসি পরীক্ষা শুরু মঙ্গলবার, পরীক্ষার্থীদের মানতে হবে যেসব নির্দেশনা সংসদে শমশেরনগর বিমানবন্দর নিয়ে জোরালো বক্তব্য: এম নাসির রহমান ও হাজী মুজিবকে কমলগঞ্জবাসীর অভিনন্দন “চু রি র অপবাদে বাঁ/ধা হাত-পায়ে নি/র্মম নি/র্যা/তন: কমলগঞ্জে ভাই/রাল ভিডিও ঘিরে ক্ষো/ভ” এসএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে জনসাধারণের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা কমলগঞ্জে প্রাথমিক শিক্ষার বেহাল দশা: নজরদারির ঘাটতি, সমন্বয়হীনতা ও অনিয়মে ক্ষুব্ধ শিক্ষকসমাজ মৌলভীবাজারে ডা/কাত সর্দার রুবেলসহ গ্রেফ/তার ৩, অ/স্ত্র উ/দ্ধার

শ্রীমঙ্গলে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন প্রেমিকার

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১৯৩ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৫

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান নিয়ে অনশন করছেন এক প্রেমিকা। মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) সকাল থেকে ওই তরুণী তার মাকে সঙ্গে নিয়ে প্রেমিকের বাড়ির সামনে অবস্থান করছেন।

অনশনরত তরুণীর নাম পান্না দাশ (২৫)। তিনি শ্রীমঙ্গল উপজেলার দক্ষিণ উত্তরসুর এলাকার সুকুমার সরকার ও আরতি সরকারের মেয়ে।

পান্না দাশ জানান, একই উপজেলার সবুজবাগ এলাকার জহর লাল দাশের ছেলে উজ্জ্বল দাশের সঙ্গে ২০১৬ সাল থেকে তার প্রেমের সম্পর্ক। ওই বছর মৌলভীবাজার জেলা জজ আদালতে তারা এফিডেভিটের মাধ্যমে বিবাহ করেন। এভিডেভিড করে উজ্জ্বল ওমান চলে যায়। পরবর্তীতে ২০২২ সালে ছুটিতে আসলে উভয় পরিবারের সম্মতিতে মৌলভীবাজার কালিবাড়ি মন্দিরে তাদের আনুষ্ঠানিক বিবাহ সম্পন্ন হয়। প্রায় দেড়মাস তার মাসির বাড়ি আমতলীতে আমাকে নিয়ে থাকে। ছুটি শেষ হলে সে আবার ওমান চলে যায়। এখনো সে ওমান অবস্থান করছে। আমার সাথে যোগাযোগ বলেন বিচ্ছিন্ন করে রেখেছে।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, “আমার স্বামী উজ্জ্বল দাশ এখন পরিবারের কথা বলে আমাকে ঘরে তুলছেন না। সকাল থেকে আমি তার বাড়ির গেইটে বসে আছি। শ্বশুর-শাশুড়ি গেইট খুলছেন না। স্বামীর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, পরিবার না মানলে কিছু করার নেই।”

আবেগাপ্লুত হয়ে পান্না দাশ বলেন, “আমাকে যদি ঘরে না তোলা হয়, আমি আত্মহত্যার পথ বেছে নেব।”এদিকে ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে ছেলের মা আরতি রাণী দাশ গেইটের ভিতর থেকে বলেন, এই বিষয়ে আমি কিছু জানিনা, আমার স্বামী বলতে পারবেন।

ইউপি সদস্য পিয়াস দাশ বলেন, আমি অতীতে চেষ্টা করেছি মেয়েটির অধিকার যেন ফিরে পায়, কিন্তু উজ্জ্বল দাশের বাবা বিষয়টি মানছেন না। যেহেতু তারা আমরা ওয়ার্ডের বাসিন্দা আমি দেখছি মেয়েটার অনশন ভাঙ্গিয়ে বিষয়টি মিমাংসা করা যায় কিনা।


আরো সংবাদ পড়ুন...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর