বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ০১:১৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
কমলগঞ্জে তরুণীকে অ প হ র ণ করে সংঘ/বদ্ধ ধ র্ষ ণে র অভি/যোগ,গ্রে/প্তার ২ শ্রীমঙ্গলে এসএসসিতে জিপিএ-৫ এ শীর্ষে দি বাডস, পাসের হারে সেরা নটরডেম ভোলাগঞ্জে সাংবাদিকের ওপর হামলা: তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা কমলগঞ্জে স্বেচ্ছাশ্রমে ঝোপঝাড় পরিষ্কার, ভিডিপি সদস্যদের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে প্রশংসা স্থানীয়দের মৌলভীবাজারে পার্কে উটপাখি ও এমুর ডিম দেশের চা শিল্পে নতুন মাইলফলক ন্যাশনাল টি কোম্পানির নবারুণ সংঘের পক্ষ থেকে এমপি মুজিবুর রহমান চৌধুরীকে সম্মাননা স্মারক প্রদান মার্শাল আর্ট ক্লাব কাপে ‘জুসা মার্শাল আর্ট’ এর সাফল্য, শ্রীমঙ্গলের আয়াত ও আইরাহ ঝুলিতে ৪ পদক লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের সিএমসি হিসাবরক্ষক আবজালুল হকের মৃত্যুতে,এলাকায় শোকের ছায়া ভোলাগঞ্জ স্থলবন্দরে এলসি আটকে হয়রানির অভিযোগ, বিএনপির সাবেক সভাপতির

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের ফটকে তালা, ফেল করা শিক্ষার্থীদের পাস করানোর দাবি

অনলাইন ডেস্ক / ১১১ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : সোমবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৪

উচ্চ মাধ্যমিকে ফেল করা শিক্ষার্থীদের পাস করাতে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়েছে একদল শিক্ষার্থী। অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে বোর্ড চেয়ারম্যান ড. নিজামুল করিমকে। গতকাল রোববার কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অন্তর্গত বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা সেখানে অবস্থান নেয়। এ সময় তারা শিক্ষা বোর্ডের প্রধান ফটক ও চেয়ারম্যানের কার্যালয়ের ভবনের ফটক আটকে দেয়।

জানা গেছে, সম্প্রতি প্রকাশিত উচ্চ মাধ্যমিকের ফলে অকৃতকার্যরা সকাল থেকে বোর্ডে ঢুকে পড়ে। বোর্ড চেয়ারম্যান ড. নিজামুল করিম শিক্ষার্থীদের দেওয়া লিখিত অভিযোগ মন্ত্রণালয়ে পাঠাবেন বলে জানিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিদের আশ্বাস দেন। তারা সেই আশ্বাস মেনে ফটকে এলে নিচে অবস্থানরত শিক্ষার্থীরা তা মেনে নেয়নি। তারা এখনই সবার পাসের ফল পেতে চান বলে জানিয়ে দেন। সন্ধ্যায় এই প্রতিবেদন লেখার সময় শিক্ষার্থীরা প্রধান ফটকে অবস্থান করছেন। এদিকে শিক্ষার্থীরা ফটক আটকে রাখায় বিপাকে পড়েন কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের সোনালী ব্যাংক শাখা ও বোর্ডের বিভিন্ন সেবা নিতে আসা গ্রহীতারা।

সেবা নিতে আসা এক শিক্ষক বলেন, দাবি জানালে নিয়মের মধ্যে জানাবে। বোর্ড তা দেখবে। কিন্তু এভাবে ফটক আটকে শিক্ষকদের সঙ্গে উগ্র আচরণ করে দাবি আদায় করা অযৌক্তিক।

শিক্ষার্থী আলামিন হোসেন বলেন, অনেকে ৭টা সৃজনশীল লিখে পাইছে ৩। আমি ফেল করার ছাত্র না। তাও ফেল দিয়েছে। এটা বৈষম্য। আমাদের বলা হচ্ছে আবার ফলের জন্য আবেদন করতে। আমরা কেন ১৫০ টাকা খরচ করব। আমরা আজই ফল চাই।’

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘আমরা তাদের বলেছি ফল পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আবেদন করতে। আমরা তাদের দাবির বিষয়টি মন্ত্রণালয়ে জানাব। কিন্তু তারা তা না শুনেই ফটকের সামনে বসে আছে। তারা আজই সবাই ফল চায়। সবাই পাস চায়।’

রোববার সন্ধ্যায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডে অবস্থান করছিল।


আরো সংবাদ পড়ুন...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর