বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
জেলা স্টেডিয়াম হবে পূর্ণাঙ্গ ক্রীড়া কমপ্লেক্স, ইউনিয়ন-ওয়ার্ডে নতুন মাঠ: আমিনুল হক কমলগঞ্জে পোশাক তৈরির প্রশিক্ষণ শুরু চোরাই গরু উদ্ধারের ঘটনায় অপপ্রচারের অভিযোগ ইউপি সদস্যের শ্রীমঙ্গল ইউএইচএফপিওর বিরুদ্ধে দাপ্তরিক অনিয়মের অভিযোগ কমলগঞ্জে জমি বিরোধে বিপাকে ৯ সদস্যের পরিবার কুলাউড়া কারিতাসের জরুরি সহায়তা প্রদান কমলগঞ্জে শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক মো. ফরিদ মিয়া কমলগঞ্জে ব্র্যাক-ভিশনস্প্রিংয়ের উদ্যোগে দিনব্যাপী মেডিকেল ক্যাম্প কমলগঞ্জে থানা-পুলিশ ও স্থানীয় মুরব্বিদের উদ্যোগে দীর্ঘদিনের জমি বিরোধের মীমাংসা কমলগঞ্জ পৌর নির্বাচনে ৫ নম্বর ওয়ার্ডে আলোচনায় তরুণ প্রার্থী রাসেল আহমদ

মেঘনায় ভ্রমণতরী ডুবি: স্ত্রী ও সন্তানসহ নিখোঁজ পুলিশ কনস্টেবল

অনলাইন ডেস্ক / ১৬৯ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : শনিবার, ২৩ মার্চ, ২০২৪

ভৈরবের মেঘনা নদীতে ভ্রমণতরী ডুবে এক কনস্টেবল, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানসহ এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের বাড়ি কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ফতেহাবাদ গ্রামে।

গতকাল শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে ভৈরবের মেঘনা নদীর রেলওয়ের দুই সেতু-সংলগ্ন এলাকায় একটি বোল্ডার ট্রলারের সঙ্গে ধাক্কা লাগলে ভ্রমণতরীটি ডুবে যায়।

পুলিশ জানায়, একটি ভ্রমণতরী ১৫/২০ জনকে নিয়ে মেঘনা নদীতে ঘুরতে আসে। কিছুক্ষণ পর বিপরীত দিক থেকে আসা একটি পাথরবাহী বোল্ডার ট্রলারের সঙ্গে তরীটির ধাক্কা লাগলে সেটি উল্টে গিয়ে নদীতে ডুবে যায়।

ভৈরব নৌ-থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান জানান, নিখোঁজদের মধ্যে ভৈরব হাইওয়ে থানার পুলিশের কনস্টেবল সোহেল রানা (৩৫), তার স্ত্রী মৌসুমি (২৫), মেয়ে মাহমুদা (৭) ও ছেলে রাইসুল (৫) নিখোঁজ রয়েছেন। নৌ-পুলিশ তাদের উদ্ধারে কাজ করছে।

দেবিদ্বার উপজেলার ফতেহাবাদ ইউনিয়নের ১নং ইউপি সদস্য নুরুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনার খবর পেয়ে নিখোঁজ পুলিশ কনস্টেবলের বাবা-মা ও পরিবারের সদস্যরা ভৈরবে ছুটে যান। ছেলে ও তার পরিবারের সদস্যদের না পেয়ে তারা বার বার অজ্ঞান হয়ে পড়েন।’

তিনি আরও বলেন, ‘সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত সোহেল রানার পরিবারের কারও মরদেহ পাওয়া যায়নি বলে জানতে পেরেছি।’

শুক্রবার বিকেলে ভৈরব সেতু এলাকা মেঘনা নদীর পাড় থেকে একটি নৌকা নিয়ে ১৬ জন যাত্রী আশুগঞ্জ সোনারামপুর চরে ঘুরতে যায়। সেখান থেকে ভৈরবে ফেরার পথে মাঝ নদীতে বোল্ডার ট্রলারের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে তরীটি ডুবে যায়। এসময় স্থানীয় লোকজন ও নৌ পুলিশ ৯/১০ জনকে উদ্ধার করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় দুইজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে এক নারীকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন এবং তোফাজ্জল হক (২২) নামের এক যুবককে আহত অবস্থায় ঢাকায় রেফার্ড করেন। এসময় রুবা নামের এক ছাত্রী ও পুলিশ কনস্টেবলের ভাগিনাসহ কয়েকজন সাঁতরে পাড়ে উঠলেও বাকিরা পানিতে ডুবে নিখোঁজ হন।

ভৈরব হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজু মিয়া জানান, ঘটনার পর থেকে ফায়ার সার্ভিস ও নৌ পুলিশ নদীতে তরীটি উদ্ধারের চেষ্টা করছে।


আরো সংবাদ পড়ুন...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর