রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ০৫:২৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত লক্ষাধিক চা শ্রমিক; হাসপাতাল খুলে দেওয়ার দাবিতে কমলগঞ্জে মানববন্ধন মৌলভীবাজারের এসপি রিয়াজুলকে প্রত্যাহার কমলগঞ্জে আলহাজ্ব মো. কোরেশ খানের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে আলোচনা সভা বড়লেখা থেকে জঙ্গি সম্পৃক্ততার অভিযোগে চাকরিচ্যুত সেনা সদস্য গ্রেপ্তার মনু নদী থেকে উদ্ধার ভারতীয় নাগরিকের মরদেহ ভারতের কাছে হস্তান্তর সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের দায়ে ভারতীয় দম্পতি আটক কমলগঞ্জে প্রবাসীদের উদ্যোগে অসহায় মহিলার বাড়ি সংস্কার কোয়ার্টার থেকে কমলগঞ্জের চাকরিজীবী তরুণীর ঝু/লন্ত মর/দেহ উ/দ্ধার কোটি মানুষের ভালোবাসা নিয়েও বাঁচানো গেল না কনটেন্ট ক্রিয়েটর আবু সাঈদকে, অনুদানের টাকা নিয়ে উঠেছে নানা প্রশ্ন কমলগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৭ জন পলাতক আসামী

শিক্ষার্থীদের অনুদানের টাকার ভাগ নিলেন প্রধান শিক্ষক

অনলাইন ডেস্ক / ১৪৯ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলার ১১টি স্কুলে পারফরমেন্স বেজড গ্র্যান্টস ফর সেকেন্ডারি ইন্সটিটিউশনস (পিবিজিএসআই) কর্তৃক ৫ হাজার টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে প্রতি স্কুলের ২০ জন শিক্ষার্থীকে। আমুয়া বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এই অনুদানের টাকায় ভাগ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আমুয়া বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১৮৫ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। এর মধ্যে পিবিজিএসআই এর বরাদ্দকৃত জনপ্রতি ৫ হাজার টাকা ওই বিদ্যালয়ের ২০ জন অসহায় মেধাবী শিক্ষার্থীর নামে আসে। তবে শিক্ষার্থীদের ৫ হাজার টাকা করে দেওয়ার কথা থাকলেও প্রধান শিক্ষক নিজে প্রতি শিক্ষার্থীর থেকে ৩ হাজার টাকা নিয়ে তাদের ২ হাজার বা এরও কম টাকা দিচ্ছেন।

আমুয়া বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী সাবিনার বাবা জাকির শিকদার বলেন, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি রোববার সকালে প্রধান শিক্ষক মনজুরুল হক আমাকে ফোন করে বলেন আপনার কিছু টাকা আছে। আপনি স্কুলে এসে নিয়ে যান। স্কুলে যাবার পরে আমার বিকাশ অ্যাকাউন্টে ৫ হাজার টাকা ট্রান্সফার করেন প্রধান শিক্ষক। এরপর আমার কাছ থেকে তাৎক্ষণিক মোবাইল নিয়ে ৩ হাজার ২০ টাকা ক্যাশআউট করে নেন তিনি। আমার মোবাইলে ১৯৮০ টাকা রেখে দেন। বাকি টাকা কোথায় গেল এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোনো উত্তর দেননি।

আমুয়া বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী তানজিলা আক্তারের বাবা মো. জলিল বলেন, আমাকে প্রধান শিক্ষক কলে দিয়ে স্কুলে যেতে বলে। স্কুলে যাওয়ার পরে প্রধান শিক্ষক মনজুরুল হক স্যার বলেন, আপনার মেয়ে ২ হাজার টাকা পেয়েছে। এর থেকে ২০০ টাকা স্কুলের কাজে লাগবে তাই রেখে ১৭শ টাকা আমার হাতে দেন। আরও ১০০ টাকা কোথায় জানতে চাইলে বলে, তা জানি না। আমি মূর্খ মানুষ এতো কিছু বুঝি না। তাই কিছু বলি নাই সবাইকে এরকম কম টাকা দিছে। কেউ কিছু বলে নায়।

একাধিক শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা জানান, স্কুলের প্রধান শিক্ষক কল দিয়ে স্কুলে যেতে বলে। স্কুলে যাওয়ার পরে যাকে যেরকম পারছে তাকে সেরকম ভাবে বুঝিয়ে শিক্ষার্থীদের টাকায় ভাগ নিচ্ছে। আর বলে স্কুলের কাজের জন্য কিছু টাকা রাখা হয়েছে। তবে অভিভাবকদের কাউকে জানায়নি যে শিক্ষার্থীরা ৫ হাজার টাকা পেয়েছে। পরে আমরা জানতে পারি স্কুলের ২০ জন শিক্ষার্থী ৫ হাজার টাকা করে পেয়েছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত আমুয়া বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনজুরুল হক বলেন, সরকারি বিধি মোতাবেক শিক্ষার্থীদের টাকা দেওয়া হয়েছে। কোনো অনিয়ম করা হয়নি। আমার রিরুদ্ধে দেওয়া সকল অভিযোগ মিথ্যা।

এ বিষয়ে কাঁঠালিয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মু. আনোয়ার আজীম বলেন, এ বছরে কাঁঠালিয়া উপজেলার ১১টি স্কুলে ২০ জন করে শিক্ষার্থীদের জন্য পিবিজিএসআই কর্তৃক ৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। টাকা কমবেশি করার কোনো সুযোগ নেই। কেউ অনিয়ম করলে অভিযোগ পেলে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরো সংবাদ পড়ুন...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর