সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ০৫:৫২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
শিক্ষার আলো ছড়ানো এক প্রজ্ঞাবান মানুষ: অধ্যক্ষ কোরেশ খানের জীবন ও কর্ম জুড়িতে মৎস্য কর্মকর্তার অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন আদিবাসীদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কাজ করবে সরকার: কুলাউড়ায় শওকতুল ইসলাম এমপি প্রবাসীর হাত ধরে শিক্ষার আলো: কমলগঞ্জে স্কুল ড্রেস ও মেধাবৃত্তি বিতরণ অনুষ্ঠানে এমপি মুজিব ৪০ কোটি টাকার পানি প্রকল্পে বাড়ছে ভোগান্তি; বিল বৃদ্ধি, সংযোগে অতিরিক্ত খরচ ও সেবার মান নিয়ে ক্ষোভ কমলগঞ্জে রয়েস্টন কাউন্সিলে বিপুল ভোটে কাউন্সিলর নির্বাচিত হলেন ‘বুলবুল আহমেদ’ কমলগঞ্জে পর্যটন শিল্পের মানোন্নয়নে রিসোর্ট মালিকদের সঙ্গে এমপির মতবিনিময় কমলগঞ্জে ডিবির অভিযানে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার শ্রীমঙ্গলে শ্রমিক নির্যাতন: আহত ৩, থানায় অভিযোগ কমলগঞ্জে তরুণ উদ্যোক্তা ও কৃষিবিদ মুঈদ আশিক চিশতীর উদ্যোগ

শিক্ষার্থীদের অনুদানের টাকার ভাগ নিলেন প্রধান শিক্ষক

অনলাইন ডেস্ক / ১৪৫ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলার ১১টি স্কুলে পারফরমেন্স বেজড গ্র্যান্টস ফর সেকেন্ডারি ইন্সটিটিউশনস (পিবিজিএসআই) কর্তৃক ৫ হাজার টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে প্রতি স্কুলের ২০ জন শিক্ষার্থীকে। আমুয়া বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এই অনুদানের টাকায় ভাগ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আমুয়া বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১৮৫ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। এর মধ্যে পিবিজিএসআই এর বরাদ্দকৃত জনপ্রতি ৫ হাজার টাকা ওই বিদ্যালয়ের ২০ জন অসহায় মেধাবী শিক্ষার্থীর নামে আসে। তবে শিক্ষার্থীদের ৫ হাজার টাকা করে দেওয়ার কথা থাকলেও প্রধান শিক্ষক নিজে প্রতি শিক্ষার্থীর থেকে ৩ হাজার টাকা নিয়ে তাদের ২ হাজার বা এরও কম টাকা দিচ্ছেন।

আমুয়া বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী সাবিনার বাবা জাকির শিকদার বলেন, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি রোববার সকালে প্রধান শিক্ষক মনজুরুল হক আমাকে ফোন করে বলেন আপনার কিছু টাকা আছে। আপনি স্কুলে এসে নিয়ে যান। স্কুলে যাবার পরে আমার বিকাশ অ্যাকাউন্টে ৫ হাজার টাকা ট্রান্সফার করেন প্রধান শিক্ষক। এরপর আমার কাছ থেকে তাৎক্ষণিক মোবাইল নিয়ে ৩ হাজার ২০ টাকা ক্যাশআউট করে নেন তিনি। আমার মোবাইলে ১৯৮০ টাকা রেখে দেন। বাকি টাকা কোথায় গেল এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোনো উত্তর দেননি।

আমুয়া বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী তানজিলা আক্তারের বাবা মো. জলিল বলেন, আমাকে প্রধান শিক্ষক কলে দিয়ে স্কুলে যেতে বলে। স্কুলে যাওয়ার পরে প্রধান শিক্ষক মনজুরুল হক স্যার বলেন, আপনার মেয়ে ২ হাজার টাকা পেয়েছে। এর থেকে ২০০ টাকা স্কুলের কাজে লাগবে তাই রেখে ১৭শ টাকা আমার হাতে দেন। আরও ১০০ টাকা কোথায় জানতে চাইলে বলে, তা জানি না। আমি মূর্খ মানুষ এতো কিছু বুঝি না। তাই কিছু বলি নাই সবাইকে এরকম কম টাকা দিছে। কেউ কিছু বলে নায়।

একাধিক শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা জানান, স্কুলের প্রধান শিক্ষক কল দিয়ে স্কুলে যেতে বলে। স্কুলে যাওয়ার পরে যাকে যেরকম পারছে তাকে সেরকম ভাবে বুঝিয়ে শিক্ষার্থীদের টাকায় ভাগ নিচ্ছে। আর বলে স্কুলের কাজের জন্য কিছু টাকা রাখা হয়েছে। তবে অভিভাবকদের কাউকে জানায়নি যে শিক্ষার্থীরা ৫ হাজার টাকা পেয়েছে। পরে আমরা জানতে পারি স্কুলের ২০ জন শিক্ষার্থী ৫ হাজার টাকা করে পেয়েছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত আমুয়া বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনজুরুল হক বলেন, সরকারি বিধি মোতাবেক শিক্ষার্থীদের টাকা দেওয়া হয়েছে। কোনো অনিয়ম করা হয়নি। আমার রিরুদ্ধে দেওয়া সকল অভিযোগ মিথ্যা।

এ বিষয়ে কাঁঠালিয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মু. আনোয়ার আজীম বলেন, এ বছরে কাঁঠালিয়া উপজেলার ১১টি স্কুলে ২০ জন করে শিক্ষার্থীদের জন্য পিবিজিএসআই কর্তৃক ৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। টাকা কমবেশি করার কোনো সুযোগ নেই। কেউ অনিয়ম করলে অভিযোগ পেলে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরো সংবাদ পড়ুন...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর