মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল—চায়ের রাজধানী হিসেবে পরিচিত এই অঞ্চলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সঙ্গে নতুন করে যুক্ত হয়েছে এক বিরল বিস্ময়—নাগলিঙ্গম বৃক্ষ। লম্বা গাছের কাণ্ডজুড়ে থোকায় থোকায় ফুটে থাকা নয়নাভিরাম ফুল, তার অপূর্ব গন্ধ আরো সংবাদ পড়ুন...
শরতের আগমন মানেই সাদা মেঘ, নীল আকাশ আর কাশফুলের সারি বাংলা প্রকৃতির এক অনুপম দৃশ্যপট। শরতের রঙে প্রকৃতি সেজেছে অপরূপ সাজে সজ্জিত হয়ে উঠেছে মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার পথের ধারে
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ‘বিশ্ব পর্যটন দিবস’ উদযাপিত হয়েছে। শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) উপজেলার রাধানগর এলাকায় পর্যটন কল্যাণ পরিষদ ও ট্যুরিস্ট পুলিশ শ্রীমঙ্গলের যৌথ উদ্যোগে দিবসটি উদযাপিত হয়। এদিন সকালে শ্রীমঙ্গলের গ্র্যান্ড সুলতান
আলোচনার কেন্দ্রে সিলেটের ভোলাগঞ্জের সাদা পাথর। যার ৭৫ শতাংশই গায়েব। আছে মাত্র ২৫ শতাংশ। একসময় প্রচুর পরিমাণে সাদা পাথর দেখা যেত বলে জায়গাটার নামই হয়ে যায় ‘সাদা পাথর’। কিন্তু বর্তমানে
প্রায় মৃত্যুর হাত থেকে প্রাণে বেঁচে গেছে একটি ‘দুধরাজ’ সাপ। পরে সেটিকে মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে অবমুক্ত করা হয়েছে। সোমবার (২৮ জুলাই) উপজেলার ফুলবাড়ি চা বাগান থেকে
“চাপাতার ভর্তা ও আটার রুটি খেয়ে চা শ্রমিকের দিন চলে” – এই কথাটি চা শ্রমিকদের জীবনযাত্রার একটি কঠিন বাস্তবতা তুলে ধরে। চা শ্রমিকদের জীবনযাত্রার মান সাধারণত খুবই নিম্ন হয়ে থাকে,
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, সিলেটের আর কোন পাথর কোয়ারি খুলে দিবে না সরকার। জাফলং পর্যটন কেন্দ্রকে ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এমনটি করা গেলে
কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলার “জুড়ী রেঞ্জ” এর লাঠিটিলা ও বড়লেখা রেঞ্জের মাধবকুন্ড ইকোপার্কে বিদ্যুৎপৃষ্ঠে গত ১বছরে ৭টি বিপন্ন প্রজাতির লজ্জাবতি বানর ও ৩টি চশমরাপরা হনুমানের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।