সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৫৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
কমলগঞ্জে স্বেচ্ছাশ্রমে ঝোপঝাড় পরিষ্কার, ভিডিপি সদস্যদের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে প্রশংসা স্থানীয়দের মৌলভীবাজারে পার্কে উটপাখি ও এমুর ডিম দেশের চা শিল্পে নতুন মাইলফলক ন্যাশনাল টি কোম্পানির নবারুণ সংঘের পক্ষ থেকে এমপি মুজিবুর রহমান চৌধুরীকে সম্মাননা স্মারক প্রদান মার্শাল আর্ট ক্লাব কাপে ‘জুসা মার্শাল আর্ট’ এর সাফল্য, শ্রীমঙ্গলের আয়াত ও আইরাহ ঝুলিতে ৪ পদক লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের সিএমসি হিসাবরক্ষক আবজালুল হকের মৃত্যুতে,এলাকায় শোকের ছায়া ভোলাগঞ্জ স্থলবন্দরে এলসি আটকে হয়রানির অভিযোগ, বিএনপির সাবেক সভাপতির কমলগঞ্জে ডোবা থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির গলিত মরদেহ উদ্ধার লন্ডনে আদমপুর ইউনাইটেড কলেজ বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা সভা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সম্মেলনে বিশেষ সম্মাননা পেলেন ফারুক খাঁন, শ্রীমঙ্গলে সংবর্ধনা

শ্রীমঙ্গলে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন প্রেমিকার

নিজস্ব প্রতিবেদক / ২২০ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৫

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান নিয়ে অনশন করছেন এক প্রেমিকা। মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) সকাল থেকে ওই তরুণী তার মাকে সঙ্গে নিয়ে প্রেমিকের বাড়ির সামনে অবস্থান করছেন।

অনশনরত তরুণীর নাম পান্না দাশ (২৫)। তিনি শ্রীমঙ্গল উপজেলার দক্ষিণ উত্তরসুর এলাকার সুকুমার সরকার ও আরতি সরকারের মেয়ে।

পান্না দাশ জানান, একই উপজেলার সবুজবাগ এলাকার জহর লাল দাশের ছেলে উজ্জ্বল দাশের সঙ্গে ২০১৬ সাল থেকে তার প্রেমের সম্পর্ক। ওই বছর মৌলভীবাজার জেলা জজ আদালতে তারা এফিডেভিটের মাধ্যমে বিবাহ করেন। এভিডেভিড করে উজ্জ্বল ওমান চলে যায়। পরবর্তীতে ২০২২ সালে ছুটিতে আসলে উভয় পরিবারের সম্মতিতে মৌলভীবাজার কালিবাড়ি মন্দিরে তাদের আনুষ্ঠানিক বিবাহ সম্পন্ন হয়। প্রায় দেড়মাস তার মাসির বাড়ি আমতলীতে আমাকে নিয়ে থাকে। ছুটি শেষ হলে সে আবার ওমান চলে যায়। এখনো সে ওমান অবস্থান করছে। আমার সাথে যোগাযোগ বলেন বিচ্ছিন্ন করে রেখেছে।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, “আমার স্বামী উজ্জ্বল দাশ এখন পরিবারের কথা বলে আমাকে ঘরে তুলছেন না। সকাল থেকে আমি তার বাড়ির গেইটে বসে আছি। শ্বশুর-শাশুড়ি গেইট খুলছেন না। স্বামীর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, পরিবার না মানলে কিছু করার নেই।”

আবেগাপ্লুত হয়ে পান্না দাশ বলেন, “আমাকে যদি ঘরে না তোলা হয়, আমি আত্মহত্যার পথ বেছে নেব।”এদিকে ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে ছেলের মা আরতি রাণী দাশ গেইটের ভিতর থেকে বলেন, এই বিষয়ে আমি কিছু জানিনা, আমার স্বামী বলতে পারবেন।

ইউপি সদস্য পিয়াস দাশ বলেন, আমি অতীতে চেষ্টা করেছি মেয়েটির অধিকার যেন ফিরে পায়, কিন্তু উজ্জ্বল দাশের বাবা বিষয়টি মানছেন না। যেহেতু তারা আমরা ওয়ার্ডের বাসিন্দা আমি দেখছি মেয়েটার অনশন ভাঙ্গিয়ে বিষয়টি মিমাংসা করা যায় কিনা।


আরো সংবাদ পড়ুন...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর