শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
কমলগঞ্জে শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক মো. ফরিদ মিয়া কমলগঞ্জে ব্র্যাক-ভিশনস্প্রিংয়ের উদ্যোগে দিনব্যাপী মেডিকেল ক্যাম্প কমলগঞ্জে থানা-পুলিশ ও স্থানীয় মুরব্বিদের উদ্যোগে দীর্ঘদিনের জমি বিরোধের মীমাংসা কমলগঞ্জ পৌর নির্বাচনে ৫ নম্বর ওয়ার্ডে আলোচনায় তরুণ প্রার্থী রাসেল আহমদ কমলগঞ্জে গভীর রাতে রাইস মিলসহ তিন দোকানে হামলা-ভাঙচুর, লুটপাটের অভিযোগ ভিডিপি সদস্য আশরাফুল আলমের উদ্যোগে কমলগঞ্জের মুন্সিবাজারে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ভিডিপি সদস্য আশরাফুল আলমের উদ্যোগে কমলগঞ্জের মুন্সিবাজারে পরিচ্ছন্নতা অভিযান কমলগঞ্জে মামলা প্রত্যাহারে হুমকির অভিযোগ প্রবাসীর স্ত্রীর সিলেট বৈদেশিক ডাকঘরের সুপার তন্ময় দে চৌধুরীর বিরুদ্ধে আবারও অফিস কামাইয়ের অভিযোগ শমশেরনগরে অটোরিক্সা থেকে চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে হামলা; আহত-১কমলগঞ্জ থানায় অভিযোগ

শান্তিগঞ্জে ভয়াবহ অ গ্নি কা ণ্ডে ১০ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি

অনলাইন ডেস্ক / ১৩৩ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : সোমবার, ৫ মে, ২০২৫

সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার দরগাপাশা ইউনিয়নের পাইকাপন গ্রামের ফুলবাড়িতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে ৪ পরিবার পুরোপুরি ভস্মীভূত এবং একটি পরিবার আংশিক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন। মাথা গোঁজার ঠাঁইসহ সব হারিয়ে মানবেতর দিন পাড় করছে ক্ষতিগ্রস্ত এসব পরিবার।

সোমবার (৫ মে) রাত আড়াইটায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। বৈদ্যুতিক বাল্ব বিষ্ফোরণ হয়ে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে ধারণা করছেন ক্ষতিগ্রস্তরা। স্থানীয়দের আড়াই ঘন্টার প্রচেষ্টায় ভোর ৫ টায় আগুন নিয়ন্ত্রনে আসে।

অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তরা হলেন- পাইকাপন ফুলবাড়ির দুলাল মিয়া, নাহেন মিয়া, কাহেন মিয়া, তুকাজ মিয়া ও সাইমুদ্দিন। অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।

দুলাল মিয়ার ঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্থ নাহেন মিয়া।

তিনি বলেন, ‌‘আগুন লাগার সুনির্দিষ্ট কারণ বলা যাচ্ছে না। তবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক বাল্ব বিস্ফোরিত হয়ে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। আগুন দ্রুত দুলালের ঘর থেকে আমাদের ঘরে আশপাশের বসতঘরে ছড়িয়ে পড়ে। নিমিষেই আমাদের সবকিছু পুঁড়ে ছাই হয়ে গেছে। কোনোকিছুই অবশিষ্ট নেই।’

ক্ষতিগ্রস্ত দুলাল মিয়া জানান, আগুনে আমাদের সবকিছু পুড়িয়ে দিয়েছে। পরনের কাপড় ছাড়া কিছুই অবশিষ্ট নেই। বৈশাখ মাসে কষ্টে তোলা ধানও পুড়ে ক্ষতি হয়েছে। আসবাবপত্র, পরিধানের কাপড়, নগদ অর্থ, বাড়ির দলিলপত্র, এনআইডি, জন্মনিবন্ধনসহ গুরুত্বপুর্ণ নথি পুরোপুরি ভষ্মিভূত হয়েছে। সব হারিয়ে এখন প্রতিবেশীদের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছি। আমাদের সরকারী-বেসরকারী সহযোগীতা প্রয়োজন।

শান্তিগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ফজলে রাব্বানী চৌধুরী জানান, ‘ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে শুকনো খাবার পাঠানো হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন থেকে সব ধরনের সহযোগীতা পাঠাতে আমরা উদ্যোগ নিচ্ছি।’


আরো সংবাদ পড়ুন...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর