সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
কমলগঞ্জ পৌর নির্বাচনে ৫ নম্বর ওয়ার্ডে আলোচনায় তরুণ প্রার্থী রাসেল আহমদ কমলগঞ্জে গভীর রাতে রাইস মিলসহ তিন দোকানে হামলা-ভাঙচুর, লুটপাটের অভিযোগ ভিডিপি সদস্য আশরাফুল আলমের উদ্যোগে কমলগঞ্জের মুন্সিবাজারে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ভিডিপি সদস্য আশরাফুল আলমের উদ্যোগে কমলগঞ্জের মুন্সিবাজারে পরিচ্ছন্নতা অভিযান কমলগঞ্জে মামলা প্রত্যাহারে হুমকির অভিযোগ প্রবাসীর স্ত্রীর সিলেট বৈদেশিক ডাকঘরের সুপার তন্ময় দে চৌধুরীর বিরুদ্ধে আবারও অফিস কামাইয়ের অভিযোগ শমশেরনগরে অটোরিক্সা থেকে চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে হামলা; আহত-১কমলগঞ্জ থানায় অভিযোগ ওমরাহ শেষে দেশে ফিরেই নির্বাচনী প্রস্তুতি বিএনপি নেতা আব্দুল আহাদের কমলগঞ্জে চা বাগানে শ্রমিকদের ওপর হামলা, আহত ৫ কমলগঞ্জে বাজারে গিয়ে নিখোঁজ নবম শ্রেণির ছাত্রী

বাসা বেঁধেছে ‘ঘুঘু’ পাখি

সালাহউদ্দিন শুভ / ২৬৫ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : রবিবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৪

ঘুঘু,অতি পরিচিত সবার এই পাখির নাম। এই পাখি গ্রামাঞ্চলেই বেশি দেখা যায়। লোকালয়ের কাছে বাস করলেও এরা আড়ালে থাকে। তবে গনমাধ্যম কর্মীদের চোখ তো আর আড়াল দেওয়া যায়না। তাদের নজরে ঠিক পড়ে। রবিবার (১৭নভেম্বর) সকালে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদের প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের খোলা জানালার এক পাশে বাসা বাঁধে। এক জোড়া ঘুঘু বসবাস শুরু করেছে, ডিমও দিয়েছে বংশ বৃদ্ধির জন্য।

সড়জমিনে দেখা যায়, দীর্ঘদিন থেকে প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসেরে একটি জানালার খুলা। সেই খুলা জ্বানালায় বাসা বাধে ঘুঘু পাখি। একটি পাখিকে বাসায় দেখা মিলে এবং অন্য আরও একটি পাখিকে কৃষ্ণচুড়া গাছে বসে থাকতে দেখা যায়।

বাসা বাঁধার মৌসুম ছাড়া সাধারণত ঝাঁকে থাকতে পছন্দ করে ঘুঘু পাখি। ঝপঝোড়, গাছের ডাল-হোক, উচু বা নিচুতে, পছন্দসই জায়গা পেলেই বাসা করে। নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে উপজেলা পরিষদের প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের বেঁছে নিয়েছে পাখি যুগল।

ওই অফিসের অফিস সহকারী বলেন, ‘অফিসের স্যারের কক্ষের সামনে ছোট্ট গাছে এক জোড়া ঘুঘু পাখি বাসা বেঁধেছে। পরে দুইটি ডিম দিয়েছে। খুব কাছে থেকে সেই ঘুঘুর বাসা দেখে চোখ জুড়িয়ে যায়। ঘুঘুর বাসাটির খেয়াল রাখছি। শিকারী বা শিশু-কিশোররা যেন ক্ষতি করতে না পারে।’

পরিবেশবাদী ও স্থানীয় শিক্ষক মনজুর আহমেদ আজাদ মান্না জানান, ‘শীত শুরুতেই প্রতি বছরের ন্যায় এবারও নাম না জানা হাজারো রঙ-বেরঙের অতিথি পাখির কলকাকলীতে প্রাণবন্ত হয়ে উঠছে কমলগঞ্জের পাহার টিলা, হাওর-বাওর, খাল-বিল, নদী, লেক, পুকুর, জলাশয় ও জলাবনগুলো। কিন্তু একশ্রেণির লোভী মানুষ এলাকার বিভিন্ন খাল-বিলে নানাভাবে পাখি শিকার করে স্থানীয় হাট-বাজারে বিক্রি করছে। এদের থাবা থেকে আমাদের জীববৈচিত্র্য টিকিয়ে রাখার জন্য পাখি বাঁচিয়ে রাখা জরুরি। প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় অতিথি পাখি শিকার বন্ধে সামাজিক আন্দোলন আজ বেশি প্রয়োজন। কঠোর আইন থাকা সত্ত্বেও আইন প্রয়োগকারী সংস্থা তা প্রয়োগ করছে না।’

এ প্রসঙ্গে কমলগঞ্জ জীব বৈচিত্র কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও পরিবেশবাদী আহাদ মিয়া বলেন, ‘দুই বছর আগেও ঘুঘু পাখি চোখে পড়তো না। বর্তমানে তিলা ঘুঘু অনেক বেড়েছে। তিলা ঘুঘুর পালকের রঙ বুকের নিচে ধূসর, পিঠ বাদামি, গলায় কালোর মধ্যে সাদা ফোঁটা ফোঁটা। ঠোঁট বাদামি। পাখির উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে অন্যান্য প্রজাতির ঘুঘু পাখির দেখা মিলবে আমাদের অঞ্চলে।

এছাড়াও তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘কমলগঞ্জ উপজেলার আদমপুর, ইসলামপুর, মাধবপুর এলাকা শিখারিরা প্রায় সময় ফাদ পেতে এই পাখি ছাড়াও বিভিন্ন প্রজাতির পাখি শিকার করে থাকে। বনপ্রাণী বিভাগ প্রায় সময় অভিযান করে। তবে সচেতনতার প্রয়োজন। শীত এলেই এক শ্রেণির অসাধু মানুষ হত্যা করছে এই পরিযায়ী পাখিগুলোকে।’


আরো সংবাদ পড়ুন...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর