বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৫১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
কমলগঞ্জে তরুণীকে অ প হ র ণ করে সংঘ/বদ্ধ ধ র্ষ ণে র অভি/যোগ,গ্রে/প্তার ২ শ্রীমঙ্গলে এসএসসিতে জিপিএ-৫ এ শীর্ষে দি বাডস, পাসের হারে সেরা নটরডেম ভোলাগঞ্জে সাংবাদিকের ওপর হামলা: তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা কমলগঞ্জে স্বেচ্ছাশ্রমে ঝোপঝাড় পরিষ্কার, ভিডিপি সদস্যদের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে প্রশংসা স্থানীয়দের মৌলভীবাজারে পার্কে উটপাখি ও এমুর ডিম দেশের চা শিল্পে নতুন মাইলফলক ন্যাশনাল টি কোম্পানির নবারুণ সংঘের পক্ষ থেকে এমপি মুজিবুর রহমান চৌধুরীকে সম্মাননা স্মারক প্রদান মার্শাল আর্ট ক্লাব কাপে ‘জুসা মার্শাল আর্ট’ এর সাফল্য, শ্রীমঙ্গলের আয়াত ও আইরাহ ঝুলিতে ৪ পদক লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের সিএমসি হিসাবরক্ষক আবজালুল হকের মৃত্যুতে,এলাকায় শোকের ছায়া ভোলাগঞ্জ স্থলবন্দরে এলসি আটকে হয়রানির অভিযোগ, বিএনপির সাবেক সভাপতির

হাওরের ১০০ বছর এবং আমাদের করণীয় শীর্ষক কর্মশালা

ডেস্ক রিপোর্ট / ১৪৯ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

হাওরের ১০০ বছর এবং আমাদের করণীয় শীর্ষক কর্মশালা পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তরের উদ্যোগে গ্রামীণ জনকল্যাণ সংসদ, প্রগতি সিলেট এবং হোয়াইট পার্ল নার্সিং কলেজের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত কর্মশালায় জেলা প্রশাসক মো. ইসরাইল হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান। এসময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আব্দুল হক, জেলা প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকতা, বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, ছাত্র প্রতিনিধি, হাওর পারের মানুষ, ইমাম, আইনজীবি, পেশাজীবি ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ।

কর্মশালায় মূল প্রবন্ধে মহাপরিচালক মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান বলেন, সারাদেশের মতো মৌলভীবাজারের হাওরগুলোতে পানি প্রবাহ কমেছে, জলজ প্রাণী কমেছে। বছরে প্রায় ১ বিলিয়ন টনেরও অধিক পলি বাংলাদেশের ভূভাগে আসছে এবং জমা হচ্ছে। যা সুন্দর আগামীর জন্য সুখকর নয়।

তিনি বলেন, হাওরের মতো নদীগুলোও ভরাট হয়ে যাচ্ছে। পানির রিজার্ভার কমে যাচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে দেশ একময় মরুভূমি হয়ে যাবে। এজন্য ক্যাপিটাল ড্রেজিং সময়ের দাবি।

তিনি আরও বলেন, হাওর ও জলাভূমিগুলো যদি সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনার আওতায় আসে এবং এখানকার সম্পদকে যদি সঠিকভাবে ব্যবহার করা যায়, তাহলে মৌলভীবাজারের চেহারা পাল্টে যাবে, অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাবে, পর্যটন শিল্পের বিকাশ হবে।

সিলেটের রাতারগুল জলাবনের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, রাতারগুলে ১০০ কোটির মতো গাছ রয়েছে। এসব গাছের গোঁড়ায় মাছ আশ্রয় পাচ্ছে। গাছে পাখি আশ্রয় নেয়। রাতারগুলের এই মডেল হাওর ও অন্যান্য জলাভূমির ক্ষেত্রে কাজে লাগানো যেতে পারে। তাতে পরিবেশের উন্নতি হবে।

জেলা প্রশাসক মো. ইসরাইল হোসেন বলেন, হাওরের উন্নয়নমূলক কর্মশালাগুলো এসি রুমে না করে স্থানীয় পর্যায়ে গিয়ে করা উচিত। যাতে মূল সুবিধাভোগীরা তাদের দাবিগুলো উপস্থাপন এবং যৌক্তিক সমাধান করতে পারে। এরকম করতে পারলে হাওর পারের মানুষ লাভবান হবে। অন্যথায় দেখা যাবে অন্য পক্ষ এখান থেকে সুবিধা নেবে।


আরো সংবাদ পড়ুন...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর