শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ০৪:০৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
হাজী আরব উল্লাহ-মরিয়ম বেগম ট্রাস্টের পক্ষ থেকে ইফতার সামগ্রী বিতরণ কমলগঞ্জে পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল সংবাদপত্রে ঈদুল ফিতরের ছুটি ৫ দিন শ্রীমঙ্গলে ৫ প্রতিষ্ঠানে ৩ লাখ টাকা জরিমানা কমলগঞ্জে সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তনের লক্ষ্যে যাত্রা শুরু ‘উই আর কমলগঞ্জ’ আমিরাতে নিহত বাংলাদেশি সালেহ আহমেদের দাফন সম্পন্ন বর্ণাঢ্য আয়োজনে চার্চ অফ গড যুব সংগঠনের সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন কমলগঞ্জে পেট্রোলের দোকানে লিটারে কম; ভ্রাম্যমান আদালতের জরিমানা আমিরাতে নি’হ’ত বাংলাদেশি সালেহ আহমেদের দাফন সম্পন্ন কমলগঞ্জে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে সামাজিক সংগঠন ‘উই আর কমলগঞ্জ’

কাচ্চি ভাইয়ে চাকরির ৩ দিনের মাথায় প্রাণ হারালেন নাইম

প্রতিদিনের মৌলভীবাজার ডেস্ক / ১৩০ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : শুক্রবার, ১ মার্চ, ২০২৪

পরিবারে আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে ২০২৩ সালে এইচএসসি পাস করে ঢাকায় চাকরির খোঁজে যান নাইম। এরপর শুরুতে একটি কোম্পানিতে কাজ শুরু করেন। এর কিছুদিন পর গত ২৭ ফেব্রুয়ারি ‘কাচ্চি ভাই’ রেস্টুরেন্টে নিরাপত্তা কর্মী হিসেবে যোগ দেন। শুক্রবার রাতে বেইলি রোডের ভবনটিতে আগুন লাগলে তিনি সেখানেই ছিলেন। এরপর তার মরদেহ ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে পাওয়া যায়।

নাইম বরগুনা সদর উপজেলার গৌরীচন্না ইউনিয়নের বড় গৌরীচন্না এলাকার মো. নান্টু হাওলাদারের ছেলে।

নাইমের বাবা মো. নান্টু হাওলাদার বলেন, সবশেষ তার সঙ্গে আমার যখন ফোনে কথা হয় তখন সে বলেছিল, বাবা আমি ভবনের ছয়তলায় আটকে পড়েছি। চারপাশে আগুনের ধোঁয়ায় কিছুই দেখতে পাচ্ছি না। এরপর ছেলের সঙ্গে আর আমার যোগাযোগ হয়নি।

নাইমের চাচা মো. মিরাজ দফাদার বলেন, নাইম খুবই দরিদ্র পরিবারের সন্তান। ওর মা অন্যের বাড়িতে কাজ করেন। তার বাবা শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে যখন যে কাজ পায় সেটাই করেন। এ কারণেই নাইম সংসারের হাল ধরতে ঢাকায় গিয়ে কাজ শুরু করেন।

নাইমের ফুফু মাহফুজা বেগম বলেন, নাইমের মা অন্যের বাড়িতে কাজ করতেন এবং বাবা অসুস্থ থাকা সে ঢাকায় গিয়ে সিকিউরিটি গার্ডের চাকরি নেন। এখন কি হবে এই পরিবারের? একমাত্র ছেলের মৃত্যুতে পরিবারের পাশে দাঁড়াবে কে? নাইমের ওপর ভরসা করেই টাকা ঋণ নিয়ে সম্প্রতি একটি নতুন টিনের ঘর তৈরি করেন তারা।


আরো সংবাদ পড়ুন...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর