শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ০২:৫৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
কালবৈশাখী——-বর্ষা রানী মালাকার ৫দিন ধরে বিদ্যুৎ নাই চা বাগানে, দের কোটি টাকার ক্ষতি কমলগঞ্জে ঝড়বিধ্বস্ত দুই পরিবারের পাশে কৃষিবিদ “মুঈদ আশিক চিশতী” কমলগঞ্জে পারিবারিক দ্ব/ন্দ্বে স্ত্রী-সন্তানসহ ৬ জনের বিরু/দ্ধে অটোরিকশা চালকের অভি/যোগ কমলগঞ্জে কালবৈশাখীর তাণ্ডব: ১৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীনতা, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি কমলগঞ্জে হৃদরোগে আক্রান্ত শিশুকে বাঁচাতে মানবিক হাত বাড়াল প্রবাসীরা দূর পরবাসে থেকেও নাড়ির টানে ড. শাহ্ আলম: চাবাগান ও আর্তমানবতার সেবায় এক অনন্য নাম মৌলভীবাজারে সিআরবির নবনির্বাচিত কমিটির শপথ গ্রহণ কবিতা-মোদের কমলগঞ্জ নিরপেক্ষ গণমাধ্যম সমাজের দর্পণ: ‘সাপ্তাহিক কমলগঞ্জের হালচাল’-এর যাত্রা শুরু

কমলগঞ্জে ৪৫ দিনের নবজাতকের ঘরে গিয়ে জন্ম সনদ ও শুভেচ্ছা বার্তা প্রদান”

রাজু দত্ত,কমলগঞ্জ / ১৭১ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : শনিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৫

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে এক মানবিক ও উদ্ভাবনী উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। নবজাতক জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে ঘরে ঘরে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ, জন্ম নিবন্ধন, এবং শুভেচ্ছা বার্তা পৌঁছে দিচ্ছেন পরিষদের ৯টি ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ ও ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তারা ।

এই কার্যক্রমের আওতায় নবজাতকের পরিবারকে জন্ম নিবন্ধনের সনদপত্র বিনামূল্যে প্রদান করা হচ্ছে। একইসাথে জন্ম উপলক্ষে শুভেচ্ছা বার্তা, সচেতনতামূলক তথ্য, এবং কিছু প্রয়োজনীয় উপহার সামগ্রীও প্রদান করা হচ্ছে।

সরইবাড়ী গ্রামের ৪৫ দিনের শিশুর পিতা মো. আব্দুল ওয়াহিদ মনির বলেন, “আমরা ভাবতেও পারিনি ঘরে বসেই এত দ্রুত জন্ম সনদ পাবো। ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে যে আন্তরিকতা পেয়েছি, তাতে আমরা খুবই কৃতজ্ঞ। এটি আমাদের জন্য সত্যিকারের উপকার হয়েছে।”

গ্রাম পুলিশ আল আমিন বলেন, “নবজাতকের তথ্য সংগ্রহ এবং সনদ পৌঁছানোর দায়িত্ব আমরা ভালোভাবে পালন করছি। এটি করতে পেরে গর্বিত।”

বিকল্প উদ্যোক্তা পিংকি পাল জানান, “এই কার্যক্রমে অংশ নিতে পেরে আমি আনন্দিত। নারী উদ্যোক্তা হিসেবে গ্রামে ঘরে গিয়ে সেবা পৌঁছে দেওয়ার অভিজ্ঞতা আমাকে আরও মানবিক করে তুলেছে।”

ইউনিয়নের ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তা রাজু দত্ত বলেন, “আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে জন্ম নিবন্ধনের কাজ সম্পন্ন করে, পরিবারকে সনদ পৌঁছে দিচ্ছি। এটি ইউনিয়নবাসীর জন্য একটি সহজ, স্বচ্ছ ও মানবিক সেবা।”

ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোছা. আমিনা বেগম বলেন, “প্রতিটি শিশুর জন্মের পরপরই আমরা তার পরিচয় নিশ্চিত করতে চাই। এটি শুধু একটি নিবন্ধন নয়, শিশুর অধিকার প্রতিষ্ঠার অংশ। গ্রাম পুলিশ ও ডিজিটাল সেন্টার এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।”


আরো সংবাদ পড়ুন...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর