রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:২৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
কমলগঞ্জে শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক মো. ফরিদ মিয়া কমলগঞ্জে ব্র্যাক-ভিশনস্প্রিংয়ের উদ্যোগে দিনব্যাপী মেডিকেল ক্যাম্প কমলগঞ্জে থানা-পুলিশ ও স্থানীয় মুরব্বিদের উদ্যোগে দীর্ঘদিনের জমি বিরোধের মীমাংসা কমলগঞ্জ পৌর নির্বাচনে ৫ নম্বর ওয়ার্ডে আলোচনায় তরুণ প্রার্থী রাসেল আহমদ কমলগঞ্জে গভীর রাতে রাইস মিলসহ তিন দোকানে হামলা-ভাঙচুর, লুটপাটের অভিযোগ ভিডিপি সদস্য আশরাফুল আলমের উদ্যোগে কমলগঞ্জের মুন্সিবাজারে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ভিডিপি সদস্য আশরাফুল আলমের উদ্যোগে কমলগঞ্জের মুন্সিবাজারে পরিচ্ছন্নতা অভিযান কমলগঞ্জে মামলা প্রত্যাহারে হুমকির অভিযোগ প্রবাসীর স্ত্রীর সিলেট বৈদেশিক ডাকঘরের সুপার তন্ময় দে চৌধুরীর বিরুদ্ধে আবারও অফিস কামাইয়ের অভিযোগ শমশেরনগরে অটোরিক্সা থেকে চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে হামলা; আহত-১কমলগঞ্জ থানায় অভিযোগ

মৌলভীবাজারে ভ্যাপসা গরমে জনজীবন বিপর্যস্ত

সালাহউদ্দিন শুভ / ১৬০ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : শুক্রবার, ২৪ মে, ২০২৪

পাহাড়ি টিলা টালা চা, আনারস, লেবু ও বিভিন্ন ফলের রাজ্য মৌলভীবাজার জেলা। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে গরমের স্বস্তি পেতে এ জেলায় হাজার হাজার পর্যটকের আনাগোনা হয়ে থাকে। চলতি বছরের মে থেকে শুরু হওয়া তাপপ্রবাহ দেশের বিভিন্ন জেলার ওপর দিয়ে বয়ে গেলেও এ জেলার মানুষ অনেকটাই স্বস্তিতে ছিল। এ অঞ্চলে আবহাওয়া অতটা উত্তপ্ত না হলেও গত দুই-তিন দিন থেকে জেলায় ভ্যাপসা গরম বয়ে যাচ্ছে।

শুক্রবার (২৪ মে) বিকাল ৩টায় মৌলভীবাজার জেলার তাপমাত্রা ছিল ৩৬.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃহস্পতিবার ও বুধবার বিকাল ৩টায় তাপমাত্রা ছিল ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল। চলমান এ তাপমাত্রা শনিবার থেকে কমতে শুরু করবে বলে জানিয়েছে শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া অফিস। তবে গত ১৫ দিন ধরে এ জেলায় ৩৬-৩৭.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস উঠানামা করছে।

এদিকে জেলা ঘুড়ে দেখা যায় অসহ্য গরমে কৃষি মাঠে, রিকশা ও বিভিন্ন ধরনের ছোট খাট গাড়ি চালকরা রাস্তায় বের হওয়া মানুষের হাঁসফাঁস অবস্থা। এ অবস্থায় মানুষের জীবনযাত্রা দুর্বিষহ হয়ে উঠছে। রাস্তায় বের হলে যেন চোখে-মুখে আগুনের তাপ লাগছে। গরমের কারণে রাস্তায় যানবাহন এবং সাধারণ মানুষের সংখ্যা কম দেখা গেছে।

কমলগঞ্জ পৌর এলাকার দিনমুজুর জলিল, হুসন, মানিক ও বাবু মিয়া বলেন, ‘এই গরমে কষ্ট হলেও সংসারের কথা চিন্তা করে প্রতিদিন কাজে আসতে হয়। কাজে না আসলে সংসারের সবার না খেয়ে থাকতে হবে। আমাদের একা রুজিতে চলে সংসার।’

রিকশা চালক সন্তুষ শব্দকর জানান, ‘এত দিন খুব বেশি গরম ছিল না। কিছুদিন থেকে অতিরিক্ত গরম পড়েছে। রোদটা সরাসরি গায়ে লেগে শার্টটা বা গেন্জী থাকলে ঘামে ভিজে গেছে। গরমের কারণে এক টানা রিকশা চালাতে পারি না। গরমে একেবারে ক্লান্ত হয়ে যাই। কিন্তু পেটের টানে তো বের হতে হয়।’

এদিকে শ্রীমঙ্গলের আনারস,লেবু ও নাগামরিচ চাষি সামছুল হক জানান, গরম ও পানির কারনে ফসল ভালো ভাবে পরিচর্যা করতে পারছি না। অনেক ফসল নষ্ট হওয়ার উপক্রম।

শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের সহকারী আবহাওয়াবিদ আনিসুর রহমান বলেন, ‘চলমান পরিস্থিতি আর হয়তো থাকবে না। আগামীকাল শনিবার থেকে নিন্ম চাপের কারনে বৃষ্টি হতে পারে। তখন আর এই তাপমাত্র থাকবে না।’


আরো সংবাদ পড়ুন...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর