সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:৩৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিলেন চেয়ারম্যান আবদাল সাংবাদিকদের জন্য বিএনপির একগুচ্ছ প্রতিশ্রুতি সিলেটে চারদিন সবধরণের সভা-সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ব্রিটিশ নাগরিকদের বাংলাদেশ ভ্রমণে সতর্কতা ভারতীয় ভিসার জন্য নতুন নিয়ম চালু মৌলভীবাজারে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে মতবিনিময় সভা চা শ্রমিকদের অধিকার আদায়ে মো. মহসিন মিয়া মধুর অঙ্গীকার মৌলভীবাজারে কিশোর গ্যাং তো দূরে থাক, কোনো গ্যাংই থাকবে না— নাসের রহমান ভূমির অধিকার থেকে পরিবেশ—চা বাগানে প্রীতম দাশের প্রতিশ্রুতির রাজনীতি শফিকুর রহমানের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাকের ঘটনায় বঙ্গভবনের প্রোগ্রামার আটক

বিয়ের পরদিনই টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে উধাও নববধূ

অনলাইন ডেস্ক / ১৭৭ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : রবিবার, ১৮ মে, ২০২৫

লালমনিরহাটের আদিতমারীতে বিয়ের নাটক সাজিয়ে স্বামীর বাড়ি থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক নববধূর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নববধূর খালাতো বোনসহ আরও কয়েকজনের জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে।

শুক্রবার (১৬ মে) বিকেলে আদিতমারী থানায় ভুক্তভোগী হোসেন আলী লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তিনি আদিতমারী উপজেলার তালুক পলাশী গ্রামের খিজির মামুদের ছেলে।

হোসেন আলীর অভিযোগে বলা হয়, অভিযুক্ত নববধূ রুমানা খাতুন (৩০) একই উপজেলার সাপ্টিবাড়ি এলাকার এনছার আলীর স্বামী পরিত্যক্তা মেয়ে। এ ঘটনায় তার সহযোগী, ঘটক এবং নিকাহ রেজিস্টারসহ চারজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তারা হলেন—ঘটক জোবাইদুল ইসলাম, রবিউল ইসলাম এবং লালমনিরহাট পৌরসভার নিকাহ রেজিস্টার কাজী আমজাদ হোসেন সরকার।

অভিযোগে হোসেন আলী জানান, এক বছর আগে তার প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হয়। পরে তিনি দ্বিতীয়বার বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন। ঘটক জোবাইদুল ও রবিউলের মাধ্যমে পরিচয় হয় রুমানার সঙ্গে। গত ১৪ মে লালমনিরহাট শহরে এক লাখ টাকা দেনমোহরে কাজী আমজাদ হোসেন সরকারের অফিসে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়।

বিয়ের পরদিনই নববধূ রুমানা বাবার অসুস্থতার কথা বলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। তার সঙ্গে ছিল হোসেন আলীর ঘরে রাখা তামাক বিক্রির এক লাখ ৩৫ হাজার টাকা এবং দেড় ভরি স্বর্ণালংকার। ঘটক জোবাইদুলের মেয়েও তার সঙ্গে এসেছিল, তবে পরে তিনিও নিখোঁজ হন। সন্ধ্যা পর্যন্ত না ফেরায় এবং ফোন বন্ধ পাওয়ায় হোসেন আলীর সন্দেহ হয়। খোঁজ নিয়ে তিনি দেখেন, ঘরের টাকা ও স্বর্ণালংকার উধাও।

হোসেন আলীর দাবি, ঘটক জোবাইদুল বিয়ের বকশিস হিসেবে ১০ হাজার টাকা নিয়েছিলেন। পরবর্তীতে তার কাছে সহযোগিতা চাইলে কোনো সহায়তা মেলেনি। এমনকি কাজীর অফিস থেকে নিকাহনামার কপি চাইলে আমজাদ হোসেন তা দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং হুমকিও দেন।

স্থানীয়দের দাবি, রুমানা ও তার সহযোগীরা একটি প্রতারক চক্রের সদস্য। তারা বিয়ের ফাঁদ পেতে অর্থ হাতিয়ে নিয়ে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়, তাই কোথাও স্থায়ীভাবে বসবাস করে না।

এ বিষয়ে একাধিকবার কল করেও ঘটক জোবাইদুলের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। রুমানার মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়।

তবে কাজী আমজাদ হোসেন বলেন, “রুমানা ও হোসেন আলীর নামে আমার অফিসে কোনো বিয়ের রেজিস্ট্রেশন হয়নি। কেউ হয়তো অহেতুক আমার নাম বলছে।”

আদিতমারী থানার ওসি আলী আকবর বলেন, “এটি কোনো চুরি চক্রের নতুন কৌশল হতে পারে। অভিযোগটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”


আরো সংবাদ পড়ুন...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর