শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
কুলাউড়া কারিতাসের জরুরি সহায়তা প্রদান কমলগঞ্জে শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক মো. ফরিদ মিয়া কমলগঞ্জে ব্র্যাক-ভিশনস্প্রিংয়ের উদ্যোগে দিনব্যাপী মেডিকেল ক্যাম্প কমলগঞ্জে থানা-পুলিশ ও স্থানীয় মুরব্বিদের উদ্যোগে দীর্ঘদিনের জমি বিরোধের মীমাংসা কমলগঞ্জ পৌর নির্বাচনে ৫ নম্বর ওয়ার্ডে আলোচনায় তরুণ প্রার্থী রাসেল আহমদ কমলগঞ্জে গভীর রাতে রাইস মিলসহ তিন দোকানে হামলা-ভাঙচুর, লুটপাটের অভিযোগ ভিডিপি সদস্য আশরাফুল আলমের উদ্যোগে কমলগঞ্জের মুন্সিবাজারে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ভিডিপি সদস্য আশরাফুল আলমের উদ্যোগে কমলগঞ্জের মুন্সিবাজারে পরিচ্ছন্নতা অভিযান কমলগঞ্জে মামলা প্রত্যাহারে হুমকির অভিযোগ প্রবাসীর স্ত্রীর সিলেট বৈদেশিক ডাকঘরের সুপার তন্ময় দে চৌধুরীর বিরুদ্ধে আবারও অফিস কামাইয়ের অভিযোগ

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের ফটকে তালা, ফেল করা শিক্ষার্থীদের পাস করানোর দাবি

অনলাইন ডেস্ক / ১১৮ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : সোমবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৪

উচ্চ মাধ্যমিকে ফেল করা শিক্ষার্থীদের পাস করাতে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়েছে একদল শিক্ষার্থী। অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে বোর্ড চেয়ারম্যান ড. নিজামুল করিমকে। গতকাল রোববার কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অন্তর্গত বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা সেখানে অবস্থান নেয়। এ সময় তারা শিক্ষা বোর্ডের প্রধান ফটক ও চেয়ারম্যানের কার্যালয়ের ভবনের ফটক আটকে দেয়।

জানা গেছে, সম্প্রতি প্রকাশিত উচ্চ মাধ্যমিকের ফলে অকৃতকার্যরা সকাল থেকে বোর্ডে ঢুকে পড়ে। বোর্ড চেয়ারম্যান ড. নিজামুল করিম শিক্ষার্থীদের দেওয়া লিখিত অভিযোগ মন্ত্রণালয়ে পাঠাবেন বলে জানিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিদের আশ্বাস দেন। তারা সেই আশ্বাস মেনে ফটকে এলে নিচে অবস্থানরত শিক্ষার্থীরা তা মেনে নেয়নি। তারা এখনই সবার পাসের ফল পেতে চান বলে জানিয়ে দেন। সন্ধ্যায় এই প্রতিবেদন লেখার সময় শিক্ষার্থীরা প্রধান ফটকে অবস্থান করছেন। এদিকে শিক্ষার্থীরা ফটক আটকে রাখায় বিপাকে পড়েন কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের সোনালী ব্যাংক শাখা ও বোর্ডের বিভিন্ন সেবা নিতে আসা গ্রহীতারা।

সেবা নিতে আসা এক শিক্ষক বলেন, দাবি জানালে নিয়মের মধ্যে জানাবে। বোর্ড তা দেখবে। কিন্তু এভাবে ফটক আটকে শিক্ষকদের সঙ্গে উগ্র আচরণ করে দাবি আদায় করা অযৌক্তিক।

শিক্ষার্থী আলামিন হোসেন বলেন, অনেকে ৭টা সৃজনশীল লিখে পাইছে ৩। আমি ফেল করার ছাত্র না। তাও ফেল দিয়েছে। এটা বৈষম্য। আমাদের বলা হচ্ছে আবার ফলের জন্য আবেদন করতে। আমরা কেন ১৫০ টাকা খরচ করব। আমরা আজই ফল চাই।’

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘আমরা তাদের বলেছি ফল পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আবেদন করতে। আমরা তাদের দাবির বিষয়টি মন্ত্রণালয়ে জানাব। কিন্তু তারা তা না শুনেই ফটকের সামনে বসে আছে। তারা আজই সবাই ফল চায়। সবাই পাস চায়।’

রোববার সন্ধ্যায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডে অবস্থান করছিল।


আরো সংবাদ পড়ুন...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর