সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৪৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
চাকরি পেয়ে ডিভোর্স, অনশন করে স্ত্রীকে ফিরে পেলেন যুবক রাতে ১৫ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির আশঙ্কা নাগলিঙ্গমের টানে শ্রীমঙ্গলে ভিড় মঙ্গল ও আনন্দ বাদ, এবার হবে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ শ্রীমঙ্গলে সূর্যোদয় প্রার্থনার মধ্যদিয়ে ইস্টার সানডে উদযাপন শ্রীমঙ্গলের উন্নয়নে অংশীজনের ভাবনা: ইশতেহার বাস্তবায়নে ৫ বছরের রোডম্যাপ প্রণয়নের উদ্যোগ ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ৩৮৭ টাকা কমলগঞ্জে অন্তঃসত্ত্বা চা শ্রমিকের মৃত্যু: চিকিৎসা সহায়তা না পাওয়ার অভিযোগে কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ মৌলভীবাজারে খাসিয়া পুঞ্জিতে ১২ শতাধিক পানগাছ কাটার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি মৌলভীবাজারে কালবৈশাখী ঝড়ে লণ্ড/ভণ্ড বাড়ি ঘর

সাবেক তিন প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা

অনলাইন ডেস্ক / ৫৯ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : বুধবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৪
সাবেক তিন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও বিচারপতি ওবায়দুল হাসান।

সাবেক তিন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও বিচারপতি ওবায়দুল হাসানসহ সাত বিচারপতির বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ এনে মামলা হয়েছে।

মামলার আসামি অন্য চার বিচারপতি হলেন- আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি মো. ইমান আলী, বিচারপতি মির্জা হোসেন হায়দার, বিচারপতি আবু বকর সিদ্দিকী ও বিচারপতি মো. নুরুজ্জামান ননী।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ মামলাটি দায়ের করেন।

বাসসকে তিনি জানান, সাবেক তিন প্রধান বিচারপতিসহ আপিল বিভাগের সাত বিচারপতির বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ এনে মামলা দায়ের হয়েছে। আদালত অবমাননা মামলা নং ২৯৯/২০২৪।

মামলায় বলা হয়েছে, আসামিরা সবাই ক্ষমতার অপব্যবহার করে আইনগত এখতিয়ার বহির্ভূতভাবে অসাংবিধানিকভাবে আদালত অবমাননা আইন ১৯২৬ লঙ্ঘন করে কোনো শুনানির সুযোগ না দিয়ে আদালত অবমাননার নামে মো. ইউনুস আলী আকন্দকে শাস্তি দেন।

প্রথমে ২০২০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর শুনানির সুযোগ না দিয়ে সুপ্রিম কোর্টের প্রাকটিস সাসপেন্ডসহ আদালত অবমাননার রুল জারি করেন। তারপর ২০২০ সালের ১২ সেপ্টেম্বর তিন মাস প্রাকটিস সাসপেন্ডসহ জরিমানা করা হয়।

অ্যাডভোকেট ইউনুস আলী আকন্দ বলেন, আদালত অবমাননা হলে আদালত অবমাননা আইন ১৯২৬ এর ৭ ধারায় অভিযোগ প্রমাণিত হলে হাইকোর্ট শাস্তি দিতে পারে, আপিল বিভাগ নয়। বার কাউন্সিল আইনের ৩২ ধারায় ট্রাইব্যুনাল আইনজীবীর পেশাগত অসদাচরণ প্রমাণিত হলে পেশা সাসপেন্ড করতে পারে, কিন্তু আপিল বিভাগ নয়।

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট এবং ভারতের সুপ্রিম কোর্ট এক নয়। ভারতের সুপ্রিম কোর্টে সরাসরি মামলা করা যায়। কিন্তু সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদে বাংলাদেশের হাইকোর্ট বিভাগে সরাসরি মামলা করা যায় এবং ১০৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আপিল বিভাগে আপিল হয়।


আরো সংবাদ পড়ুন...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর