রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
কমলগঞ্জে শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক মো. ফরিদ মিয়া কমলগঞ্জে ব্র্যাক-ভিশনস্প্রিংয়ের উদ্যোগে দিনব্যাপী মেডিকেল ক্যাম্প কমলগঞ্জে থানা-পুলিশ ও স্থানীয় মুরব্বিদের উদ্যোগে দীর্ঘদিনের জমি বিরোধের মীমাংসা কমলগঞ্জ পৌর নির্বাচনে ৫ নম্বর ওয়ার্ডে আলোচনায় তরুণ প্রার্থী রাসেল আহমদ কমলগঞ্জে গভীর রাতে রাইস মিলসহ তিন দোকানে হামলা-ভাঙচুর, লুটপাটের অভিযোগ ভিডিপি সদস্য আশরাফুল আলমের উদ্যোগে কমলগঞ্জের মুন্সিবাজারে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ভিডিপি সদস্য আশরাফুল আলমের উদ্যোগে কমলগঞ্জের মুন্সিবাজারে পরিচ্ছন্নতা অভিযান কমলগঞ্জে মামলা প্রত্যাহারে হুমকির অভিযোগ প্রবাসীর স্ত্রীর সিলেট বৈদেশিক ডাকঘরের সুপার তন্ময় দে চৌধুরীর বিরুদ্ধে আবারও অফিস কামাইয়ের অভিযোগ শমশেরনগরে অটোরিক্সা থেকে চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে হামলা; আহত-১কমলগঞ্জ থানায় অভিযোগ

আদম্য মেধাবী: কমলগঞ্জে এসএসসিতে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী অম্লান দাস তুর্যের সাফল্য

ডেস্ক রিপোর্ট / ২০৪ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ১৬ মে, ২০২৪

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার পরানধর গ্রামের বুদ্ধি প্রতিবন্ধী অম্লান দাস তুর্য এবারের এসএসসি পরীক্ষায় ৩.৭৪ পেয়ে পাশ করে সবাইকে অবাক করে দিয়েছে। সে মুন্সীবাজার কালীপ্রসাদ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পড়াশুনা করে অদম্য সাহস আর ইচ্ছা শক্তির জোরে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল। 

জন্মগতভাবে অম্লান দাস তুর্য কম স্মৃতি শক্তি সম্পন্ন হওয়ায় তার পড়াশুনা নিয়ে বাবা-মায়ের চিন্তার শেষ ছিল না।অবশেষে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ভালো ফলাফল করায় তার বাবা-মা ও স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের মাঝে আনন্দের বন্যা বইছে। সে পরানধর গ্রামের বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা আশা বালাগঞ্জ শাখা ব্যবস্থাপক ফনীভুষন দাস ও মা সরিষকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শম্পা রায়ের ছেলে।

কালীপ্রসাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সত্যেন্দ্র কুমার পাল জানান, অম্লান দাস তুর্য তার স্কুলের ছাত্র। তার মধ্যে কোনো বোধশক্তি ও স্মৃতি শক্তি নেই বললেই চলে। তিনি ও অন্য শিক্ষকরা অত্যন্ত যত্ন সহকারে তাকে কিছু শেখানোর চেষ্টা করতেন। অম্লান দাস তুর্য বুদ্ধি প্রতিবন্ধী নিশ্চিত হওয়ার পর সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে একটি প্রতিবন্ধী সনদ সংগ্রহ করে শিক্ষাবোর্ড থেকে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীর কোটায় তাকে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করিয়েছেন। 

প্রধান শিক্ষক আরো জানান, যে কোন প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত নিয়ে আসতে পারলে তাকে দিয়ে এসএসসি পরীক্ষা দেওয়ানো কঠিন কোনো কাজ নয়। শিক্ষাবোর্ড প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা গ্রহণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

এসএসসি পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের ব্যাপারে অম্লান দাস তুর্য জানায়, এবার এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছি। খুবই ভালো লাগছে।

অম্লান দাস তুর্য এর বাবা ফনীভুষন দাস (বাবলু) বলেন, জন্ম থেকে আমার সন্তান বুদ্ধি প্রতিবন্ধী হলেও পড়াশুনার প্রতি প্রবল আগ্রহ ছিল। আমাদের পরিবার ও বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দের আন্তরিক প্রচেষ্টায় সে ভাল ফলাফল লাভ করে। সে নিয়মিত প্রতিবন্ধী ভাতা পেয়ে আসছে। ছেলের ভবিষ্যতে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের জন্য সকলের দোয়া ও আশীর্ব্বাদ কামনা করেন তিনি।


আরো সংবাদ পড়ুন...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর