বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ০৩:০৭ পূর্বাহ্ন

আমনের বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি

ডেস্ক রিপোর্ট / ৩১ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : বুধবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২৫

মৌলভীবাজার জেলার চলতি রোপা আমন মৌসুমে দেখা দিয়েছে আশাতীত বাম্পার ফলন। দীর্ঘ প্রতিকূলতা, পাহাড়ি ঢল ও টানা বন্যার ক্ষতি পেরিয়ে বহু কৃষক পরিবার এবার নতুন স্বপ্ন নিয়ে মাঠে নেমেছেন। মাঠজুড়ে এখন দোল খাচ্ছে সোনালি ধানের শীষ; উঠোনজুড়ে জমতে শুরু করেছে নতুন ফসল। হেমন্তের বাতাসে পাকা-আধাপাকা ধানের সোনালি সমারোহ যেন প্রকৃতির উৎসবে পরিণত হয়েছে।

জেলার সাত উপজেলায় ৯৮ হাজার ২০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন আবাদ হয়েছে। সার্বিকভাবে বলা যায়, মৌলভীবাজারের আমন মৌসুম এবার কৃষকদের মাঝে নতুন আশা ও সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে বলে জানান জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরিচালক মো. জালাল উদ্দিন।

জেলার কয়েকটি উপজেলা ঘুরে দেখা যায়—কৃষকরা ধান কাটা ও মাড়াই নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এবার আমন ধান উৎপাদনে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে মনে করছেন স্থানীয় কৃষকরা। বাজারে চালের দাম চড়া থাকায় এবার লাভও বেশি হবে বলে আশা করছেন তারা।

  • এদিকে শ্রীমঙ্গল উপজেলার আশিদ্রোন খোসবাস গ্রামের কৃষক মো. শাকির আহমদ বলেন, প্রতি বছরের ন্যায় এবার তীব্র আশংকা নিয়ে আমন চাষ করি। কারণ প্রতি বছরই ফসল ঘরে তোলার মূহুর্তে বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে হাজার হাজার কৃষকের স্বপ্নের ফসল নষ্ট হয়ে যায়। এবারও এ আশঙ্কা করছিলাম। কিন্তু প্রতিকূল আবহাওয়া ও সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের যথাযথ উদ্যোগের কারণে কৃষককুলের মুখে হাসির ঝিলিক দেখা যাচ্ছে। আমার জমিতে প্রতি কেয়ারে ১৫-২০ মন ধান পাব বলে আশা করছি।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরিচালক মো. জালাল উদ্দিন জানান, চলতি মৌসুমে ব্রি হাইব্রিড-৪, ব্রি হাইব্রিড-৬, তেজ গোল্ড, বিআর ১১, বিআর ২২, বিআর ২৩সহ বিভিন্ন উফশী জাতের ধান প্রত্যাশার চেয়েও বেশি ফলন দিয়েছে। জেলার সাত উপজেলায় মোট ৯৮ হাজার ২০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন আবাদ হয়েছে। সার্বিকভাবে বলা যায়, মৌলভীবাজারের আমন মৌসুম এবার কৃষকদের মাঝে নতুন আশা ও সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে।


আরো সংবাদ পড়ুন...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর