সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিলেন চেয়ারম্যান আবদাল সাংবাদিকদের জন্য বিএনপির একগুচ্ছ প্রতিশ্রুতি সিলেটে চারদিন সবধরণের সভা-সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ব্রিটিশ নাগরিকদের বাংলাদেশ ভ্রমণে সতর্কতা ভারতীয় ভিসার জন্য নতুন নিয়ম চালু মৌলভীবাজারে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে মতবিনিময় সভা চা শ্রমিকদের অধিকার আদায়ে মো. মহসিন মিয়া মধুর অঙ্গীকার মৌলভীবাজারে কিশোর গ্যাং তো দূরে থাক, কোনো গ্যাংই থাকবে না— নাসের রহমান ভূমির অধিকার থেকে পরিবেশ—চা বাগানে প্রীতম দাশের প্রতিশ্রুতির রাজনীতি শফিকুর রহমানের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাকের ঘটনায় বঙ্গভবনের প্রোগ্রামার আটক

আমার বাচ্চারে আইনা দেও; তারে ছাড়া আমি ক্যামনে বাঁচমু : কমলগঞ্জে ধানক্ষেত থেকে যুবকের গ লা কা টা লা শ উ দ্ধা র

ডেস্ক রিপোর্ট / ৩০৩ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

আমার বাচ্চা, আমার বাচ্চা, আমার বাচ্চা, আমার বাচ্চারে আইনা দেও তুমরা। আমি তুমরার কাছে ভিক্ষা চাইরাম, তুমরা আমার ছেলেরে আইনা দেও। আমার ছেলের লাশের সাথে আমারে কাপন পরিয়ে দেও। সে আমার বড় সন্তান, তারে ছাড়া আমি ক্যামনে বাঁচমু…।’

ঘরের উঠানে রাখা ছেলের লাশের সামনে এভাবে আহাজারি করছিলেন রেনু বেগম। তাঁর বড় ছেলে লিটন মিয়া (২৭) গত মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার পতনঊষার ইউনিয়নের পশ্চিম নন্দগ্রামে মসজিদের পাশ থেকে গলা কাটা লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত লিটন পশ্চিম নন্দগ্রামের সত্তার মিয়ার ছেলে। দুই ভাই ও দুই বোনের মধ্যে লিটন বড়।

বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কমলগঞ্জ উপজেলার পতনঊষার পশ্চিম নন্দগ্রামে লিটন মিয়া (২৭) বাড়িতে দেখা যায়, পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের মাতম চলছে। বারবার মূর্ছা যাচ্ছিলেন তার মা রেনু বেগম। লিটন মিয়ার লাশের পাশে বসে তাঁর বোনের আহাজারিতে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়।

লিটন মিয়ার মামা শাহআলম বলেন, লিটন খুব ভালো ছেলে ছিল। তার মৃত্যু মেনে নেওয়া কষ্টকর। আমরা তার খুনির শাস্তি চাই। পুলিশ যেন দ্রুত আসীকে ধরতে পারে। আমরা সেই আসায় বসে আছি। পারিবারিক কবরস্থানে তার লাশ দাফন করার প্রস্তুতি চলছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পরিবার সূত্র জানায়, গত মঙ্গলবার (০৯সেপ্টেম্বর) সকালে স্থানীয়রা মসজিদের পাশে লিটন মিয়ার জবাই করা লাশ দেখতে পান। পরে শমশেরনগর ফাঁড়ি পুলিশকে বিষয়টি জানানো হলে তারা এসে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে কি কারণে হত্যা করা হয়েছে এ বিষয় জানা যায়নি। ময়না তদন্ত শেষে বুধবার দুপুরে গ্রামের স্থানীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়।

ঘটনাটি নিশ্চিত করে এ বিষয়ে কমলগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু জাফর মো. মাহফুজুল কবির মোটোফোনে বলেন, নিহতের পরিবার থানায় এখনও কোন অভিযোগ দায়ের করেনি। তদন্ত চলছে।


আরো সংবাদ পড়ুন...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর