শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১:০৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ৩৮৭ টাকা কমলগঞ্জে অন্তঃসত্ত্বা চা শ্রমিকের মৃত্যু: চিকিৎসা সহায়তা না পাওয়ার অভিযোগে কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ মৌলভীবাজারে খাসিয়া পুঞ্জিতে ১২ শতাধিক পানগাছ কাটার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি মৌলভীবাজারে কালবৈশাখী ঝড়ে লণ্ড/ভণ্ড বাড়ি ঘর মৌলভীবাজারে পানিতে ডু/বে একই পরিবারের ৩ শিশুর মৃ/ত্যু হবিগঞ্জে বাস খাদে পড়ে আহত ১০ ফেসবুক-গুগলসহ ১৫ মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে হামলার হুমকি উপবনের ইঞ্জিনে আগুন, ৩ ঘণ্টা পর সিলেটের সঙ্গে রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক মৌলভীবাজারের দুই থানার ওসি প্রত্যাহার মোটরসাইকেলের ধা/ক্কায় বৃদ্ধার মৃ/ত্যু, চালক আট/ক

আজ আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস

অনলাইন ডেস্ক / ৬৮ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : রবিবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
প্রতীকী ছবিটি সংগৃহীত

বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আজ (৮ সেপ্টেম্বর) যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হবে ‘আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস-২০২৪’।

বিশ্বের সব দেশের জন্য ইউনেস্কো নির্ধারিত এবারের আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসের প্রতিপাদ্য ‘প্রমোটিং মাল্টিলিঙ্গুয়াল এডুকেশন : লিটারেসি ফর মিউচুয়াল আন্ডারস্ট্যান্ডিং অ্যান্ড সি।’ যা বাংলায়, ‘বহু ভাষায় শিক্ষার প্রসার: পারস্পরিক সমঝোতা ও শান্তির জন্য সাক্ষরতা।’

দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো আজ রাজধানীর তেজগাঁওস্থ উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোতে এক আলোচনা সভার আয়োজন করেছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ফরিদ আহাম্মদ।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এবং সচিব বাণী দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, ১৯৬৭ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী এবং ১৯৭২ সাল থেকে স্বাধীন বাংলাদেশে ৮ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উদযাপিত হয়ে আসছে। অর্থনৈতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতা থেকে মুক্তির অন্যতম উপায় হলো সাক্ষরতা অর্জন করা। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই সাক্ষরতার সংজ্ঞায় ভিন্নতা থাকলেও ১৯৬৭ সালে ইউনেস্কো সর্বজনীন একটা সংজ্ঞা নির্ধারণ করে। তখন শুধু কেউ নাম লিখতে পারলেই তাকে সাক্ষর বলা হতো। পরবর্তীতে প্রায় প্রতি দশকেই এই সংজ্ঞায় পরিবর্তন এসেছে এবং ১৯৯৩ সালের একটি সংজ্ঞায় ব্যক্তিকে সাক্ষর হওয়ার জন্য তিনটি শর্ত পূরণ করতে হয়। যথা: ব্যক্তি নিজ ভাষায় সহজ ও ছোট বাক্য পড়তে পারবে, নিজ ভাষায় সহজ ও ছোট বাক্য লিখতে পারবে, দৈনন্দিন জীবনের সাধারণ হিসাব-নিকাশ করতে পারবে।

স্বাধীন বাংলাদেশে মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য জাতিকে নিরক্ষরতার অভিশাপ থেকে মুক্ত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশের সংবিধানের ১৭ অনুচ্ছেদে অবৈতনিক বাধ্যতামূলক শিক্ষার অধিকার সন্নিবেশিত হয়েছে। সাক্ষরতা এবং উন্নয়ন একই সূত্রেগাঁথা। নিরক্ষরতা উন্নয়নের অন্তরায়। টেকসই সমাজ গঠনের জন্য যে জ্ঞান ও দক্ষতা প্রয়োজন তা সাক্ষরতার মাধ্যমেই অর্জন সম্ভব।


আরো সংবাদ পড়ুন...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর