ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের একটি স্কুলে বিস্ফোরণে এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ১০৮ জন নিহত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার সময় ওই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান একে ‘বর্বোরোচিত কাজ’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি বলেছেন, এটি ‘আগ্রাসীদের দ্বারা সংঘটিত অসংখ্য অপরাধের ধারাবাহিকতায় আরেকটি কালো অধ্যায়’।
ওই স্কুলটি ইরানের বিপ্লবী গার্ডের একটি ঘাঁটির কাছে অবস্থিত, যা হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল। এদিকে ইরানের রেড ক্রিসেন্ট বলছে, হামলায় সারাদেশে ২০১ জন প্রাণ হারিয়েছে। এছাড়া আরও ৭৪৭ জন আহত হয়েছে।
ইরানে এখনো হামলা অব্যাহত রয়েছে। রাজধানী তেহরানে গত কয়েক ঘণ্টা ধরে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছে। শনিবার যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের প্রাণঘাতী হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল ইরানের রাজধানী শহরটি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে বোর্মা বর্ষণ অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের যৌথ হামলায় দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন। ফার্স জানিয়েছে, শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় নিজের কার্যালয়ে নিহত হন আলী খামেনি। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় খামেনির মেয়ে, জামাতা এবং নাতনিও নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি।