বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৪২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
কমলগঞ্জে তরুণীকে অ প হ র ণ করে সংঘ/বদ্ধ ধ র্ষ ণে র অভি/যোগ,গ্রে/প্তার ২ শ্রীমঙ্গলে এসএসসিতে জিপিএ-৫ এ শীর্ষে দি বাডস, পাসের হারে সেরা নটরডেম ভোলাগঞ্জে সাংবাদিকের ওপর হামলা: তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা কমলগঞ্জে স্বেচ্ছাশ্রমে ঝোপঝাড় পরিষ্কার, ভিডিপি সদস্যদের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে প্রশংসা স্থানীয়দের মৌলভীবাজারে পার্কে উটপাখি ও এমুর ডিম দেশের চা শিল্পে নতুন মাইলফলক ন্যাশনাল টি কোম্পানির নবারুণ সংঘের পক্ষ থেকে এমপি মুজিবুর রহমান চৌধুরীকে সম্মাননা স্মারক প্রদান মার্শাল আর্ট ক্লাব কাপে ‘জুসা মার্শাল আর্ট’ এর সাফল্য, শ্রীমঙ্গলের আয়াত ও আইরাহ ঝুলিতে ৪ পদক লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের সিএমসি হিসাবরক্ষক আবজালুল হকের মৃত্যুতে,এলাকায় শোকের ছায়া ভোলাগঞ্জ স্থলবন্দরে এলসি আটকে হয়রানির অভিযোগ, বিএনপির সাবেক সভাপতির

জলদস্যুদের নতুন দল ‘এমভি আব্দুল্লাহ’র নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে

অনলাইন ডেস্ক / ১০৭ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : শনিবার, ১৬ মার্চ, ২০২৪

ভারত মহাসাগরে জলদস্যুদের কবলে পড়া ‘এমভি আবদুল্লাহ’র জিম্মি ২৩ নাবিক-ক্রু’র পাশাপাশি জলদস্যুরাও এখন জাহাজের খাবারে ভাগ বসাচ্ছে। ফলে জাহাজের সংরক্ষিত খাদ্য ও পানীয় রসদ দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। এ অবস্থায় জাহাজটিতে আপাতত খাদ্য ও পানীয় রসদ পাঠানোর চেষ্টা করছে জাহাজের মালিক প্রতিষ্ঠান কবির গ্রুপ।

এদিকে জলদস্যুদের নতুন আরেকটি দল জাহাজটির নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। শুক্রবার বিকেলে আবার জাহাজটির অবস্থান পরিবর্তন করে সোমালিয়ান জলদস্যুরা।

জাহাজটির মালিকপক্ষ বলেছে, জাহাজে থাকা ২৩ নাবিকের পাশাপাশি জলদস্যুরাও সংরক্ষিত পানি ও খাবার খাচ্ছে। কোনোভাবে জিম্মিদের কাছে খাবার ও পানি পৌঁছানো যায় কিনা সে চেষ্টা করা হচ্ছে।

সূত্র জানায়, জাহাজটিতে এর নাবিক ও ক্রুদের জন্য ২৫ থেকে ২৭ দিনের খাবার ও পানি মজুত ছিল। কিন্তু বর্তমানে জিম্মি নাবিকদের পাশাপাশি জলদস্যুরা জাহাজে অবস্থান করছে। ফলে খাবার ও পানির চাহিদা বেড়েছে। এছাড়া জাহাজে রান্না, গোসল ও পান করার জন্য বিশুদ্ধ পানি মজুত রাখা হয়। লোক বেশি থাকায় পানিও কমে আসছে।

কবির গ্রুপের মিডিয়া উপদেষ্টা মিজানুল ইসলাম বলেন, ‘জাহাজে যে খাবার ও পানি মজুত আছে সেগুলো জলদস্যুরাও ব্যবহার করছে। এ কারণে খাবার ও পানি কমে আসতে পারে বলে ধারণা করছি। খাবার সংকট যাতে তীব্র না হয় সে বিষয়ে আমাদের প্রস্তুতি আছে।

‘আমরা, জলদস্যুদের পক্ষ থেকে যোগাযোগের অপেক্ষা করছি। ওদের সঙ্গে যোগাযোগ হলেই কীভাবে জাহাজে খাবার ও পানি পাঠানো যায় তা নিয়ে আলোচনা হবে। এখন যত দ্রুত দস্যুদের সঙ্গে যোগাযোগ হবে ততই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা যাবে।’

মিজানুল ইসলাম বলেন, ‘বৃহস্পতিবার জাহাজটি সোমালিয়ার উপকূল থেকে দুই নটিকেল মাইল দূরে নোঙর করেছিল দস্যুরা। এরপর ওদের নতুন আরেকটি দল জাহাজটির নিয়ন্ত্রণ নেয়। কিন্তু শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে জাহাজটি আবার অবস্থান পাল্টাতে থাকে।

‘জলদস্যুদের কেউ আমাদের সঙ্গে এখনও মুক্তিপণের ব্যাপারে যোগাযোগ করেনি। তবে জিম্মি নাবিকরা সবাই ভালো আছেন। সুস্থ আছেন।’

প্রসঙ্গত, সোমালিয়ার একদল জলদস্যু মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় বেলা দেড়টার দিকে ভারত মহাসাগরে এমভি আবদুল্লাহর নিয়ন্ত্রণ নেয়। জাহাজটি মোজাম্বিক থেকে দুবাই যাচ্ছিল। জাহাজটি চট্টগ্রামের কবির গ্রুপের মালিকানাধীন। গ্রুপটির সহযোগী প্রতিষ্ঠান এস আর শিপিং লিমিটেড এই জাহাজ পরিচালনা করছিল।


আরো সংবাদ পড়ুন...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর